মারধর, বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও যৌন হয়রানির মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণিকে জেরার দিন পিছিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর রেখেছে ট্রাইব্যুনাল। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়ার আদালতে রবিবার পরীমণিকে জেরার এ দিন রাখা হয়। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পরীমণিকে জেরার জন্য আজকের দিন ধার্য ছিল। বেলা ১১টার দিকে পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) আদালতকে বলেন, ‘পরীমণি আদালতে আসবেন। ১২টার দিকে যেন জেরার জন্য রাখা হয়।’
আদালত বাদীর আবেদন মতে, পরীমণিকে জেরার জন্য সময় নির্ধারণ রাখেন দুপুর ১২টা। এরপর দুই দফা ডাকা হয় পরীমণিকে জেরার জন্য। কিন্তু সময় মতো আদালতে এসে পৌঁছাতে পারেননি তিনি।
এদিকে সব মামলার শুনানি শেষ হয়ে যাওয়ায় আদালত ৩০ নভেম্বর পরীমণিকে জেরার জন্য দিন রেখেছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী)।
তিনি বলেন, ‘আদালতের বিচারকাজ শুরু হওয়ার সময় আমরা মামলাটি ১২টার দিকে জেরার জন্য রাখার জন্য প্রার্থনা করি। আদালত দুপুর ১২টায় মামলাটি শুনানির জন্য রাখেন। এরপর দুই দফা ডাকা হয় শুনানির জন্য। তবে পরীমণি যানজটের কারণে তখনো আদালতে এসে পৌঁছাতে পারেননি। এদিকে সব মামলার শুনানি শেষ হয়ে যায়। আসামিরাও চলে যায়। এ জন্য আজ জেরা হয়নি। আগামী ৩০ নভেম্বর জেরার পরবর্তী দিন রাখা হয়েছে।’
মামলার আসামি হলেন, নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম। তারা জামিনে আছেন।
২০২১ সালের ১৪ জুন নাসির উদ্দিন ও অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে ঢাকার সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন পরীমণি।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন।
২০২২ সালের ১৮ মে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
ওই বছরের ২৯ নভেম্বর সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন পরীমণি। তবে এখনো তা শেষ হয়নি। পরীমণির মামলার বিচার চলছে রুদ্ধদ্বার কক্ষে (ক্যামেরা ট্রায়ালে)।








