বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে হেয় এবং দলকে বিকল করার জন্য মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ৩টায় সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
জমির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘আমি প্রতিটি সাক্ষীর যুক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে পেরেছি, খালেদা জিয়া নির্দোষ। আমি আশা করছি খালেদা জিয়া মামলা থেকে খালাস পাবেন। এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোনও ভিত্তি নেই। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কাগজপত্রে খালেদা জিয়ার কোনও স্বাক্ষর নেই, সিল নেই। ব্যাংকের এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে খালেদা জিয়া কিছু্ই জানেন না। এই মামলাটি করা হয়েছে জরুরি অবস্থায়। ২০০৬ সালে যখন জরুরি অবস্থা হলো, তখন মইনুল ও ফখরুল আহমেদ ম্যাডাম জিয়াকে মাইনাস টু ফর্মুলা করে এই মামলাটি সৃজন করেছেন।’
জমির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘মিথ্যাভাবে ও ইচ্ছাকৃতভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে হেয় করার জন্য এবং তার দলকে বিকল করার জন্য এই মামলাটি করা হয়েছে। যেহেতু উনার বিরুদ্ধে সাক্ষী-প্রমাণ নেই, সেহেতু তিনি এই মামলাটিতে খালাস পেতে আইনত হকদার। এর আগে ৮ম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী এবং তার যুক্তিতর্ক শেষে খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী জমির উদ্দিন সরকার।’
এর আগে সাত জন সাক্ষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এ জে মোহাম্মদ আলী আদালতে একটি মামলার আবেদন করেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে বুধবার বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে পৌঁছান। পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে অষ্টম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।
আরও পড়তে পারেন: ‘উনি ঠিক সময়ে আদালতে আসতে পারেন না কেন?’







