বয়স এখনও একমাসই পূর্ণ হয়নি ছেলেটির।মা আইশিয়া মেরি পাচেকো ছেলেকে খুব ভালোও বাসতেন। কিন্তু সোমবার ছেলেটি কান্না শুরু করে আর থামছিল না। কান্না থামাতে ব্যর্থ হতে পাচেকো বুকে চাপ দেন। এতে মারা যায় ছেলেটি। আর তা নিজেই পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন পাচেকো।
ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায়। মঙ্গলবার জরুরি সেবায় একটি ফোনের পর পুলিশ বাসা থেকে নবজাতককের লাশ উদ্ধার করে। আলেকজান্দার কাউন্টি শেরিফ ক্রিস বোম্যান সেখানে গিয়ে দেখতে পান শিশুটির নাকে ও মুখে প্রচণ্ড ক্ষত।
পুলিশ জানায়, মায়ের কাছ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ওয়েক ফরেস্ট ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এখানে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে।
পুলিশের ধারণা, ধারণা সোমবার শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয় মাকে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মা পাচেকো স্বীকার করেছেন, শিশুটি কান্না না থামানোয় তিনি বুকে চাপ দেন। এতে শিশুটি মারা যায়।
স্থানীয় জন্ম নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের নথি অনুসারে, টেইলর নামের ওই নবজাতকের জন্ম হয়েছিল ২০ মে।
স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে পাচেকো জানান, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ছেলেকে হত্যা করেননি। তিনি বলেন, এটা ছিল নিতান্ত একটি দুর্ঘটনা। আমি দুঃখিত। আমি আসলে তাকে হত্যা করতে চাইনি।
ফেসবুকে এক পোস্টে পাচেকো লিখেছেন, টেইলরের সময় ভালই কাটছিল। আমি তাকে ভীষণ ভালবাসি। তার মতো একটি ছেলের মা হতে পেরে আমি গর্বিত।
মা পাচেকোর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতে হাজির করা হলে ১ লাখ ডলার জামানতে পাচেকো জামিন পেয়েছেন। ৬ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: এনডিটিভি।
আরও পড়ুন:
- বদলে যেতে পারে মানব সভ্যতার ইতিহাস!
- সংকটের মুখে ‘যৌনদাসী’দের বিক্রি করছে আইএস, চলছে অনলাইন প্রচারণা
- জাপানের মার্কিন ঘাঁটিতে কারফিউ, মদ্যপান নিষিদ্ধ
/এএ/








