বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি: গেজেট পুনর্বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৬:২১আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৬:২৩

 

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম (ছবি: সংগৃহীত) বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট পুনর্বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, ‘আমরা দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছি। আশা করি, এই সময়ের মধ্যে গেজেট হবে। গেজেট হলে অচলাবস্থার অবসান হবে।’ রবিবার সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানান।

এর আগে রবিবার সকালে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে বার বার সময়ের আবেদনের কারণ জানতে চান আপিল বিভাগ। বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে রাষ্ট্রপক্ষ আবারও সময়ের আবেদন করলে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৮ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিধিমালার গেজেট সরকারের পক্ষ থেকে দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। আমরা দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছি। সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বিধিমালার কিছু সংশোধন করে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। আদালত আমাকে বলেছেন লিখিত দরখাস্ত দাখিল করতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রুলস প্রণয়ন করবেন রাষ্ট্রপতি। মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে জানানো হয়েছে এখন আর কোনও সমস্যা নেই। বিধিমালা জারি করা হবে। রুলস না থাকলে বিশৃঙ্খলার বিষয়টি থেকে যায়। আইন মন্ত্রণালয় ও বিচার বিভাগের এমন সম্পর্ক থাকা উচিত যেন অচলাবস্থার সৃষ্টি না হয়।’

গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে সরকারকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন আপিল বিভাগ। বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে ১২ ডিসেম্বর তলবও করেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত বছরের ৭ নভেম্বর  বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট আকারে প্রণয়ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

/ইউআই/ এমএনএইচ/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের