শিশু একা থাকছে সারাদিন?

Send
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৬:১৫, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৩৫, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০

ঘরভর্তি দামি খেলনা, বইয়ের স্তূপ থাকা সত্ত্বেও সন্তান হয়ে উঠতে পারে অবাধ্য, জেদি। খেলার উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে সে। এর অন্যতম কারণ সমবয়স্ক, সমমনস্ক সঙ্গীর অভাব। 


যৌথ পরিবারের প্রচলন কমে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবারে চাকরিজীবী বাবা-মার সংখ্যাও বেড়েছে। ফলে সন্তানকে দিনের একটি বড় অংশ কাটাতে হয় বাবা-মাকে ছাড়া। এই একাকীত্বকে সঠিকভাবে সামলাতে না পারলে একঘেয়েমি বা বিষণ্ণতার শিকার হতে পারে পরিবারের ক্ষুদে সদস্যটি। 
করণীয়

  • দিনের যে সময়টুকু বাসায় থাকবেন, সেটি পুরোপুরিভাবে দিন সন্তানকে। বই পড়ে শোনাতে পারেন অথবা গল্প করতে পারেন। সারাদিন কী কী হলো সেটি জানতে চাইতে পারেন। মোট কথা, তার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন।
  • সন্তানকে প্রয়োজনের বেশি খেলনা, রঙ বা উপহার দেবেন না। কম জিনিসের মধ্যেই আনন্দ খুঁজে নিতে দিন
  • সময় নেই এই অজুহাতে সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেবেন না। কিছু সময়ের জন্য দিতে হলেও সময় নির্ধারণ করে দিন।
  • বই পড়ার অভ্যাস করা ভীষণ জরুরি। এজন্য বইমেলায় বা বইয়ের দোকানে নিয়ে যেতে পারেন। সে নিজেই পছন্দ করে কিনতে পারবে বই। এতে বই পড়ার আগ্রহ বাড়বে।
  • গাছ লাগানো, তার মাটি তৈরি করা ইত্যাদি শেখাতে পারেন। বার্ডহাউস রাখতে পারেন বাড়ির বাগানে। সেখানে পাখিদের আনাগোনা দেখেও ওর অনেকটা সময় কেটে যাবে।
  • অনেক সময় অফিস থেকে ফিরেও কাজ পিছু ছাড়ে না। ফলে কিছু কাজ চলে মোবাইল বা ল্যাপটপে। সেই সময়ে যদি আপনার সন্তান এসে আপনার সঙ্গে খেলতে বা কথা বলতে চায়, তাকে ফেরাবেন না। বরং মিনিট দশেক হলেও ওর সঙ্গে একটু খেলুন। ওর সঙ্গে গল্প করুন। সেটুকুই ওর মনের খোরাক।
  • সন্তানকে দেখাশোনার জন্য যিনি থাকছেন, তার ওপর অনেকখানি দায়িত্বই বর্তাবে। সন্তানের সঙ্গে কীভাবে কথা বলবেন তিনি, ওর সঙ্গে কী ধরনের খেলা খেলবেন, সে বিষয়ে তাকেও বোঝাতে হবে।
  • একঘেয়েমি কাটাতে ওর রোজকার খাবারেও বদল আনতে পারেন। সপ্তাহের মাঝে একদিন দুপুরে ওর মনের মতো খাবার রান্না করে রাখতে পারেন। হতে পারে সেটা চাউমিন বা বিরিয়ানি।
  • বাড়িতে পোষ্য রাখতে পারেন। পোষ্য কিন্তু খুব ভালো বন্ধু হয়। আর সন্তান একটু বড় হলে তার দেখভালের দায়িত্বও দিতে পারেন তাকে। তাহলে সেখানেও ওর খানিকটা সময় কেটে যাবে।
/এনএ/

লাইভ

টপ