রাজধানী থেকে গ্রেফতার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৫ জন নেতাকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন রিমান্ডের আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন-যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন।
গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।
অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। কয়েকটি ব্যানারে সংগঠনের নেতাকর্মীদের ছবি ছিল বলেও জানায় পুলিশ।
পরদিন ৫২ জনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আদালত ৫২ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এরপর ১৫ অগাস্ট ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই হাফিজুর রহমান। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন বুধবার (১৯ আগস্ট)।
এদিন শুনানিকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব তাদের রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে শুনানি করেন।
অপরদিকে তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দুর্নীতির মামলা: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে প্রথম দিনেই সাক্ষ্য হয়নি







