রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে এক পুলিশ সদস্যকে এসিড ছুড়ে পালানোর সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক জোবায়েরকে (২২) জিজ্ঞাসাবাদ করছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিট (সিটিটিসি)।
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) আহত জোবায়েরের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই হাসপাতালেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সিটিটিসি’র সদস্যরা।
বুধবার দুপুরে পুলিশের লালবাগ জোনের অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার এম কামাল হোসাইন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘গতকাল রাতে (মঙ্গলবার দিবাগত রাত) পুলিশকে এসিড ছুড়ে পালানোর সময় জোবায়েরকে আটক করা হয়। এসময় বাকি দুজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জোবায়ের হাটহাজারি মাদরাসায় পড়াশুনা করেছে বলে জানা গেছে। তাদের গতিবিধি ও আক্রমণের মোটিভ দেখে জঙ্গি বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাই তাকে পঙ্গু হাসপাতালে সিটিটিসি’র সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করছে।’
পুলিশের উপর আক্রমণের ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বংশাল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে এসিডদগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ(ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বংশাল থানার করস্টেবল মো. রফিকুল আলম(৪৮)।
বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন পার্থ সংকর পাল জানিয়েছেন, পুলিশ সদস্যের শরীরে বার্নের পরিমাণ ৪ শতাংশ। তিনি বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে চার পুলিশ সদস্য দায়িত্বপালন করছিলেন। ওইদিন রাত ১২টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে চড়ে তিনজন আসলে দের মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট কাপড় দিয়ে বাধা দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। তিনজনকে পুলিশ সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করলে আরোহীদের একজন ব্যাগ থেকে এসিড ও পাউডার বের করে ছুড়ে মারে। এতে মুখের একাংশে দ্বগ্ধ হন বংশাল পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল রফিকুল। মোটরসাইকেল আরোহীরা পালাতে চাইলে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে পুলিশ। এতে জোবায়ের গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক হয়।
/আরজে/এআর/







