‘ভিজিট নেপাল ২০২০’: শুভেচ্ছাদূত জাহিদ হাসান, মেহরিন ও মুহিত

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:০০, জানুয়ারি ০৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২১, জানুয়ারি ০৮, ২০২০

মেহরিন ভূঁইয়া ও জাহিদ হাসানহিমালয়ের দেশ নেপাল ২০২০ সালকে পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করেছে। এ বছর সারাবিশ্ব থেকে ২০ লাখ ভ্রমণপিপাসু পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দেশটি। এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী চলছে ‘ভিজিট নেপাল ২০২০ লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স’ শীর্ষক কর্মসূচি। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে অভিনেতা জাহিদ হাসান, গায়িকা মেহরিন ভূঁইয়া ও এভারেস্ট জয়ী পর্বতারোহী এম এ মুহিতকে ‘ভিজিট নেপাল ২০২০’ কর্মসূচির শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাস।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সঙ্গে নেপালের উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক তুলে ধরেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও নেপাল শুধু প্রতিবেশী নয়, দুই দেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্ব রয়েছে। নেপালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সারাবিশ্বের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। তাদের এই কার্যক্রম সফল হবে আশা করছি।’
নেপালের সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব কেদার বাহাদুর অধিকারী উল্লেখ করেন, পর্যটনের বিকাশে বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিচ্ছে নেপাল। তাই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন খাতে বাণিজ্যিক একটি সম্পর্ক তৈরি করতে আগ্রহী দেশটি। তার কথায়, “প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক নেপাল ভ্রমণ করেন। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক দারুণ। নেপাল পর্যটন নিয়ে যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে বাংলাদেশ অন্যতম সহযোগী। বাংলাদেশকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন খাতে সম্পর্ক দৃঢ় করতে চাই। ‘ভিজিট নেপাল ২০২০ লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স’ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য হলো নেপাল ভ্রমণে উৎসাহিত করা। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের আগ্রহ বেশি।”
অতিথিদের মাঝে জাহিদ হাসান ও মেহরিন ভূঁইয়াবাংলাদেশে নেপালের রাষ্ট্রদূত ডা. বংশীধর মিশ্র মনে করেন, বাংলাদেশ-নেপালের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এই কর্মসূচি। তিনি বলেন, ‘ভ্রমণকারীদের উন্নত আতিথেয়তা, পরিবহন ও বিমানবন্দর সুবিধা দিতে পর্যটন খাতে বিপুল বিনিয়োগ করছে নেপাল। নেপাল এমন একটি দেশ যেখানে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা এবং মাইস ট্যুরিজম, প্রকৃতিসহ বিভিন্ন ধরনের আয়োজন উপভোগ্য। একইভাবে নেপালি খাদ্য ও সাংস্কৃতিক মাধ্যমে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেন পর্যটকরা।’

/সিএ/জেএইচ/
টপ