সিঙ্গাপুর সায়েরি | পর্ব-০৩

Send
মুহম্মদ মুহসিন
প্রকাশিত : ০৭:০০, জুলাই ১৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০০, জুলাই ১৭, ২০২০

পূর্ব প্রকাশের পর

আমরা এই টার্মিনালে নেমে বাপছেলেমেয়ে চারজন ইমিগ্রেশনের এ্যারোমার্ক দেখে দেখে আগাচ্ছি। সাথে বাংলাদেশের সেই সুদর্শন সৌখিন ট্রাভেলারও আছেন। এসকালেটর বেয়ে কখনো উঠছি, কখনো নামছি। এমন করে করে কিছুক্ষণ হেঁটে এসে হাজির হলাম একটি শাটল স্কাইট্রেনের প্লাটফর্মে। আমি আর সেই ট্রাভেলার উঠলাম ট্রেনে। ওঠার সাথে সাথে গেট বন্ধ হয়ে গেল। আমার ছেলেমেয়েরা উঠতে পারলো না। ট্রেনে কোনো ড্রাইভার নেই। কোন কানা ফেরেস্তায় সেটি চালায় আমি জানি না। সেই কানা ফেরেস্তায় ট্রেন দিলো ছেড়ে। আমার একটু টেনশনই লাগলো। সাথের ট্রাভেলার বললেন, ‘টেনশন নিয়েন না, ওরা পরের ট্রেনে ঠিকই এসে পড়বে’। তাই হলো। কয়েক মিনিটের মধ্যে পরের ট্রেনে ওরা ঠিকই এসে পৌঁছলো। তারপর আবার এসকালেটর বেয়ে নামতেই পেলাম ইমিগ্রেশন ডেস্কের সন্ধান। বছরে ৬ কোটি ৮০ লাখ যাত্রী যে বিমানবন্দর থেকে চলাচল করে সেই বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ডেস্কে এসে কোনো ভিড়ই খুঁজে পেলাম না। মনে হলো আমাদের এই কয় বাপছেলেমেয়ের জন্যই ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা সকাল থেকে বসে আছে। আর বাংলাদেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেখানে বছরে সর্বোচ্চ ৯০ লাখ যাত্রী চলাচল করে (চাঙ্গি এয়ারপোর্টের তুলনায় ৮ ভাগের ১ ভাগ) সেখানে ইমিগ্রেশনে কখনো অন্তত ২৫-৩০ জন সামনে নেই এমন লাইনে দাঁড়াতে পারিনি। ইহাকে বলে ব্যবস্থাপনা। যাইহোক, তিন-চার মিনিটের মধ্যে ইমিগ্রেশন শেষ। ইমিগ্রেশন শেষে আমাদের সেই সৌখিন সহযাত্রীকে আর খুঁজে পেলাম না। মনে হলো তিনি এতই সৌখিন যে সাথে মাল রাখার ঝামেলা যেমন তার সয় না, তেমনি সহযাত্রীকে ‘বাই’ বলে যাওয়ার বাই-ঝামেলাও তার সয় না। ইমিগ্রেশন শেষে লাগেজ ক্লেইেমের বেল্টে গিয়ে দেখলাম মাত্র আর কয়েকটি ব্যাগের সাথে আমাদের ব্যাগকয়টি ঘুরছে। আরগুলো কে কখন নিয়ে গেলো টেরই পেলাম না। প্রতি বিষয়ে তুলনা করছিলাম নিজ দেশের সাথে আর মন খারাপ হচ্ছিলো।

সব মন খারাপ ভালো হয়ে গেলো যখন ডিপারচার গেট থেকে বের হয়েই দেখলাম আমাদের দিকে এগিয়ে আসছেন বন্ধুপত্নী লীনা ভাবী। কথা এমনটাই ছিল। বন্ধুর অফিসে অনেক ব্যস্ততা। বাচ্চাদেরকে স্কুলে নামিয়ে ভাবীই আসবেন আমাদেরকে নিতে। আমার বাচ্চাদেরকে পেয়ে তাঁর অনেক আনন্দ। পার্কিং লটের এক্সিট গেটে তিনি আমাদেরকে গাড়িতে তুললেন। দুঃখ হলো কাকির গাড়িতে উঠে আমার ছেলেমেয়েদের আর মনে হতে লাগলো না যে তারা বিদেশে এসেছে, বরং মনে হলো তারা দেশে কোনো আপনজনের কাছে এসেছে—এমন গল্পই তারা শুরু করে দিলো। আর এই গল্পে গল্পেই হয়তো লীনা ভাবী মিস করে ফেললেন তার গাড়ির গুগল বা জিপিএস নির্দেশনা। ফলে রোড মিস করে তিনি ঢুকে পড়লেন চাঙ্গি জুয়েলের বেজমেন্টে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন আর পথ হারাচ্ছেন। জিপিএসও আর তখন নির্দেশনা দিচ্ছিলো না কারণ, ততক্ষণে তিনি পৌঁছে গেছেন জুয়েল চাঙ্গির বেজমেন্টের পাঁচতলা মাটির নিচে। অতখানি মাটির তলে জিপিএস-এরও আর দিশা ছিল না। যাইহোক, মাটির নিচের শেষ তলার পরে আর তলা ছিল না বলেই হয়তো আবার উল্টো পথে করে ভাবী ঠিকই একসময় বের হয়ে আসতে পারলেন। পথ হারানোর ব্যাপারটা ছেলেমেয়েরা সবাইই কিছুটা টের পেয়েছিল বলেই হয়তো বাকি পথটায় গল্পটা আর জমপেশ হয়ে উঠলো না। আমরা ভাবীর গাড়িতে চাঙ্গি থেকে যাচ্ছি তাঁদের দ্বিতীয় বাসা তামান জুরঙে। প্রায় দেশের পূর্ব মাথা থেকে পশ্চিম মাথায়। ভাবীর ধীরগতির চালনায়ও এক ঘণ্টার বেশি সময় অবশ্য লাগলো না।

বাসায় ঢুকে ব্যাগপত্র রেখে ফ্রেশ হয়ে আসতেই দেখলাম পুরো কাফেলার মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল জন হলো আমার ছেলে মিসবাহ মুরসালিন তামিম। সে যে ধপাস করে শুয়ে পড়েছে তাকে আর তোলাই যাচ্ছে না। আসার সাথে সাথে একপ্রস্থ শরবত, পিঠা, স্ন্যাকস আর বাদামের আপ্যায়ন সব বাসি হয়ে গেল, ছেলেকে তোলা গেল না। ভাবীদের এ বাসায় তার ছোট ভাই আবদুল্লাহ আল মামুন খান বায়জিদ আর বায়জিদের বউ তৌফিকা সিদ্দিকা থাকে। বায়জিদ সিঙ্গাপুরে গুগল-এর ফ্যাসিলিটিজ মেইনটেনান্স বিভাগে চাকুরি করে। বায়জিদ ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গ্রাজুয়েশন করেছে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে। আর ওর বউ তৌফিকা সিদ্দিকা ফাইন্যান্সে এমবিএ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ওদের বিয়ের বয়স স্বল্প। এখনো ওদের কোনো ছেলেপুলে নেই। তৌফিকা অনেক সদালাপী ও কেয়ারিং মেয়ে। আমার বাচ্চাদের জন্য কী খেতে দেবে, কী করবে, এ নিয়ে একেবারে অস্থির। তার মধ্যে ছেলে উঠে খাচ্ছে না দেখে সে ভাবীর চেয়েও চিন্তিত—ছেলেটির কোনো অসুখ করলো না তো? শেষ পর্যন্ত ছেলে উঠে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চে বসলো। এত আইটেমের লাঞ্চ, মনে হচ্ছিলো যেন কোনো বাঙালি পার্টি। কথা ছিল লাঞ্চ শেষে ঐদিনই আমরা কোনো সাইটসিইং-এ যাবো, কারণ আমাদের হাতে সময় মাত্র সাড়ে পাঁচ দিন। এর মধ্যে পুরো সিঙ্গাপুর আমাদের কাভার করতে হবে। আমাদের সময়ের এত সংকীর্ণতার কারণ আমার বড় মেয়ে নাফিসা নাওয়াল মিম্মি। সে আমাকে দিয়ে এমনভাবে টিকিট করিয়েছে যাতে ইউনিভার্সিটিতে তার দুটির বেশি ক্লাস মিস না যায়। ফলে আমরা সিঙ্গাপুরে সময় পাচ্ছি মাত্র সাড়ে পাঁচ দিন। এর মধ্যে যাতে দর্শনীয় সব স্পট আমার ছেলেমেয়েরা দেখতে পারে এজন্য আমার বন্ধু ইউনুস হাওলাদার খুব টাইট প্রোগ্রাম করে রেখেছে। সেই প্রোগ্রাম অনুযায়ী আজ বিকালেই রয়েছে সাইন্স সেন্টারে যাওয়ার শিডিউল। কিন্তু আমার ছেলে কোনোমতে লাঞ্চটা সেরে আবার সটান বিছানায়। ফলে সাইন্স সেন্টার আর আজ আমাদের যাওয়ার সুযোগ হলো না। বরং ছেলের অনুসরণে সবাই বিছানায়ই লম্বা হলাম।

ঘণ্টা দুই ঘুমিয়ে যখন উঠলাম তখন পাঁচটার বেশি বাজে। তখন যাওয়ার আছে পাশের জুরঙ লেক গার্ডেন। ইতোমধ্যে ভাবী তাঁর বাচ্চাদের স্কুল থেকে নিয়ে তাঁর অন্য বাসায় চলে গেছেন, আর ছোটভাই বায়জিদ এসে বাসায় পৌঁছেছে। আমাদের এ বাসার ঠিকানা হলো সিঙ্গাপুর ৬১০১৭৭। এটি তামান জুরঙ মার্কেট ও ফুড সেন্টারের দক্ষিণ পাশে ইয়ুং শেং রোডে অবস্থিত। সিঙ্গাপুরের যে কোনো স্থান থেকে ট্যাক্সি বা গ্র্যাবের ক্যাব বুক করে শুধু ৬১০১৭৭ লিখে দিলেই একেবারে বাসার নিচে এনে হাজির করবে। কোনো স্থান-নাম লিখতে হবে না। সিঙ্গাপুরের এরা আর কম্পিউটারের ভিতরের জিনিসকেই সংখ্যায় আটকিয়ে বসে নেই। কম্পিউটারের বাইরের জগতের সবকিছুকেও একে একে সংখ্যায় পরিণত করে চলছে এরা। এদের দিকে তাকিয়েই হাজার হাজার বছর আগে পিথাগোরাস বলে যেতে পেরেছিলেন বাস্তবতার আদি উপাদান হলো সংখ্যা। সেই পিথাগোরাসের আশীর্বাদেই আজ আমরা সকল বাস্তবতাকে সংখ্যায় রূপান্তর করে পুরো যুগ ও জীবনকে ডিজিটালাইজ করে ফেলতে পেরেছি। সিঙ্গাপুর সে পথে আমাদের চেয়ে একটু এগিয়ে থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। ৬১০১৭৭-এর এই ঠিকানা থেকে জুরঙ গার্ডেন একদম কাছেই। তিন মিনিটের হাঁটার পথ। আমি ২০০৮ সালে এই বাসায়ই থেকেছিলাম এবং তখন একা একা অনেক হাঁটতে গিয়েছি। তারপরও বাচ্চাদের সাথে নিয়ে যাচ্ছি দেখে বায়জিদও গার্ডেন পর্যন্ত এগিয়ে দিতে আমাদের সাথে গেল।

জুরঙ গার্ডেনটা মূলত জুরঙ লেকের চতুর্দিকে বানানো একটি গার্ডেন। লেকটাকে বানানো হয়েছে সুংগেই খালে বাঁধ দিয়ে। সুংগেই খালে বাঁধ দিয়ে ৭০ হেক্টর পরিমাণের এই লেক বানানো হয়েছে সিঙ্গাপুরের ওয়াটার সাপ্লাইয়ের জন্য। ওয়াটার সাপ্লাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় বলেই লেকে সাঁতার ও গোসল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। লেকের চারপাশ ঘিরে বর্তমান বাগানটি ২০০৬ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হয়। তবে এর আগেও লেকের পাশ দিয়ে ২.৮ কিলোমিটারের একটি হাঁটার রাস্তা ছিল। গার্ডেনের ভেতর সকাল বিকাল দৌড়ানোর রাস্তাটি ৩.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। ২০০৬ সালে নির্মিত বর্তমান লেক গার্ডেনের আগেও এখানে ট্যুরিস্টদের পছন্দের জায়গা চাইনিজ গার্ডেন ও জাপান গার্ডেন ছিল। জাপান গার্ডেন তৈরি হয়েছিল ১৯৭৪ সালে আর চাইনিজ গার্ডেন ১৯৭৫ সালে। আমরা গার্ডেনে ঢুকে ডান দিকে কতদূর হাঁটলাম। ডানদিকে একটি জিম। সেখানে কাঠের পাটাতনের একটি খোলা মনোরম চত্বর। সেখানে গিয়ে বসতে বসতে মাগরিবের আজান হয়ে গেল। দেখলাম খোলা চত্বরের এক কিনারে এক মালে মহিলা দাঁড়িয়ে মাগরিবের নামাজ পড়ছেন। আমিও সাহস পেলাম। আরেক কর্নারে গিয়ে আমিও নামাজে দাঁড়িয়ে গেলাম। নামাজ পড়ে আমরা হাঁটতে শুরু করলাম বাচ্চাদের জন্য তৈরি ফরেস্ট র‌্যাম্বল এলাকায়। এই এলাকার খেলনাগুলো বেশিরভাগই ১০ বছরের ছোট বাচ্চাদের জন্য। আমারগুলো সব দশের উপরে। এছাড়াও তখন রাত হয়ে গেছে। তাই আবার বের হওয়ার পথ ধরলাম। বিভিন্ন ম্যাপ ও সাইন থেকে জানলাম সম্পূর্ণ ফ্রি এই পার্কে রয়েছে অনেকগুলো এ্যাট্রাকশন, যেমন: বাচ্চাদের জন্য ক্লুসিয়া কোভ, লেকে প্লাস্টিক বোটে প্যাশন ওয়েভ, সুইমিং পুলসহ এ্যাকটিভ পার্ক, হাঁটার জন্য গ্রাসল্যান্ড, গোলাপি রঙের রাসাউ ওয়াক, বিকালের ডগ রান, সাইক্লিং ট্রেইল, বন্য সৌন্দর্যের নেরাম স্ট্রিমস, আলস্তোনিয়া আইল্যান্ড এবং এমনকি প্রকৃতির মাঝে ডাইনিং-এর সুযোগ দিতে রেস্টুরেন্ট ফিউশন স্পুন। এগুলোয় আর কোনোটায় আমাদের যাওয়া হলো না, কারণ তখন রাত। আর সাড়ে পাঁচ দিনের ট্যুরে দ্বিতীয়বারও আর প্রবেশের সুযোগ হলো না।

বার্ড পার্কের গেটে লেখকের ছোট মেয়ে

ফেরার পথে তামান জুরঙ মার্কেটে ঢুকলাম একটি ফোনের সিম কেনা যায় কিনা দেখতে। মোবাইল ফোনের দোকান কয়েকটা দেখলেও সিম বিক্রির দোকান পেলাম না। মোবাইল ফোনের এক দোকানে দেখলাম সিম বিক্রি হয় কিন্তু তার সব প্যাকেজ সর্বনিম্ন এক মাসের এবং অনেক দাম। কেনা আর হলো না। বাসায় ঢোকার আগেই আবার বায়জিদের সাথে দেখা। সে বললো কাছেই তার এক চাইনিজ আন্টির দোকান আছে সেখানে সিম পাওয়া যাবে। ছেলেমেয়েরা বাসায় চলে গেল আর আমি বায়জিদের সাথে গেলাম সেই আন্টির দোকানে। গলির মোড়ের মুদি দোকানের কায়দার দোকান। সেখানেই কম দামি প্যাকেজের অনেক সিম। বায়জিদের সাথে সেই আন্টির ইংরেজি শুনে বেশ অবাক লাগলো। প্রায় এক পিজিন ইংলিশ। বায়জিদ এবং পরে আমার বন্ধু ইউনুস উভয় জানালো এরকম একটি ইংরেজি এখানে ওয়ার্কিং ক্লাসে তৈরি হয়েছে, যা এমনকি এখানকার নাটকে-উপন্যাসে চরিত্রদের ব্যবহারেও স্বীকৃতি পেয়েছে। আন্টির দোকানে দাঁড়ানো অবস্থায়ই হঠাৎ পিছন থেকে কেউ একজন আমার চোখ চেপে ধরলো। খুব সহজেই বুঝলাম সিঙ্গাপুরে আমার সাথে এই দুষ্টুমি করার জন্য বন্ধু ইউনুস হাওলাদার ছাড়া দ্বিতীয় কেউ নেই। অনেকদিন পর দেখা। এক দীর্ঘ আলিঙ্গনের পরে শুরু হলো কথা। হেঁটে হেঁটে আসলাম বাসার নিচ পর্যন্ত। সেখানে লীনা ভাবীও আছেন গাড়িতে। গাড়ি থেকে বের হলো বাজার। ইউনুস করে নিয়ে এসেছে। বাজারের বহর দেখে মনে হলো আমরা মেহমান হিসেবে মাসখানেক অন্তত থাকবো। বাসায় সন্ধ্যার চায়ের পেল্লাই আয়োজন নিয়ে তৌফিকা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। চা খেতে খেতে ইউনুস জানালো তার অফিসের মারাত্মক ব্যস্ততা চলছে। নরওয়ের ইকুইনর কোম্পানির দুই বিলিয়ন ডলারের একটি জাহাজ নির্মাণের প্রজেক্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়নি। তাই এখন সাপ্তাহিক ছুটির দিনের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। কথা ছিল সে আমাদের সাথে ইন্দোনেশিয়ার বাতাম ঘুরতে যাবে। বোঝা গেল সে কথা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। চলবে

আরও পড়ুন : সিঙ্গাপুর সায়েরি | পর্ব-০২

//জেডএস//

লাইভ

টপ