রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বাস থেকে ফেলে ফুল বিক্রেতা মরিয়ম আক্তার নামে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়েছেন আদালত। আসামিরা হলো, রাইদা পরিবহনের গাড়িচালক রাজু মিয়া ও তার সহকারী ইমরান হোসেন।
বুধবার (১৭ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) হাসান পারভেজ ২ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করেন। আসামিরা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদের আদালত আসামি রাজু মিয়ার ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী ইমরান হোসেনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, শিশু মরিয়ম ফুল বিক্রির পাশাপাশি বাসে উঠে যাত্রীদের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতো। প্রতিদিনের মতো গত ৯ নভেম্বর সকালে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের বিপরীত পাশে একটি বাসে ওঠে সে। যাত্রী নয়; বুঝতে পেরে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয় রাইদা পরিবহনের ওই বাসের চালক ও হেলপার। গাড়ির গতি কমিয়ে তাকে নামতে দেওয়া হয়, তবে নামার আগেই গতি বাড়িয়ে দেওয়ায় বাস থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় মরিয়ম। পরে পথচারীরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন মরিয়মের বাবা প্রাইভেটকার চালক রনি মিয়া।








