দেশে ওমিক্রন তাণ্ডবের প্রকোপ কমতে শুরু করেছে। গত কয়েক দিন ধরেই দৈনিক শনাক্ত রোগী ও শনাক্তের হার কমছে। আজ রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নতুন রোগী কমে পাঁচ হাজারের নিচে নেমে এসেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা) করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন চার হাজার ৮৩৮ জন। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি এর চেয়ে কম ছিল তিন হাজার ৪৪৭ জন। তারপর থেকে আর পাঁচ হাজারের নিচে নামেনি দৈনিক শনাক্ত রোগী।
দেশে করোনা আক্রান্ত এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৯ লাখ ৯ হাজার ৬৬৪ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ২৮ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ২৮ হাজার ৮১৯ জন।
করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩ হাজার ৮৫৩ জন। তাদের নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৫৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩২ হাজার ৫০৩টি আর পরীক্ষা হয়েছে ৩২ হাজার ৫৭৪টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪২ লাখ ৪২ হাজার ৩৪২টি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫১ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৮ জনের মধ্যে পুরুষ ২০ জন আর নারী আট জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৮ হাজার ৪০২ জন আর নারী ১০ হাজার ৪১৭ জন।
সবচেয়ে বেশি বয়সের মারা গেছেন ৭১ থেকে ৮০ বছরের ১০ জন। এরপর ৫১ থেকে ৬০ বছরের আছেন পাঁচ জন। ৪১ থেকে ৫০ বছর আর ৬১ থেকে ৭০ বছরের আছেন তিন জন করে। ২১ থেকে ৩০ বছরের দুই জন আর ১১ থেকে ২০ বছর, ৩১ থেকে ৪০ বছর, ৮১ থেকে ৯০ বছর, ৯১ থেকে ১০০ বছর আর ১০০ বছরের ঊর্ধ্বে আছেন একজন করে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, ২৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১২ জন। খুলনা বিভাগের ছয় জন, রাজশাহী বিভাগের চার জন, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে দুই জন করে আর বরিশাল ও সিলেট বিভাগের মারা গেছেন একজন করে।
অধিদফতরের তথ্যমতে, ২৮ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২৩ জন আর বেসরকারি হাসপাতালে পাঁচ জন।









