বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অর্থপাচার মামলা আগামী চার মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ওই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ছয় সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করতে মামুনের আইনজীবীদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে গিয়াস আল মামুনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও এস এম শাহজাহান। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
পরে খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের করা লিভ টু আপিলের (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) ওপর গত দুই দিন আপিল বিভাগে শুনানি হয়েছে। শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ বিচারিক আদালতকে এই মামলাটি চার মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের ছয় সাক্ষীকে পুনরায় জেরারও অনুমতি দিয়েছেন আদালত।’
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় একটি ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কার্যাদেশ তারেক রহমানের মাধ্যমে পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০০৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মোট ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা গ্রহণ করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। পরে তা সিঙ্গাপুর পাচার হয়েছে বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়।
অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করেন। বর্তমানে ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।







