হরেক রকম চিকিৎসক ও মানুষের সুখ-অসুখ

ডা. লেনিন চৌধুরী
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০০আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১

মানুষ অসুস্থ হলে চিকিৎসকের কাছে যায়। সভ্যতার শুরুর সময় থেকেই চিকিৎসক পেশার শুরু। এমনকি মানুষের আগে দেবতাদের বাসস্থানেও ছিল চিকিৎসক। এগুলো আমার কথা নয়, খোদ ধর্মগ্রন্থের বাণী। পৃথিবীর অন্যতম একটি ধর্ম হচ্ছে হিন্দু বা সনাতন ধর্ম।  হিন্দু শাস্ত্রে অশ্বিনী কুমার নামের দুই ভাইয়ের কথা বলা হয়েছে। তারা ছিলেন স্বর্গের দুইজন চিকিৎসক। তখন অবশ্য তাদের বৈদ্য বলা হতো। সম্ভবত দেবতাদের দেখাদখি মানুষেরাও রোগমুক্তির জন্য চিকিৎসক বা বৈদ্যের দরকার বোধ করেন। তাই প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত বিশ্বের সব দেশে জনপদে চিকিৎসক ছিল এবং আছে। অবশ্য স্থান কাল ভেদে ডাক্তারদের নাম, পরিচয় ও সম্মানের ভিন্নতা আছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও চিকিৎসকগণ প্রতাপ ও প্রভাবের সঙ্গে দীপ্তি, দাপট ও স্বমহিমায় বিরাজমান।

বাংলাদেশে ডাক্তার বা চিকিৎসক আছেন। সেটা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে কত প্রকারের চিকিৎসক আছেন এবং তাদের সংখ্যা কত? আমি হলফনামায় সই করে বলতে পারি এরকম প্রশ্নের সঠিক জবাব দেওয়ার মতো বীর গবেষক এই দেশে এখনও জন্মগ্রহণ করেননি। তবে জ্ঞানী পাঠক, আপনি ও আমি মিলে আসুন একবার চেষ্টা করে দেখি বাংলাদেশের চিকিৎসকদের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে পারি কিনা।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল বা বিএমডিসি নামের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের কাজ হচ্ছে যারা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করে দেশের মানুষকে চিকিৎসা দেওয়ার উপযুক্ততা অর্জন করে তাদের নিবন্ধন প্রদান করা। বিএমডিসির আইন অনুযায়ী এমবিবিএস ও বিডিএস অথবা সমমানের ডিগ্রিধারী এবং বিএমডিসি কর্তৃক নিবন্ধিত ব্যক্তিগণই কেবল তাদের নামের পূর্বে ডাক্তার বা ডা. পদবী ব্যবহার করতে পারবেন। এরাই কেবল মানুষকে চিকিৎসা দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন। তাহলে এদেশে নামের আগে কারা ডাক্তার লেখতে পারে সেটা পরিস্কার হলো। চিকিৎসকদের চিকিৎসা কাজে সহযোগিতার লক্ষ্যে মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরির জন্য একটি ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। বিএমডিসি-র আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্টরা দিব্যি তাদের নামের আগে ‘ডাক্তার’ লাগিয়ে রোগী দেখে বেড়াচ্ছেন।

বাংলাদেশে আরেকদল ডিগ্রিধারী চিকিৎসক আছেন। তাদের ডিগ্রির নাম "এলএমপি”। এই এলএমপি চিকিৎসকদের আপনি সাধারণত গ্রামাঞ্চলে পাবেন। তবে ছোট-বড় শহরের অলিতে-গলিতেও এদের দেখা যায়। এলএমপি শব্দের পুরোটা জানেন? লোকাল মেডিক্যাল প্রাক্টিশনার এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এলএমপি। বুঝুন অবস্থা! এটা আদৌ কোনও মেডিক্যাল ডিগ্রি নয়। এরকমই আরেকটা ডিগ্রি হলো "ডিএফএম"। এটার পূর্ণরূপ 'ডিপ্লোমা ইন ফ্যামিলি মেডিসিন'। এটিও কোন পড়াশোনা করা ডিগ্রি নয়। ঔষধের দোকান দেওয়ার জন্য ঔষধ সম্পর্কে প্রাথমিক পরিচয় দান সংক্রান্ত ছয় মাসের একটি কোর্স রয়েছে। এই কোর্সটি সম্পন্ন করে গ্রামেগঞ্জে হাটেবাজারে ঔষধের দোকান দিয়ে নিজের নামের আগে ডাক্তার পদবি লাগিয়ে জমিয়ে প্র্যাকটিস করে যাচ্ছেন বহু ডাক্তার। সংখ্যায় এরা হাজার হাজার হবে।

বড় হাসপাতালের অ্যাটেন্ডেট নার্স, ওয়ার্ড বয় বা আয়ার কাজ করা লোকজনও গ্রামে গিয়ে ডাক্তার পদবি লাগিয়ে করে কেটে খাচ্ছেন। চিকিৎসকের চেম্বারে সিরিয়াল লেখার বা অন্যকোনও সহযোগী হিসেবে কিছুদিন কাজ করার পর গ্রামে ফিরে অনেকে চিকিৎসক হিসাবে প্যাড ছাপিয়ে চেম্বার দিয়ে বসেন। গ্রামেগঞ্জে একধরনের সার্জারি বিশেষজ্ঞের দেখা মেলে। এরা শহরের কোনও হাসপাতালে ওটি বয় বা ওটি নার্স হিসাবে কিছুদিন কাজ করেছেন। তারপর নিজেকে সার্জারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে কাটাকাটি মানে ছোটখাটো অপারেশন শুরু করে দিয়েছে। স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগে কাজ করা আয়া বা নার্স অনেকে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে রোগী দেখে যাচ্ছে। ফিজিওথেরাপিতে সংক্ষিপ্ত, মধ্যম এবং পূর্ণ কোর্স সম্পন্ন করে তারা প্যাডে ডাক্তার পদবী লাগিয়ে বীরদর্পে রোগী দেখছেন। রাজধানী থেকে শুরু করে সারাদেশে এটা দৃশ্যমান।

এছাড়া আরও নানা ধরনের বিপুলসংখ্যক ‘চিকিৎসক’ এই দেশে করে-কেটে খাচ্ছে।

দেশে নানারকম হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার আছেন। এদের অনেকের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা রয়েছে।  স্বীকৃত হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল  কলেজ থেকে পড়াশোনা করে পরীক্ষায় পাশ করে অনেকে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসাবে রেগী দেখেন। অনেকে  শর্ট কোর্সে  পড়ালেখা করে ডিগ্রি নিয়ে ডাক্তার হয়ে যান। কেউ কেউ নিজে নিজে মেটেরিয়া মেডিকা ধরনের হোমিওপ্যাথি বই পড়ে ডাক্তার হয় অর্থাৎ নিজেকে নিজই ডাক্তার ঘোষণা করেন। আয়ুর্বেদ ও হার্বাল মেডিসিনের প্রচুর ডাক্তার দেশে আছে। এরা কেউ ডাক্তার, কবিরাজ বা হেকিম পরিচয়ে জমিয়ে প্র্যাকটিস করে যাচ্ছেন। এছাড়া ইউনানি, তিব্বতিয় তরিকার ডাক্তার আছে। নানাধরণের হাড়ভাঙ্গার চিকিৎসক  সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এখনও জড়িবুটি নিয়ে বদ্যিরা গ্রামে গ্রামে রস খসানো বিষ খসানোর জন্য শিঙা লাগানো সহ নানারোগের জন্য  তাবিজ-কবচ দ্বারা কঠিন কঠিন রোগের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।  সাপের বিষ নামানো, সাপা বাতাস দূর করা, বাণ-মারা মুক্ত করা, জ্বিন-ভুতের আছর ছাড়ানোর জন্য হাত-চালান, বাটি-চালান, মরিচ-চিকিৎসা ইত্যাদির জন্য ওঝা, ফকির, পীর ইত্যাদি ব্যক্তিরা এখনও গ্রামে-গঞ্জে মানুষের চিকিৎসা করেন।

বাংলাদেশের আনাচকানাচে এতোসব বিচিত্র চিকিৎসা পদ্ধতি ও চিকিৎসক রয়েছে সেগুলো লিপিবদ্ধ করতে হলে রীতিমতো পিএইচডি পর্যায়ের গবেষণা করতে হবে।

এতোসব চিকিৎসক এবং চিকিৎসা পদ্ধতির দ্বারা দেশের মানুষের কতোটা উপকার হচ্ছে তার একটি খতিয়ান তৈরি হওয়া দরকার। ঝাড়ফুঁক, তাবিজ পানিপড়া, বিষ নামানো ইত্যাদি অনেকসময় সাইকোথেরাপি হিসাবে কাজ করে। এতে রোগী বেশ ভালো বোধ করে। এরকম ঘটনায় পীর,ফকির বা ওঝার সুনাম তরতর করে বাড়তে থাকে। বিষহীন সাপের কামড়ে ওঝা হাত-চালানের মাধ্যমে বিষ নামালে রোগী ভালো হয়ে যায়। বিষধর সাপে কাটা রোগীর বিষ নামে না, রোগী মারা যায়। তখন অবশ্য ওঝা বলে দেয় 'কালসাপে কেটেছে, কিছুই করা যাবে না'। কুসংস্কার আচ্ছন্ন মানুষ সেটা কপালের লিখন বলে মেনে নেয়। অথচ সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া হলে 'অ্যান্টি-স্নেক ভেনম' প্রয়োগে রোগীর জীবনটি রক্ষা করা যেত। বিপুল সংখ্যক মানসিক রোগী, মৃগী ইত্যাদি রোগীকে চিকিৎসার নামে ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতন করা হয়। 'সন্তান হচ্ছে না' এমন নারীর চিকিৎসায় ওঝা,ফকির ইত্যাদির চিকিৎসা প্রদানের সময় অনেক কদর্য, বিকৃতকামী আচরণের কথা জানা যায়। কেউ কেউ মন্ত্র পড়ে নারীর যৌনাঙ্গে ফুঁ দেয়, কেউ মন্ত্র পাঠের সাথে সাথে বাঁহাতের তর্জনী প্রবেশ করিয়ে নারীর যৌনপথের দোষ দূর করে। দোষ দূর করার জন্য অনেক ওঝা বা ফকির শারীরিক মিলন পর্যন্ত অগ্রসর হয়।

গ্রামের বিভিন্ন নামধারীদের চিকিৎসার নানা স্ব-উদ্ভাবিত পদ্ধতি রয়েছে। আমি একজনকে জানতাম তিনি কুকুরের কামড়ের ঔষধ দিতেন। আখের গুড়ের সাথে কুকুরের গায়ের এক-দুটি লোম মিশিয়ে দোয়া পড়ে রোগীকে খাইয়ে দিতেন। এজন্য তিনি দুটি কুকুর পুষতেন। এক ফকির রাতকানা রোগ সাড়ানোর জন্য তাজা খলিসা মাছের রক্ত মন্ত্র বা কালাম পড়তে পড়তে রোগীর চোখে ফোঁটায় ফোঁটায় দিতেন। জন্ডিসের চিকিৎসায় হাত ধুইয়ে হলুদ পানি বের করা, মাথায় বা গলায় মালা পড়িয়ের দেওয়ার বিষয়টি কমবেশি সবাই জানে।

প্রায়ই সাইনবোর্ডে দেখা যায় হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগণ ক্যান্সার ভালো করা, কিডনি ফেইলিউর রোগীকে শতভাগ ভালো করার চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন। এদের বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হয়ে কতো মানুষ অসময়ে মৃত্যুবরণ করেছে তার কোনও হিসাব নেই।

আমার চেনাজানা অন্তত দুজন কিডনি রোগীর পুরো ঘটনা আমি জানি। যারা এরকম দুঃখজনক ভাবে কিউনি ফেইলিউর নিয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় অকালে মৃত্যুবরণ করেছে। ক্যান্সারের রোগীকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগটি শেষপর্যায়ে উপণীত হওয়ার পর রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। অবশ্য তখন তেমন কিছু আর করার থাকে না। নারী-পুরুষের যৌন দুর্বলতার মোক্ষম চিকিৎসার অশ্লীল বিজ্ঞাপনে শহর নগরের দেয়াল ভরে থাকে। এরকম চিকিৎসায় কতো মানুষের জীবনে অহেতুক অমানিশা নেমে এসেছে।

কলেজের শিক্ষক দম্পতি। বিয়ের পর দশ বছর পার হয়েছে। তাদের সন্তান হচ্ছে না। বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের বহু চিকিৎসার পর গর্ভে সন্তান এলো। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি  ফুটফুটে সন্তান জন্ম নিল। শিক্ষক দম্পতি সন্তানটি নিয়ে কর্মস্থল জেলা শহরে গিয়ে কাজে যোগদান করেছে। আট-নয় মাস পরের কথা। শিশুটির ডায়ারিয়া হয়েছে। তারা শুনেছে শিশুর জন্য আধুনিক ঔষধ বা অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ ক্ষতিকর, হোমিওপ্যাথি হচ্ছে উত্তম। তাই তারা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খাওয়াচ্ছেন। চিকিৎসকও সাহেবেও ঔষধ দিয়ে যাচ্ছেন। শিশুটির অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়ে যাচ্ছে । তার শরীরে তীব্র পানিশূন্যতা, সোডিয়াম পটাশিয়ামের প্রচুর ঘাটতি ও কিডনি ফেইলিউর তৈরি হয়েছে। তখন শিশুটিকে জরুরিভাবে অ্যাম্বুলেন্সে করে  জেলা শহর থেকে ঢাকায় এনে একটি শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও শিশুটিকে বাঁচানো গেলো না। এরকম অনেক অনেক ঘটনার কথা উল্লেখ করা যায়। কিন্তু পাঠকের ধৈর্যচ্যুত্যির সম্ভাবনা কেবল বাড়বে।

হরেক রকম চিকিৎসকের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করা জরুরি। কিন্তু কীভাবে?

এজন্য দরকার দেশের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য একটি পুর্নাঙ্গ পরিকল্পনা ও সেটা বাস্তবায়নের পথ-নকশা তৈরি করা। বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা রাজধানী ও কয়েকটি বড় শহর কেন্দ্রিক। স্বাস্থ্যসেবার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঠিকভাবে বিকেন্দ্রীকরণ  করা জরুরি। কিছু ব্যতিক্রম বাদে অধিকাংশ রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা জেলা পর্যায়ে করার ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি কার্যকর রেফারেল সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করা দরকার।  ধাপে ধাপে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।। চিকিৎসার সাথে যুক্ত সবাইকে আইনী বাধ্যকতার আওতায় আনতে হবে। এই কাজটি কবে শুরু করতে হবে? শুরু করার সঠিক সময় হচ্ছে এখন অর্থাৎ এখনই। এ কাজে দেরি মানে আরও অনেক প্রাণের অকালে ঝরে যাওয়া, অনেক অনেক মানুষের স্বাস্থ্য ও সম্পদের হানি হওয়া।

লেখক: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

/এম/
সম্পর্কিত
শিশুর হাতে স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ? 
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
ভারতের রাজনীতিতে গরু: ধর্ম, অর্থনীতি নাকি কৌশল? 
সর্বশেষ খবর
হঠাৎ রেমিট্যান্স আসা কমে গেলো
হঠাৎ রেমিট্যান্স আসা কমে গেলো
টেইটের জায়গায় তালহা জুবায়ের, প্রশংসায় ভাসালেন হান্নান সরকার 
টেইটের জায়গায় তালহা জুবায়ের, প্রশংসায় ভাসালেন হান্নান সরকার 
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের