নীরবতা
যন্ত্রের তার নিংড়ে শিল্পী বার করেন ঝংকার,
আমাদের মনে হয় আমাদেরই ব্যথা ওখানে বাজছে।
অবাক আমরা ভাবি,
আমাদের না জেনেও তিনি কেমন করে জেনে গেলেন
আমাদের নিভৃত অনুভবকে।
ধ্বনি রূপ দেয় ব্যথাকে,
সেই ব্যথা নিবিড়,
কিন্তু তার চেয়েও নিবিড়
নীরব তারের ব্যথা—
যাকে শিল্পীর আঙুল একদিন বাজাতো
কিন্তু এখন আর বাজায় না।
ধুলো জমে। কেবল সেই ধুলোই
তার ব্যথার সাক্ষী।
প্রজনন
মানে না সে জন্ম নিয়ন্ত্রণ।
তারই অপত্য সব
ঝাঁকে ঝাঁকে জন্মায় আর ওড়ে,
বাতাসে তাদেরই ভন্ ভন্।
কেউ দীপ্ত, কেউ ম্লান,
কারও তৃষ্ণা, কারও অভিমান।
কারও ঠোঁট কেঁপে ওঠে,
রাত্রি জুড়ে কারও বা রোদন।
পড়ুক সে দেয়াললিখন।
অনুপস্থিত জনকের
দিন গেছে—শোনেনি কি বন্দোবস্ত,
নয়া উচ্চারণ?
সামলাক এদের এবার।
আমার কি নেই
হাটে-মাঠে অন্য কাজ,
ঘাটে-বাটে-পাবে নিমন্ত্রণ?
পুনর্মুদ্রণ








