X
বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২
২ ভাদ্র ১৪২৯
পর্ব—পাঁচ

সাহিত্যতত্ত্ব : একটি সংক্ষিপ্ত পরিক্রমা

মুহম্মদ মুহসিন
০১ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৫৫আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৫৫

পূর্বপ্রকাশের পর

রোমান্টিসিজম

রোমান্টিসিজম শব্দটির উদ্ভব হয়েছে রোম (Rome) থেকে। ব্যাপারটা একটু গোলমেলে। একটি স্থান নাম থেকে কীভাবে শিল্প-সাহিত্য জগতের একটি দুনিয়াকাঁপানো তত্ত্বের নাম উদ্ভূত হলো? ব্যাপারটা একটু খোলাসা করা যাক। রোমে ব্যবহৃত ভাষার নাম ছিল ল্যাটিন। ল্যাটিন থেকে উদ্ভব হয়েছিল ইউরোপের অনেকগুলো ভাষার, যেমন : পর্তুগিজ, স্প্যানিশ, ফরাসি, ইতালিয়ান ইত্যাদি। এই সকল ভাষা আদতে রোমান ভাষা ল্যাটিন থেকে উদ্ভূত ছিল বলে এই সকল ভাষাকে এক নামে রোমান্স (Romance) ভাষা বলা হয়। একসময় এই ভাষাগুলোর সাহিত্যের অধিকাংশটা জুড়ে ছিল বীরপুরুষদের অবিশ্বাস্য অভিযাত্রার কাহিনি, অবাস্তবধর্মী জিনপরির গল্প এবং বীরপুরুষ ও সতীসাধ্বীদের প্রেমের গল্প। ঐ ভাষাগুলোর সাহিত্যে এই জাতীয় গল্পের এমন প্রাবল্য ছিল যে, একসময় রোম্যান্স দ্বারা ঐ ভাষাগুলোকে যেমন বেঝাতো, তেমনই রোমান্স দ্বারা ঐ ভাষাগুলোয় লিখিত এই জাতীয় গল্পকেও বুঝাত। আরো পরে, রোমান্স শব্দ দ্বারা ভাষাগুলোর চেয়ে বরং এই জাতীয় গল্পগুলোকেই বেশি করে বোঝানো শুরু হলো। সেই থেকে রোমান্স শব্দটি রোম নামক স্থানের অর্থবলয় থেকে সরে গিয়ে একটি সাহিত্যধারা বোঝানোর অর্থের দিকে চলে আসলো। রোমান্স মানে দাঁড়ালো একধরনের গল্প যাতে অবিশ্বাস্য এক বীরের গল্প থাকবে, সে গল্পে বীরের সাথে এক সতীসাধ্বীর প্রেমের বিষয় থাকতে পারে এবং সে গল্পে জিনপরি জগতের চরিত্ররাও থাকতে পারে।

সাহিত্যে এই রোমান্সের সময়কালটা মধ্যযুগীয়, অর্থাৎ রেনেসাঁস শুরুর আগের। ইংল্যান্ডের সাহিত্যে রোমান্সের আবির্ভাব হয়েছিল বলা যায় কিং আর্থার আর তাঁর দ্বাদশ নাইটকে ঘিরে। কিং আর্থার ছিলেন ৫ম শতকের আর তাঁকে নিয়ে ম্যালোরির রোমান্স লেখা হয়েছিল পঞ্চদশ শতকে। তবে ইংরেজি ভাষায় রোমান্স অনেক পরে আসলেও ফরাসি, ইতালি ইত্যাদি ভাষায় এসেছিল দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতকে। ‘চ্যানসন্স দে জেসতে’, ‘ইপোমাদোন’, ‘কিং হর্ন’ ইত্যাদি রোমান্সের রচনাকাল দ্বাদশ থেকে চতুর্দশ শতক। নিওক্লাসিকাল যুগে গ্রিক ও রোমান সাহিত্যের নিয়মকানুন এবং যুক্তিবুদ্ধির চর্চা সাহিত্যের আবশ্যিক বিষয় হয়ে উঠলে এসব মধ্যযুগীয় রোমান্স সাহিত্যের প্রতি মানুষের একধরনের তাচ্ছিল্য ও বিবমিষা সৃষ্টি হয়। ‘রোমান্স’ শব্দটির বিশেষণ রূপ ‘রোমান্টিক’ শব্দটি ইংরেজিতে আমরা প্রথম শুনতে পাই এই নিওক্লাসিকাল যুগেই। শব্দটি সেখানে যথেষ্ট নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারির মতে শব্দটি লিখিতভাবে ব্যবহারের প্রথম রেকর্ড পাওয়া যায় ১৬৫০ সালে। সেই ব্যবহার থেকে অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি উদ্ধৃত করছে : ‘Being a history which is partly true, partly romantick, morally divine’। শব্দটি এখানে ‘সত্য’ শব্দের বিপরীতার্থবোধক ‘শব্দ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ, রোমান্টিক মানে হলো মিথ্যা, কল্পিত, আজগুবি কিছু। ১৭৪০ সালের এক ব্যবহার থেকে অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি শব্দটির আরেকটি ব্যবহার উদ্ধৃত করেছে : ‘This Account, as Whimsical and Romantic as it is, was told to the Lady Cowper. . .by Dr Patrick’। এখানে শব্দটি খামখেয়ালি শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, অর্থাৎ রোমান্টিক মানে হলো যুক্তি বিবর্জিত।

রোমান্টিক অর্থ মিথ্যা, আজগুবি বা যুক্তিবিবর্জিত কেন? কারণ কি এই যে, ‘রোমান্টিক’-এর বিশেষ্য রূপ ‘রোমান্স’ বলতে যে গল্পগুলো একসময় বোঝাতো সেগুলোতে শুধু আজগুবি, কল্পিত, যুক্তিবিবর্জিত, মিথ্যা কাহিনি থাকত? সেটি আদি কারণ তা অনুমান করাই যায়। তবে সেই গল্প তো একসময় মানুষকে সাহিত্যের আনন্দ দিয়েছে। মানুষ তো আজগুবি আর কল্পনাশ্রিত বলে সে গল্প ছুড়ে ফেলে দিয়ে সেগুলোকে মিথ্যার দায়ে বা যুক্তিহীনতার দায়ে অভিযুক্ত করেনি। তাহলে নিওক্লাসিকাল যুগে কেন শব্দটির সাহিত্যগত মর্যাদা ধূলিসাৎ করে এমন নেতিবাচক অর্থে শব্দটি ব্যবহার করা হলো? করা হলো এ কারণে যে, নিওক্লাসিকাল শিক্ষিত জগৎ ক্লাসিকাল যুগের যুক্তিবুদ্ধি চর্চাকে সাহিত্য ও সমাজ দুয়ের জন্যই আবশ্যিক করে তুলেছিল এবং যা কিছু যুক্তিবুদ্ধির ব্যত্যয় এবং কল্পনার আশ্রয়ে লালিত তাকেই মূর্খসুলভ ও পরিত্যাজ্য জ্ঞান করতে শুরু করেছিল।

কল্পনার এই অবদমনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেই রোমান্টিকতা বা রোমান্টিসিজমের আবির্ভাব। কল্পনাশক্তির পক্ষে দাঁড়িয়ে ক্লাসিসিজম বা নিওক্লাসিসিজমের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহের ঘোষণা সাহিত্যের তাত্ত্বিক জগতের বিশাল এক ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিলো। ক্লাসিসিজমের পক্ষে থাকুক বা বিপক্ষে থাকুক, প্লেটো-এরিস্টটলের মাইমেটিক থিয়রিকে এযাবৎ কেউ কোনো দিন চ্যালেঞ্জ করার সাহস করেনি। সবাই অবনত মস্তকে একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছে যে, সাহিত্য হলো জীবন ও জগতের অনুকরণ (imitation)। কিন্তু এতদিনের ক্লাসিকাল ও নিওক্লাসিকাল ধ্যানধারণাকে আমূল পাল্টে দিয়ে কল্পনার সৃজনী শক্তিকে অবলম্বন করে রোমান্টিকরাই প্রথম দুনিয়াকে জানাতে চাইলো যে, সাহিত্যের কাজ অনুকরণ (imitation) নয়, সাহিত্যের কাজ হলো সৃজন (creation)। শিল্পসাহিত্য বিষয়ে মাইমেটিক থিয়রিকে দুনিয়ায় এভাবেই প্রথম রোমান্টিকরা চ্যালেঞ্জ জানালো।

রোমান্টিকদের এই চ্যালেঞ্জের মূল শক্তি হলো কল্পনা। কল্পনা নিয়ে রোমান্টিসিজমের তাত্ত্বিকরা অনেক কথাই বলেছেন। তার মধ্যে খুব উদ্ধৃত করা হয় কোলরিজকে। তিনি বায়োগ্রাফিয়া লিটারারিয়া গ্রন্থে এ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। তাঁর মতে আমরা যাকে কল্পনা বলি তার পুরোটাই কল্পনা বা ইমাজিনেশন নয়। তিনি কল্পনার উদ্ভব ও কর্মপ্রক্রিয়ার পরিক্রমাটিকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করে দেখিয়েছেন এবং স্তরভেদে এদের ভিন্ন নামকরণ করেছেন। একই সাথে ভিন্ন ভিন্ন স্তরে এর কাজের ভিন্নতাও দেখিয়েছেন। তাঁর মতে কল্পনার উদ্ভব প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপে রয়েছে স্মৃতি। স্মৃতি যা দেখে তাকে সময় পরম্পরায় সাজিয়ে রাখে। এরপরে মনের একপ্রকার কর্মপ্রক্রিয়ায় স্মৃতির বস্তুগুলো তাদেরকে সাজিয়ে রাখা সময়ের ও স্থানের তাক থেকে বের হয়ে এসে বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে মিলে মিশে একরকম নতুন নকশা তৈরি করে। মনের এই কর্মপ্রক্রিয়াও কল্পনা নয়, কোলরিজ এই স্তরের নাম দিয়েছেন ফ্যান্সি (The Fancy is indeed no other than a mode of Memory emancipated from the oder of time and space, while it is blended with and modified by . . . empirical phenomenon)। ফ্যান্সিকে কল্পনা হিসেবে নিয়ে অনেক কবিই ভুল করেছেন মর্মে কোলরিজ বলছেন। তিনি বলছেন ইংরেজ কবি কাউলি কল্পনার স্থলে ফ্যান্সি ব্যবহার করছেন, পক্ষান্তরে মিলটন যেটি ব্যবহার করছেন সেটি হলো কল্পনা। কোলরিজের মতে স্মৃতির বস্তু স্থান ও সময়ের ফোকর থেকে বের হয়ে এসে বর্তমানের অভিজ্ঞতার বস্তু বা ঘটনার ওপর আপতিত হয়ে মনে যে ভাব তৈরি করে সেটি কল্পনা। তবে এটি কল্পনার প্রাথমিক রূপ বা প্রথম ধাপ। এই কল্পনা কোলরিজের মতে প্রতিটি জ্যান্ত মানুষের আছে (prime agent of all human perception)। কবির কল্পনা বলতে যা বোঝায় তা এটিও নয়। কোলরিজের মতে কবির কল্পনা হলো কল্পনার দ্বিতীয় স্তর, বিকশিত স্তর। এ স্তরে মন তার কর্মপ্রক্রিয়ায় মনে জমিয়ে রাখা অন্য সকল বস্তু ও অভিজ্ঞতার সাথে বর্তমান অভিজ্ঞতাকে জারিত করে, দ্রবীভূত করে, লীন করে দেয় এবং এসবের মাধ্যমে সৃষ্টি করে এক নতুনরূপ যা স্মৃতির বস্তুও নয়, কিংবা বর্তমান অভিজ্ঞতাও নয় (dissolves, diffuses, dissipates, in order to recreate)। রোমান্টিক তাত্ত্বিকদের মতে এটি হলো কল্পনা, তথা কবির কল্পনা।

এই কল্পনাকেই হয়তো মাইমেটিক থিয়রির মধ্যে থেকে লঞ্জাইনাস কিছুটা প্রশ্রয় দিয়েছিলেন। কিন্তু ইংরেজ রোমান্টিকরা কল্পনার জোরে মাইমেটিক থিয়রি থেকেই বের হয়ে আসলেন। তাঁরা কল্পনার জোরে অনুকরণের পরিবর্তে সৃজনের প্রয়াসে নামলেন। কিন্তু এই শক্তি দিয়ে তাঁরা কী সৃজন বা সৃষ্টি করবেন? স্বাভাবিকভাবেই যা তাঁদের নেই তাই তাঁরা সৃষ্টি করবেন। যে জগৎ তাঁরা কল্পনায় দেখেন কিন্তু বাস্তবে যাপিত জীবনে খুঁজে পান না সেই রকম একটি আদর্শিক জগতের নির্মাণের প্রয়াসে তাঁরা তাঁদের কল্পনা শক্তিকে ব্যবহার করবেন এটাই স্বাভাবিক। তাঁরা তাই করলেন।

ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কীটস, শেলী, কোলরিজ প্রমুখ দুনিয়ার শীর্ষ রোমান্টিক কবিরা সকলেই সেই সৃষ্টিকার্যে নামলেন। যাপিত জীবনের দুঃখ-জ্বরা, যন্ত্রণা-ক্লান্তি থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রত্যেকেই তাঁরা এক একটি আদর্শ জগৎ (ideal world) নির্মাণের প্রয়াসে নামলেন তাঁদের অপরিমিত কল্পনার শক্তি দিয়ে। ওয়ার্ডসওয়ার্থ সেই আদর্শিক জগৎ নির্মাণ করতে চাইলেন প্রকৃতির সুষমা দিয়ে। তাই কখনো সে জগৎ তৈরি হলো টিনটার্ন অ্যাবের কাছে ওয়াই নদীর তীর ঘিরে, কখনো ড্যাফোডিল ফুল ঘিরে আবার কখনো-বা মাইকেলের নিষ্কলুষ সাদামাটা গ্রামীণ জীবন ঘিরে। কীটসের সে জগৎ তৈরি হলো নাইটিঙ্গেলের গান ঘিরে বা শরতের ঐশ্বর্য ঘিরে। শেলীর সে জগৎ তৈরি হলো ওয়েস্ট উইন্ডের অপরিমেয় শক্তিকে ঘিরে। কোলরিজের ক্ষেত্রে হলো কুবলা খানের প্রমোদ-নিবাস ঘিরে। আমরা কথাগুলো বলছি এই কবিদের নির্দিষ্ট কিছু কবিতাকে অবলম্বন করে, কবিতাভেদে আমরা ভিন্ন বস্তুর কথাও বলতে পারতাম যাদেরকে ঘিরে তাঁদের আদর্শিক জগৎ নির্মিত হয়েছে।

রোমান্টিসিজিমের তত্ত্বের সাথে অঙ্গীভূত এই কল্পনা আর আদর্শিক জগতের ধারণার সাথে জড়িয়ে আছে রোমান্টিসিজমবিষয়ক আরো কিছু ধারণা ও অনুষঙ্গ। তার একটির নাম পলায়নপরতা (escapism)। রোমান্টিকরা বাস্তব জীবনের দুঃখ-যন্ত্রণার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অবিচল কর্মতৎপরতার সাথে বীরের মতো কেনো জীবন যাপন করতে পারেন না বলেই তাঁরা কল্পনায় নির্মিত আদর্শিক জগতে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করেন। কল্পনার জগতে পালিয়ে তাঁরা একটু সাময়িক নিষ্কৃতি (momentary salvation) বা শান্তি লাভের চেষ্টা করে থাকেন। এগুলো রোমান্টিসিজমের অঙ্গীভূত ধারণা তবে ধারণাগুলো নেতিবাচক। ‘পলায়নপরতা’ বা ‘সাময়িক নিষ্কৃতি’-এর কোনোটিই রোমান্টিসিজমের জন্য কোনো সম্মানজনক বৈশিষ্ট্য নয়।

এর আরো একটি সমালোচনার দিক হলো রোমান্টিকদের পুরো বিষয়টাই মারাত্মকভাবে ‘আমি’ময়। রোমান্টিকরা সর্বত্রই ‘আমার’ জগৎ আর ‘আমার’ শান্তি নিয়ে ভাবিত। সবটুকু বস্তুজগৎকে একজন রোমান্টিক কবি তাঁর সত্ত্বায় লীন করে তারপরে বুঝতে শেখেন এবং বোঝাতে চেষ্টা করেন। ‘আমি-তুমি’ময় রোমান্টিক কবিতাগুলোতে যে ‘তুমি’ রয়েছে তা-ও মূলত ‘আমি’ দ্বারা কল্পিত আর নিয়ন্ত্রিত এক ‘তুমি’। ‘আমি’র বাইরের পুরো বস্তুজগৎকেই রোমান্টিক কবি দেখেন এইভাবে। আর যখন তিনি শুধু ‘আমি’র রূপকে দেখেন তখন সব বস্তুজগৎ ও বস্তুসত্যকে অস্বীকার করে দেখেন শুধু আত্মার রূপ, শোনেন শুধু আত্মার ধ্বনি। তখন বস্তুজগৎই আর তাঁর চেতনায় থাকে না। যাপিত জীবনের বাস্তবতার বাইরের এক সুদূর আধ্যাত্মিকতার রাজ্য ছাড়া তাঁর নির্মাণ থেকে তখন আর কিছুই পাওয়া যায় না। বিশশতকের তাত্ত্বিকরা সাহিত্যের তথা লেখক ও কবির ‘আমি’ময়তা থেকে সরে দাঁড়াতে কী বললেন সেই আলোচনায় আমাদের পরের অধ্যায় ‘নিউ ক্রিটিসিজম’। চলবে

/জেডএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ইউক্রেন সফরে আসছেন এরদোয়ান ও গুতেরেস
ইউক্রেন সফরে আসছেন এরদোয়ান ও গুতেরেস
গ্রিস-তুরস্ক সীমান্তের নির্জন দ্বীপে ৩৮ অভিবাসী উদ্ধার
গ্রিস-তুরস্ক সীমান্তের নির্জন দ্বীপে ৩৮ অভিবাসী উদ্ধার
কেজিতে ৪০ টাকা কমলো কাঁচা মরিচের দাম 
কেজিতে ৪০ টাকা কমলো কাঁচা মরিচের দাম 
ভিয়েনায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
ভিয়েনায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
এ বিভাগের সর্বশেষ
প্রান্তরে জীবনের বীজ
শামসুর রাহমানপ্রান্তরে জীবনের বীজ
দুলে ওঠে ঘর না কারবালা
দুলে ওঠে ঘর না কারবালা
কফিনের পোস্টার
কফিনের পোস্টার
লেফট রাইট লেফট
লেফট রাইট লেফট
একটাই তর্জনী
একটাই তর্জনী