ক্যারিবীয় সাগরে আরেক নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ৩ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০২ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৩২আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৩২

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ক্যারিবীয় সাগরে আরেকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে জাহাজে থাকা অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে হেগসেথ বলেন, হামলাটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পরিচালিত হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

হেগসেথ জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, নৌযানটি অবৈধ মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিল। জাহাজটিতে লক্ষ্যবস্তু হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় হামলার সময় জাহাজে ‘তিনজন পুরুষ মাদক-সন্ত্রাসী’ ছিলেন। তিনজনই নিহত হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে ক্যারিবীয় অঞ্চল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে কথিত মাদক চোরাচালান যুক্ত নৌযান লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে ওয়াশিংটন। এখন পর্যন্ত এসব ৬২ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার নাগরিকও রয়েছে। ধ্বংস করা হয়েছে ১৪টি নৌযান ও একটি আধা ডুবোজাহাজ। বুধবারও এক হামলায় ৪ জন নিহত হন। এর আগে সোমবারও ধারাবাহিক বোমা হামলায় আরও ১৪ জন মারা যায়।

ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, এই হামলাগুলোর লক্ষ্য কথিত মাদক পাচারকারীদের দমন করা। তবে এখন পর্যন্ত তাদের দাবির পক্ষে জনসমক্ষে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।

সমালোচকরা এই হামলাগুলোকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার হাই কমিশনার ভলকার তুর্ক শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই হামলা ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতির ক্রমবর্ধমান মাত্রাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানান।

মার্কিন এই অভিযান ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। ভেনেজুয়েলা সরকার এই হামলাগুলোকে অবৈধ ও নিকোলা মাদুরোর সরকার পতনের চেষ্টা হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে হামলা চালানোর ‘পরিকল্পনা’ তার সরকারের নেই।

তবে গত আগস্টে মাদুরোর গ্রেফতারের তথ্যের জন্য পুরস্কার দ্বিগুণ করে ৫০ মিলিয়ন ডলার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাকে মাদক পাচার ও অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্তও করেছে।

ট্রাম্প পূর্বেও নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি ভেনেজুয়েলায় সিআইএকে গোপন অভিযান চালানোর অনুমতি দিয়েছেন।

/এস/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী