ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদেশের তারিখ নির্ধারণ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৫ জুলাই ২০২৬, ১৭:১০আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৬, ১৭:১০

হামের প্রাদুর্ভাব এবং শিশুমৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বে অবহেলা, আইন অমান্য ও অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুর জাহান বেগমসহ চার জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটির আবেদনের ওপর আদেশের জন্য ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রবিবার (৫ জুলাই) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। 

এদিন সকালে একই আদালতে চার জনের বিরুদ্ধে মামলাটির আবেদন জমা দেন সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেন। বিকালে ওই আবেদনের ওপর আদেশের জন্য ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেন। 

বাদী পক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজ সকালে এই মামলার আবেদন জমা দেওয়া হয়। তবে বিকালে জানতে পারলাম ১২ জুলাই আদেশের জন্য রেখেছেন আদালত।

মামলায় আবেদনে অপর আসামিরা হলেন– সাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহা-পরিচালক ডা. মো. আবু জাফর ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

বাদী সিরাজুল ইসলাম মামলার আবেদনে উল্লেখ করেন, বাদীর ৯ মাসের শিশু কন্যা সাউদা মুসকান জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে শয্যা সংকট, অক্সিজেনের অভাব, চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে অবস্থার অবনতি ঘটে। সঠিক সময়ে হামের টিকা সরবরাহ না থাকায় শিশুটি টিকা নিতে পারেনি এবং এ কারণেই হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।

মামলায় অভিযোগে আরও বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে হামের টিকা সংগ্রহ, সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এই অবহেলার ফলে দেশব্যাপী শত শত শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজারো শিশু চিকিৎসাধীন।

বিবাদীদের এসব কর্মকাণ্ড সংবিধান অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য ও জীবন রক্ষার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবহেলা এবং আইনগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার শামিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

/এআই /আরকে/
সম্পর্কিত
সেই লিটু যুবদলের কেউ নন, সংবাদ সম্মেলনে বললেন নেতারা
কী ঘটেছিল, বর্ণনা দিয়ে কাঁদলেন সেই এমডি
যৌন নিপীড়নের মামলায় ৩ শর্তে সেই ফয়সালের জামিন
সর্বশেষ খবর
খামেনির জানাজায় তিন ছেলে, আড়ালেই রয়ে গেলেন উত্তরসূরি মোজতবা
খামেনির জানাজায় তিন ছেলে, আড়ালেই রয়ে গেলেন উত্তরসূরি মোজতবা
২৮ বছরের আক্ষেপ ঘোচাতে পারবে ব্রাজিল? 
২৮ বছরের আক্ষেপ ঘোচাতে পারবে ব্রাজিল? 
আদাবরে বিএনপি নেতা হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার
আদাবরে বিএনপি নেতা হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার
সেই লিটু যুবদলের কেউ নন, সংবাদ সম্মেলনে বললেন নেতারা
সেই লিটু যুবদলের কেউ নন, সংবাদ সম্মেলনে বললেন নেতারা
সর্বাধিক পঠিত
নামিদামি হোটেলের সবজি এত মজার হয় কেন? জানুন বাবুর্চিদের ট্রিকস
নামিদামি হোটেলের সবজি এত মজার হয় কেন? জানুন বাবুর্চিদের ট্রিকস
মেসির ইন্টার মায়ামিতে যাচ্ছেন ভোজিনহা!
মেসির ইন্টার মায়ামিতে যাচ্ছেন ভোজিনহা!
প্রিপেইড মিটারের ভাড়া বহাল, ‘প্রত্যাহার’ ছিল গুজব
প্রিপেইড মিটারের ভাড়া বহাল, ‘প্রত্যাহার’ ছিল গুজব
শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২
শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২
শেরওয়ানির জন্য ফ্লাইট আটকে রাখার অভিযোগে তোলপাড়, ব্যাখ্যা চেয়েছে মন্ত্রণালয়
শেরওয়ানির জন্য ফ্লাইট আটকে রাখার অভিযোগে তোলপাড়, ব্যাখ্যা চেয়েছে মন্ত্রণালয়