চীনের সঙ্গে মহাকাশ গবেষণায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে দাঁড়িয়ে সামরিক ও বেসামরিক উভয় খাতের কর্মীদের প্রশিক্ষণে একটি ‘স্পেস একাডেমি’ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) হিউস্টনে নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প জানান, বিখ্যাত মার্কিন সামরিক অ্যাকাডেমি ‘ওয়েস্ট পয়েন্ট’-এর আদলেই গড়ে তোলা হবে এই প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন এই স্পেস একাডেমি তৈরির লক্ষ্যে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে ট্রাম্প বলেন, এটিকে বলা হচ্ছে ইউএস স্পেস একাডেমি। এটি এক বিশাল ঘটনা। এটি মার্কিন মহাকাশ বাহিনী বা ইউএস স্পেস ফোর্স এবং নাসা- উভয়ের পাশাপাশি বেসামরিক মহাকাশ শিল্পেও সেবা দেবে। দেশ সেরা প্রতিভাদের এটি আকৃষ্ট করবে, প্রশিক্ষণ দেবে এবং যোগ্য করে তুলবে।
মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর ষষ্ঠ শাখা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইউএস স্পেস ফোর্সের প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, সাম্প্রতিক ভেনেজুয়েলা ও ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এই বাহিনী। তবে নতুন এই স্পেস একাডেমি কোথায় স্থাপন করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।
একই অনুষ্ঠানে গত এপ্রিলে চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে আসা নাসার ‘আর্টেমিস ২’ মিশনের নভোচারীদের ‘কংগ্রেশনাল স্পেস মেডেল অব অনার’ পদকে ভূষিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
প্রথম চন্দ্র অবতরণের পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর, এই দশক শেষ হওয়ার আগেই ফের চাঁদে নভোচারী পাঠানোর দৌড়ে চীনের মুখোমুখি অবস্থায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঠিক গত সপ্তাহেও ট্রাম্প মহাকাশ অনুসন্ধানের এক ‘স্বর্ণযুগ’ শুরুর কথা বলেছিলেন, যেখানে মঙ্গল ও চাঁদ অভিমুখী মিশনসহ রকেট উৎক্ষেপণের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার ইঙ্গিত রয়েছে।
সূত্র: উইয়ন নিউজ

ভেনেজুয়েলার তেলের নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প







