শোবার ঘর গোছানো থাকলে মনও অনেকটা স্বস্তিতে থাকে। প্রতিদিন বিছানা গুছিয়ে রাখার পাশাপাশি সপ্তাহে একটি দিন একটু বেশি সময় দিয়ে ঘরের আনাচকানাচ পরিষ্কার করলে ধুলো-ময়লা জমতে পারে না। এতে ঘর যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনই বদলে যাবে ঘরের পরিবেশও।
সপ্তাহে একদিন বিছানার চাদর, বালিশের খোল ও প্রয়োজনীয় কাপড় ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত। গদিতেও জমতে পারে ধুলো, তাই সেটি ঝেড়ে পরিষ্কার করুন। যাদের ধুলায় অ্যালার্জি বা শ্বাসকষ্টের প্রবণতা রয়েছে, তারা সম্ভব হলে যন্ত্রের সাহায্যে গদির ধুলো পরিষ্কার করতে পারেন।
শোবার ঘরে সাজসজ্জার টেবিল থাকলে তার ওপরের সব প্রসাধনী ও প্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ভালোভাবে মুছে নিন। প্রসাধনী ব্যবহারের সরঞ্জাম, যেমন তুলি ও স্পঞ্জও নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার। বিছানার পাশের টেবিল, বাতি ও সেখানে রাখা ছোটখাটো জিনিসও কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।
মেঝে পরিষ্কার করার সময় শুধু খোলা জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকবেন না। খাটের নিচে, আসবাবের পেছনে এবং ঘরের কোণেও ধুলো জমে। সপ্তাহে অন্তত এক দিন আসবাব কিছুটা সরিয়ে এসব জায়গা ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। দেয়ালের কোণে জমে থাকা মাকড়সার জালও সরিয়ে ফেলুন।
শোবার ঘরে রাখা পানির গ্লাস, বোতল কিংবা অন্যান্য ব্যবহার্য সামগ্রীও পরিষ্কার করে শুকিয়ে যথাস্থানে রাখুন। এতে ঘর শুধু দেখতে পরিপাটি হবে না, পরিচ্ছন্নতাও বজায় থাকবে।
সবশেষে ঘরের সাজে সামান্য পরিবর্তন আনতে পারেন। কোনও একটি সাজসজ্জার সামগ্রী অন্য জায়গায় রাখা, পুরোনো কোনও জিনিস সরিয়ে রাখা কিংবা নতুন কিছু যোগ করলেই ঘরের চেহারায় পরিবর্তন আসতে পারে। প্রতিদিন অল্প সময় এবং সপ্তাহে এক দিন একটু বেশি যত্ন এই অভ্যাসেই শোবার ঘর রাখা সম্ভব ঝকঝকে ও আরামদায়ক।