রোদে বের হওয়ার পর ত্বকে কালচে ভাব কিংবা অসমান রং দেখা দেওয়া খুব স্বাভাবিক। বিশেষ করে নিয়মিত বাইরে যাতায়াত করলে মুখের উজ্জ্বলতা অনেকটাই ম্লান হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় ঘরোয়া পরিচর্যার অংশ হিসেবে অনেকেই টক দই ব্যবহার করেন। তবে ত্বকের যত্নে গ্রিক ইয়োগার্টও হতে পারে একটি বিকল্প।
ইয়োগার্টে থাকা ল্যাক্টিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ আলগা করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকের উপরিভাগ পরিষ্কার হয়ে মুখ তুলনামূলক মসৃণ দেখাতে পারে। যাদের ত্বক খুব সংবেদনশীল, তাদের জন্য দানাদার স্ক্রাবের বদলে এ ধরনের মৃদু উপাদান ব্যবহার করা সুবিধাজনক হতে পারে।
শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রেও ইয়োগার্ট ব্যবহার করা যায়। এর ঘন গঠন এবং প্রোটিন ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। শীতের সময় মুখ অতিরিক্ত খসখসে হয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজিং রুটিনের পাশাপাশি ইয়োগার্ট দিয়ে তৈরি পরিচর্যা ত্বককে সাময়িকভাবে নরম অনুভূতি দিতে পারে।
রোদে পোড়া ত্বকের প্রসঙ্গে ইয়োগার্টে থাকা জিঙ্কের কথাও উল্লেখ করা হয়। জিঙ্ক ত্বকের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ। তবে শুধু মুখে ইয়োগার্ট মাখলেই সানস্ক্রিনের বিকল্প পাওয়া যাবে এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি থেকে বাঁচতে বাইরে বের হওয়ার সময় যথাযথ সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই জরুরি।
ইয়োগার্ট মুখে ব্যবহার করতে চাইলে আগে ত্বক পরিষ্কার করে অল্প পরিমাণ লাগানো যেতে পারে। কয়েক মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো।
তবে সব ত্বকে একই উপাদান একইভাবে কাজ করে না। নতুন কোনও কিছু মুখে লাগানোর আগে কানের পেছনে বা হাতের ছোট অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া নিরাপদ। জ্বালা, চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দিলে মুখে ব্যবহার না করাই ভালো।









