পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ছে, সাত মাসে আহত ৩৬১

ইমরান আলী
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০১আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০১

ঢাকাসহ সারা দেশে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ছে। আসামি গ্রেফতারে বাধা, হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের হামলায় আহত হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। সবশেষ রাজধানীর উপকণ্ঠ সাভারে সন্ত্রাসীদের উপর্যুপরি আঘাতে নিহত হয়েছেন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের উপ-পরিদর্শক আলতাফ হোসেন।

পুলিশ সদর দফতরের হিসাবে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে পৃথক হামলায় অন্তত ৩৬১ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে ঢাকায়।

হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ৮২ জন, মার্চে ৬৩ জন, এপ্রিলে ৬৬ জন, মে মাসে ৫৫ জন, জুনে ৫১ জন এবং জুলাইয়ে ৪২ জন পুলিশ সদস্য হামলায় আহত হয়েছেন।

এর আগের বছর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলায় আহত হন ৬০১ জন পুলিশ সদস্য। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৩৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭, মার্চে ৯৬, এপ্রিলে ৫২, মে মাসে ৬২, জুনে ৪৪, জুলাইয়ে ৩৯, আগস্টে ৫১, সেপ্টেম্বরে ৪৩, অক্টোবরে ৬৯, নভেম্বরে ৪১ এবং ডিসেম্বরে ৪১ জন আহত হন।

পুলিশের মনোবল দুর্বল করতে হামলার অভিযোগ

সাভারে উপ-পরিদর্শক আলতাফ হোসেন হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পরিদর্শক কামরুল ইসলাম তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল সুপরিকল্পিতভাবে পুলিশের মনোবল দুর্বল করতে ইউনিফর্মধারী পুলিশকে পেশাগত কাজে বাধা দেওয়া এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশকে দুর্বল ভেবে যারা আঘাত করছে, তাদের আমরা আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবো।’

তিনি আরও বলেন, পুলিশ জনগণের কল্যাণেই কাজ করে। পুলিশের ওপর হামলা হলে জনগণের উচিত তা প্রতিহত করতে সহযোগিতা করা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের উচিত পুলিশের কাজে সহযোগিতা করা এবং পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধার মুখে পড়লে এগিয়ে আসা।

ছিনতাইকারী কিংবা উগ্রবাদীদের হামলারও শিকার হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের পরিবর্তিত পরিস্থিতির পর ২০২৫-২৬ সালে পুলিশের ওপর আক্রমণ বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকায়। ছিনতাইকারী কিংবা উগ্রবাদীদের হামলারও শিকার হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা।

চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পকেট গেট এলাকায় পুলিশের একটি নিয়মিত তল্লাশি চৌকিতে হামলার ঘটনা ঘটে। তল্লাশির সময় একদল যুবক দায়িত্বরত এক পুলিশ কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত করে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল, বোমাভর্তি একটি ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ। ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম তদন্ত করে জানতে পায়, ঘটনার সঙ্গে উগ্রবাদী সংগঠন নব্য জেএমবির সন্ত্রাসীরা জড়িত।

চলতি বছরের মে মাসে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে ধানমন্ডি থানা পুলিশের একটি দল হামলার শিকার হয়। বাধ্য হয়ে পুলিশ গুলি চালালে এক ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়। এর আগে রাজধানীর পল্লবী থানার ওসি নজরুল ইসলামসহ পুলিশের তিন কর্মকর্তা আহত হন।

মার্চে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অভিযানের সময় যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান।

ঢাকার বাইরেও ঘটছে হামলার ঘটনা

রাজধানীর বাইরেও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। গত শনিবার চট্টগ্রামের ওয়্যারলেস মোড় এলাকায় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন বগাকে গ্রেফতার করতে গিয়ে হামলার শিকার হন পুলিশ সদস্যরা। হামলাকারীদের ছোড়া ইটপাটকেল ও ককটেল বিস্ফোরণে খুলশী থানার ওসি আবদুর রহিমসহ পুলিশের অন্তত ছয় সদস্য আহত হন।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে তালিকাভুক্ত এক সন্ত্রাসীকে ধরতে গিয়ে গুলিতে একাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠিতে দুইপক্ষের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে শহিদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার পাশাপাশি রড দিয়েও পেটানো হয়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় পুলিশের তিন উপপরিদর্শকসহ চার পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। আহতরা হলেন আফজালুর রশিদ, জসীমউদ্দীন, খোরশেদ আলম ও সোহেল।

আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে

শুধু হামলাই নয়, বিভিন্ন এলাকায় পুলিশকে আক্রমণ করে হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দামোধরদপী পয়েন্টে একাধিক মামলার আসামি আসির মিয়াকে পুলিশ হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় আসামির স্বজন ও সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা ও ধস্তাধস্তি করে তাকে ছিনিয়ে নেয়। পালিয়ে যাওয়ার পর আসির মিয়া তার ফেসবুক আইডি থেকে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় লাইভেও আসে।

তবে পরবর্তী সময়ে ৩ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে শহরের একটি রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে আবার গ্রেফতার করে।

জুলাইয়ে নরসিংদীর চরাঞ্চলে হত্যাসহ তিন মামলার আসামি সেলিম মুন্সিকে গ্রেফতার করে থানায় নেওয়ার পথে স্থানীয় ৪০-৫০ জন লোক লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। এতে পুলিশ সদস্যরাও আহত হন।

বছরের শুরুর দিকে ময়মনসিংহ ও বাগেরহাটেও পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। সেখানে দায়িত্বপালনকারী বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

এর বাইরে মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, যশোর, মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানা এলাকায় পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক

এদিকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী নাসির উদ্দিন সম্রাট বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আইনের রক্ষক পুলিশ যদি হামলার শিকার হয়, তাহলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ হবে? দ্রুত এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব পুলিশের ঊর্ধ্বতনদের। না হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা কঠিন হবে।’

তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে ছিনতাইকারী, ফেরারি আসামি ও মাদক কারবারিরাও যখন-তখন পুলিশের ওপর হামলা করছে, যা উদ্বেগের বিষয়। দেশ ও মানুষের সার্বিক কল্যাণ এবং শান্তির কথা বিবেচনা করে আইন প্রয়োগে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। না হলে দেশে অরাজকতা ক্রমশ বাড়বে।

‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে’

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিম সোহাগ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে একই ধরনের অপরাধ বারবার ঘটছে।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা চলতে থাকাটা উদ্বেগজনক। এতে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থাও কমছে।’

একই সঙ্গে অপরাধীদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনার কারণে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানান এই অপরাধ বিজ্ঞানী। তিনি বলেন, ‘অনেকগুলো মামলা থাকার পরও একজন অভিযুক্ত জামিনে বেরিয়ে এসে আবার অপরাধে জড়াতে পারলে সামগ্রিক বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়।’

রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, ‘যেই অপরাধ করুক, তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা আরও কমবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়তে থাকবে।’ 

পুলিশের সাবেক আইজিপি বাহারুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রকৃতপক্ষে দেশে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি যে অপরাধ করলেও বিচার হয় না, তার জন্যই মূলত এ ঘটনাগুলো ঘটছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার তো পুলিশকে কীভাবে ব্যবহার করেছে, তা জনগণ দেখেছে। কোনও কিছু হলেই রাস্তায় বসে পড়তো, কিছু বলা যেতো না। রাত নাই, দিন নাই, এখানে ফ্যাসিস্ট আছে, ওখানে ফ্যাসিস্ট আছে বলে ব্যবহার করতো। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলেও কেন যে পুলিশ অ্যাসল্টের ঘটনা ঘটছে তা আমি বুঝতে পারছি না।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারি দল, বিরোধী দল ২৪-এর আগস্টের আন্দোলনে ছিল। তারা দেখেছে পুলিশ তাদের ওপর কী আচরণ করেছে। সেই বিষয়টা এখনও ধরে রেখেছে কিনা বলতে পারবো না। পুলিশকে আইনের মধ্যে থেকে তো কাজ করতে দিতে হবে। নতুবা আইন শৃঙ্খলা বলতে কিছু থাকবে না।‘

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি আইজি থাকাকালীন নরসিংদীতে এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে অ্যাসোল্ট করা হলো। আমি সেই বিচার করে আসতে পারিনি। এখন সরকার-জনগণকে বুঝতে হবে, পুলিশ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবে কে? এ থেকেও অন্তত পুলিশকে পুলিশের কাজ করতে দেওয়া উচিত।’

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে পুলিশ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তিনি এখন মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত এবং মাঝে মাঝে অপারেশনের কাজে বাইরে যেতে হয়। মাদকের আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হলে পরবর্তী সময়ে অপারেশনে যেতে কর্মকর্তাদের অনেকবার ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসীসহ নানা অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা পুলিশের কাজ, যার সুফল পান নাগরিকরাই। পুলিশ কাজ করতে না পারলে এসব পরিস্থিতির উন্নতি কীভাবে ঘটবে—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

জিয়াউল হক বলেন, পুলিশ ও সাধারণ মানুষ কেউ কারও প্রতিপক্ষ নয়। তাই পুলিশের কাজে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক শিহাব কায়সার খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জনগণ সহযোগিতা না করলে পুলিশের কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সাভারের ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তা নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও যেভাবে হামলার শিকার হয়ে মারা গেলেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাবাকে রক্ষা করতে এসে তার ছেলেও মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পুলিশকে পুলিশের মতো করে কাজ করতে দিতে হবে। সাধারণ মানুষের বোঝা উচিত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকেই কাজ করতে হয়। এ মুহূর্তে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের পুলিশের পাশে দাঁড়ানো উচিত।’

তিনি আরও বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পুলিশ ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সদস্যদেরও উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলার শিকার হচ্ছে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

এদিকে পুলিশের মনোবল উন্নয়নের কথা তুলে ধরে গত মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিকায়ন, সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি এবং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে তাদের উদ্বুদ্ধ করার কাজ একসঙ্গে করা হচ্ছে। গত ২৬ আগস্ট রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক অনুষ্ঠানে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ভঙ্গুর মনোবল ও দুর্বল অবস্থায় পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ছয় মাসে তাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সদস্যদের মনোবল ফিরে এসেছে এবং তারা পূর্ণশক্তি দিয়ে অপরাধ দমনে কাজ করছেন।
  
ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পুলিশকে আরও জনবান্ধব ও প্রত্যাশিত বাহিনীতে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আইনি কাঠামোয় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি জবাবদিহি ও কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

/ইউএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
দুই পুলিশ সদস্য আটক
গণপতির বাড়ি থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার কোথায়, উদ্ধার সম্ভব নয় কেন বলছে পুলিশ?
প্রকৃত আসামি বিদেশে, নামে মিল থাকায় জেলেকে কারাগারে পাঠালো পুলিশ
সর্বশেষ খবর
ড. খলিলুরের হাত ধরে শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন
ড. খলিলুরের হাত ধরে শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন
দুই পুলিশ সদস্য আটক
দুই পুলিশ সদস্য আটক
সিগারেটের দাম বাড়লো ৩ টাকা, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
সিগারেটের দাম বাড়লো ৩ টাকা, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
হোটেল দখলের মামলায় বিএনপি-যুবদলের ৬ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
হোটেল দখলের মামলায় বিএনপি-যুবদলের ৬ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
সর্বাধিক পঠিত
শিশু কোলে ছবি দিয়ে পরীমণি বললেন ‘তিন নম্বর জন ডান’
শিশু কোলে ছবি দিয়ে পরীমণি বললেন ‘তিন নম্বর জন ডান’
হেলিকপ্টার থেকে নামা ব্যক্তিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির, পরে যা বললেন
হেলিকপ্টার থেকে নামা ব্যক্তিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির, পরে যা বললেন
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
আমিরাতে ভিসা বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
আমিরাতে ভিসা বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ