বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে পুলিশ। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোস্তাফিজুর রহমান। প্রতিবেদনে তিনি তাহসিফের নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। মাথার চুল কালো, মুখে ছোট ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল। চোখ ও মুখ বন্ধ ছিল। নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা গেছে। তার দুই হাত মাথার সামনে বাঁকানো ও মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় ছিল। পেট ফোলা ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুক, পেট, পিঠ, দুই পা ও যৌনাঙ্গ স্বাভাবিক ছিল। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের সময় তার পরনে কালো রঙের ফুলহাতা কাবলি শার্ট ও সাদা রঙের ট্রাউজার ছিল।
নৌপুলিশের তাৎক্ষণিক প্রতিবেদনেও বলা হয়, মৃত ব্যক্তির হাতে একটি ঘড়ি ও পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাটের পাশ থেকে ভাসমান অবস্থায় তাহসিফ সুরির মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।
ঢাকা জেলা নৌপুলিশের এসপি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাজধানীর উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে বুধবার বিকালে বিমানবাহিনীর সাবেক ওই কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি জানান, মরদেহের শরীরে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৮ বছর বয়সি তাহসিফ উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে থাকতেন। তার বাড়ি খুলনার সোনাডাঙ্গায়।
সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির লাশের সঙ্গে যা পাওয়া গেলো