যুবলীগ নেতা জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী কারাগারে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৩২আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:০৭

যুবলীগ নেতা জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী কারাগারে যুবলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া (জিকে) শামীমের ৭ দেহরক্ষীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) অস্ত্র আইনের মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে এই ৭ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান। একইসঙ্গে এই ৭ আসামির জামিন শুনানির জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখও ধার্য করেন আদালত।

জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী হলেন—দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার আদালতে আসামিদের হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক) ফজলুল হক।

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে আসামিদের মামলার ঘটনা সংক্রান্তে সুনিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা মামলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মামলার তদন্তকাজে যথেষ্ট সহায়ক হবে। তাদের দেওয়া তথ্য ও নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।

এ সময় আসামিদের জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী আবদুর রহমান হাওলাদার ও শওকত ওসমান।

এদিকে, বৃহস্পতিবার এই ৭ আসামির বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী ।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় এই ৭ আসামির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিকেতনের ১১৩ নম্বর বাসা থেকে যুবলীগ নেতা জিকে শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীকে আটক করে র‌্যাব। এরপর নিকেতনে তার জি কে বিল্ডার্স অফিসে (১৪৪ নম্বর) অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজ ও নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। এছাড়া তার জিম্মা থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, দেহরক্ষীদের ৭টি শটগান-গুলি ও কয়েক বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।

/টিএইচ/এমএনএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের