X
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ক্ষতচিহ্নিত হাড়মাংস অথবা নিছকই আত্মজনের কথা

গৌতম গুহ রায়
২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০০:০০আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০০:০০

ক্ষতচিহ্ন-খচিত করোটি ও কান্নাকথা

শহর জলপাইগুড়ির পশ্চিমপ্রান্তে ডাঙ্গাপাড়া, আটষট্টির বন্যার জলেও যে জমি ডোবেনি প্লাবনের জলে, তাই বন্যায় মাথা উঁচু করে থাকা এই এলাকার নাম ‘ডাঙ্গাপাড়া’। সেই ডাঙ্গাপাড়ার উপর দিয়ে যখন যেতে হয় তখন চোখে পড়ে একটা পাড়-বাঁধানো দিঘি ও সংলগ্ন অনেকটা জংলা জমি, একটা ভাঙাচোরা ইটের দালান ভাঙনের চিহ্ন নিয়ে পড়ে আছে। সেই দালানের ভিটার ইটগুলোও প্রতিদিন কমে আসছে। এই জল-জংলার ভিটায় বছর পঞ্চাশ আগেও একটা হাসপাতাল ছিল। সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে গঠিত এই দাতব্য হাসপাতাল ছিল সন্নিহিত এলাকার গরিব মানুষদের চিকিৎসার একমাত্র অবলম্বন। নাম দেয়া হয়েছিল ‘জনকল্যাণ হাসপাতাল’। গত শতকের আটের দশকের শেষের দিকেই তা বন্ধ হয়ে যায়। হাসপাতালের দালান বাড়ি, সংলগ্ন আবাসন—সবটাই পতিত পড়ে থেকে হয়ে উঠেছিল অন্ধকারের রাজা-রানিদের লীলাকক্ষ, নেশা-জুয়ার আড্ডাঘর। এরপর এলাকার মানুষেরাই সেই ‘দুষ্কৃতির লীলাক্ষেত্র’ ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। আজ মৃত হাসপাতাল ও তার ক্ষয়প্রাপ্ত ভিটা অন্তিম-চিহ্ন নিয়ে শুধু রয়ে গেছে। শোনা যায়, আইনি ঝামেলায় এই জমির অধিগ্রহণ বা হাতবদল হয়নি। এই জনকল্যাণ হাসপাতালে একসময় আউটডোর ও আট শয্যার ইনডোর পরিষেবা চালু ছিল, ছিল প্যাথলজি বিভাগও। আউটডোর সকাল থেকেই খোলা থাকত, নিয়মিত বসতেন শহরের স্বনামধন্য চিকিৎসক ‘দেবী ডাক্তার’, ডা. মহেন্দ্র বাগচী, ডা. সুধীর বোস। সামনের সাইনবোর্ড থেকে জেনেছিলাম এর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ‘মাতৃসঙ্ঘ জনকল্যাণ আশ্রম’ নামে একটি ট্রাস্টি বোর্ড। আশির দশকের প্রথমদিকে এই হাসপাতাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর আগেও এই শহরপ্রান্তের উদ্বাস্তু অধ্যুষিত এলাকার সাধারণ ঘরের ছেলে-মেয়েদের জ্বর-জারি হলে বা ছোটোখাটো রোগের জন্য এই ‘জনকল্যাণ হাসপাতাল’ই ছিল আশ্রয়। যুবককালে যখন এই পতিত জমির সামনে দিয়ে যেতাম, তাকিয়ে দেখতাম দু-তিনটে ঘর তখনও দাঁড়িয়ে আছে। শুধু দালানের কাঠামোটা, দরজা জানালা ভেঙে নিয়ে গেছে কে বা কারা। এই হাসপাতালের কঙ্কালের মধ্যে তাকিয়ে দেখতাম সেই বড় ঘরটাকে, যেটা একসময় ‘লেবার ওয়ার্ড’ ছিল। খুড়তুতো দাদা একদিন সাইকেলে চড়িয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে গেছেন—‘এই ঘরটাতেই তোর জন্ম হয়েছিল’। সেই ঘরে আটজন মা তাদের সদ্যজাতকে নিয়ে থাকতেন। আমারও জন্ম এই দাতব্য হাসপাতালে। উদ্বাস্তু সন্তান আমি, ভিটে থেকে উৎখাত হয়ে আসা আমার বাবা-কাকারা নিজেদের ভিটেকে বাস্তব থেকে স্মৃতিতে মিলিয়ে যাওয়া দেখেছেন। আমার জন্মক্ষণের কান্না যে দালানে ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয়েছিল সেই ঘরটার শেকড় ধরে তুলে ফেলার আমিই সাক্ষী থাকছি, দেখে ফেলেছি—বাস্তবের প্রসূতিকক্ষ কীভাবে স্মৃতিমাত্র হয়ে যায়।
আমার শৈশব থেকে বাল্যকাল ছিল দুর্ঘটনা-সংকুল যাত্রা। আঘাতের সহস্র স্মৃতি আমি বয়ে নিয়ে চলছি, এর প্রারম্ভ মাতৃক্রোড়েই। আমার জন্মের সময় বাবা ছিলেন কলকাতায়। সেই সময় আধা মফস্বল আধা শহর জলপাইগুড়ির জনসমাজের মাথার উপর ছিলেন যে প্রাণময় পুরুষরা তাদের অধিকাংশই ছিলেন চিকিৎসক, কয়েকজন উকিল অথবা চাকর। জলপাইগুড়ি শহরের অভিভাবক ছিলেন ডা. চারুচন্দ্র স্যান্যাল, ডা. অবনীধর গুহ নিয়োগী, ডা. মন্মথনাথ নন্দী, ডা সন্তোষ বসু, ডা অরুণা দাশগুপ্তা। চা শিল্পপতিদের মধ্যে ছিলেন সত্যেন্দ্র প্রসাদ রায়, বি সি ঘোষ প্রমুখ। উকিলদের মধ্যে ছিলেন পরেশ চন্দ্র মিত্র, বিমল হোড়, বীরেন বসুর মতো মানুষেরা। যে শহরের অভিভাবক-চিকিৎসকেরা সেই শহরে প্রসবাসন্না স্ত্রীকে রেখে কলকাতা চলে যাওয়া বাবার কাছে তেমন চিন্তার কিছু ছিল না। শহরপ্রান্ত সীমার, উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনে গড়ে ওঠা কলোনির সেই ছোট্ট হাসপাতাল জনকল্যাণ হাসপাতাল এই সমস্ত চিকিৎসকদের আনুকূল্যেই চালু ছিল। সেই জনকল্যাণ হাসপাতালে লেবার ওয়ার্ড ছিল, ছিল একটা ছোট্ট অপারেশন থিয়েটার। সেখানেই আমার গর্ভধারিণী মাকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক বাবার বন্ধু ও শহরের শ্রদ্ধার মানুষ ডা. মহেন্দ্র বাগচী। মায়ের জঠরে আমার অবস্থান ঠিকঠাক ছিল না। সেই সময় ‘সিজারিয়ান বেবি’ কথাটা খুব একটা প্রচলিত ছিল না, নর্মাল ডেলিভারিই স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে স্বাভাবিকতাটাই অস্বাভাবিক হয়ে উঠল। তাই চিমটা বা সাঁড়াশি দিয়ে আমাকে মাতৃজঠর থেকে বাইরের আলোয় আনার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। কিন্তু সেই তিন মাথাওয়ালা চিমটা জঠরের অন্ধকারে আমার মাথাটা আঁকড়ে ধরতে গিয়ে শিশুকরোটির নরম অংশে বিঁধে যায়। জন্মানোর আগেই রক্তক্ষরণে যন্ত্রণা হয় কি-না জনি না, যন্ত্রণা অনুভব করার জন্য বাইরের বিশ্বে নামতে হয়! আমার, এই প্রায় ষাট বছরের পাকা করোটির গায়ে সেই তিনটি ক্ষতের অসমান চিহ্ন আজও রয়ে গেছে। মায়ের গর্ভেই রক্তক্ষরণ ঘটেছিল যার, এই জাগতিক আঘাতের রক্তক্ষরণে কী ভয় তার? মা অনেক বছর পরেও সেই দুর্ঘটনার স্মৃতিচারণ করতেন। দীর্ঘদিন আমার ক্ষতাক্রান্ত খুলি সাদা ব্যান্ডেজ জড়ান ছিল। ক্ষততে সংক্রমণ হয়ে গিয়ে আরো কিছুদিন জমে মানুষে টানাটানি।


প্রাচীনতম স্মৃতি, গোপন চোখের জল

স্মৃতি হাতড়ে বেড়ানো যাদের অভ্যাস তেমন মানুষের সংখ্যা সাধারণত কিছুটা মন্থর হয় মফস্বল শহরগুলোতে একটু বেশি থাকে। আমার জন্ম শহর জলপাইগুড়ি এর ব্যতিক্রম নয়; আর তাই শহরে কান পাতলে যে কথন ফিসফিস করে গুঞ্জন হয়ে বেজে যায় তা চার দশক পার হয়ে আসা এক প্লাবন রাতের স্মৃতিভারে পুষ্ট।
১৯৬৮ এর ৪ঠা অক্টোবর, সেই রাত ছিল কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার রাত। তখনও ঘরে ঘরে আঁখের গুড় জ্বাল দিয়ে মোয়া তৈরি করা হতো, নারকেলের নাড়ু তৈরি হতো। সারা সন্ধ্যা নাড়ু, মোয়া, মুড়কি তৈরি করে পুজোর আয়োজন করে গৃহস্থ ঘুমাতে গিয়েছিল সেই রাতে। ৪ঠা অক্টোবর মধ্যরাতে তিস্তা হয়ে ওঠে দামাল, পাহাড় থেকে হঠাৎ নেমে আসা জলাধার তীব্র স্রোত নিয়ে আছাড়ে পরে শহরের বুকে। পরদিন আলো ফুটলে এক ধ্বংসের শহর জেগে ওঠে। তখন আমার বয়স চার, কিন্তু স্মৃতির ঘোলা আয়নায় অস্পষ্ট দেখতে পাই বাবা ও ছোটো কাকার চিৎকার, নিজেকে বাঁচানোর তাগিদের থেকেও সেই চিৎকারে বেশি ছিল আশপাশের মানুষদের জাগিয়ে তোলার আর্তি। হু হু করে জল বাড়ছিল। আমাদের বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা পশ্চিমে ছিল ডাঙ্গা জমি, উঁচু ওই বাড়িগুলোতে জল উঠতে পারবে না, তাই পড়িমরি করে সবাই ছুটলো, ছুট, ছুট, পশ্চিমে ছুট। অস্পষ্ট সেই স্মৃতির মধ্যে আজও টের পাই মা বুকে আঁকড়ে নিয়েছেন আমাকে, ক্রমশ বাড়তে থাকা ঘূর্ণায়মান জলরাশি ভেদ করে প্রাণপণে ছুটছেন আমার জননী। মায়ের বুকের সেই প্রবল আতঙ্কের হৃৎস্পন্দন আজও মাথার মধ্যে বেজে চলে জীবন-সংগীতের মতো, ওই অবিনাশী ধুকপুক। আমাদের নিয়ে কোনোক্রমে এক বাড়ির বারান্দায় মা পৌঁছেছিলেন। জানি না বাবা তারপর কখন আমাদের খুঁজে পান, হয়ত ততক্ষণে ওই ভিড়ে ঠাসা বারান্দায়, থই থই জলের মাঝে জেগে থাকা একচিলতে ডাঙ্গায় মার কোলেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। পরদিন সকালে জল ঠেলে হাঁটু ডুবে যাওয়া পলিমাটি ভেঙে ভেঙে সবাই মিলে বাড়ি ফেরার ভয়ংকর অভিজ্ঞতার টুকরো টুকরো ছবি আজও স্মৃতিতে হানা দেয়।

কমিউনিস্ট পার্টির কর্মী ও সাংবাদিক পবিত্র মুখোপাধ্যায় ‘কালান্তর’ পত্রিকায় লিখেছিলেন—গত শুক্রবার জলপাইগুড়ির বন্যায় আমি আমার মাকে ভাসিয়ে দিয়ে এসেছি। এ বন্যার ভয়াবহ রূপ আমি ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না। 
মণ্ডলঘাটে বন্যার খর পেয়ে শুক্রবার, ৪ অক্টোবর সকাল ৮টায় দেবেশ রায়, রণজিৎ দাশগুপ্ত, রাখাল পাল ও পবিত্রবাবু একটা রিকশা ভাড়া করে বন্যাপ্লাবিত মণ্ডলঘাট যান। তারা দেখেন সেখানে হাজার হাজার লোক ঘরের চালায় আশ্রয় নিয়েছে। গাছের উপর উঠে প্রাণ বাঁচিয়েছে। রেলসেতু ভেঙে জলপাইগুড়ি শহরের সঙ্গে ওই এলাকার যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে গেছে। দেবেশ রায় এরপর জেলাশাসকের কাছে গিয়ে আবেদন করেন যাতে অবিলম্বে মণ্ডলঘাটে নৌকা পাঠানো হয়, সামরিক বাহিনীর সাহায্য নেওয়া হোক। তাদের আশঙ্কা ছিল এরপর জলপাইগুড়ি শহরেও নদীর জল ঢুকে প্লাবন নামাবে। কিন্তু প্রশাসক কিছুই করলো না সেই রাতে, রাত দুটোর পর তিস্তার বাঁধ ভেঙে পাহাড়পুর, বালাপাড়া, সেনপাড়া, ওয়াকরগঞ্জ এবং রায়কত পাড়া ও সমাজপাড়ায় তিস্তার জল ঢুকে পরে। আড়াইটা থেকে পৌনে তিনটার মধ্যে সমস্ত শহর বন্যার জলে ভেসে যায়।
পবিত্রবাবু ‘কালান্তর’-এ লিখছেন, “—হঠাৎ সাড়ে তিনফুট জল ফুলে-ফেঁপে প্রায় ছ-সাত ফুট হয়ে দাঁড়ালো। আর প্রচণ্ড জলের স্রোত। মা ভাইকে পড়শির দোতলা বাড়িতে ওঠাতে পেরেছিলেন। ওপর থেকে তারা রশি ফেলে দিয়েছেন। রশি ধরে ভাই উঠে গেল। ভাই সাঁতার জানতো না, মা জানতেন। ওই দোতলা বাড়ির কাছেই মা একটা লিচু গাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন। জল দু’তিন মিনিটের মধ্যেই নয়-দশ ফুট হয়ে দাঁড়ালো। একটা বড় ঘরের কাঠামো ভেসে এসে মাকে গাছ থেকে ফেলে দিলো।
শুক্রবার রাত আড়াইটা থেকে শনিবার রাত এগারোটা পর্যন্ত শহর জলপাইগুড়ি জলের তলায়। রাত বারোটার পর জল নেমে যায়। শনিবার তিনটের সময় মায়ের মৃতদেহ দোতলা বাড়ি থেকে প্রায় একশ ফুট দূরে। রবিবার বেলা বারোটা পর্যন্ত শহরে একবিন্দু খাবার জল নেই। রায়কতপাড়ার কোনো বাড়িতে দেশলাই নেই। ক্যারোসিন তেল নেই। বেলা ১২টার সময় দুটো দেশলাইয়ের কাঠি পেলাম। একুশ ঘণ্টা পরে একটু আগুন সংগ্রহ করা গেল। মায়ের মুখে জ্বলন্ত দেশলাইয়ের কাঠি ছুঁয়ে মাকে করলা নদীতে ভাসিয়ে দিলাম।"
এর এক বছর পরে, ১ অক্টোবর, ১৯৬৯, উত্তরাশা পত্রিকায় দেবেশ রায় লিখছেন—“এই ৪ঠা অক্টোবর সেই শিশুটির জন্মের এক বছর পূর্ণ হলো। গোপালপুর হাউসে শ’কয়েক মানুষ প্রাণ বাঁচাতে উঠেছিলেন। এক মা প্রাণ বাঁচাতে আকুল সেই শ-শ মানুষের মধ্যে আর একটি প্রাণের জন্ম দিলেন। বাচ্চার শরীরকে আর মায়ের শরীরকে আলাদা করতে নাড়ি কাটার জন্য ব্লেড কোথাও ছিল না। তখন এক মাঝবয়সী মহিলা আবার সেই মানুষ ভাসানো বইন্যার জলে ভাসলেন, যদি কোথাও একটা ব্লেড পাওয়া যায়।
‘একটা দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিতে পারেন? আমার মায়ের মুখাগ্নি করবো।’
‘একটা ব্লেড দিতে পারেন? বাচ্চার নাভি কাটবো।’
ভারতবর্ষ আর বাংলাদেশ যত পারো ব্লেড আর দিয়াশলাই পাঠাক। কারণ এই প্রলয়ে আমরা শয্যা পেতেছি। এই প্রলয়েই আমাদের জন্ম ও মৃত্যু। এই প্রলয়েই আমাদের জীবন।...”

এর কিছুদিন পরে, ১৪ ও ২১শে অক্টোবরে সাপ্তাহিক বসুমতীতে লেখা হয়—“মাতব্বর অফিসারেরা সেচ বিভাগের বিপদ সংকেত পেয়ে শহরবাসীকে সতর্ক করেননি, কিন্তু নিজেরা শিলিগুড়ি পালিয়ে গিয়েছিলেন। একজন অফিসারের কথা জানি যিনি বারবার আক্ষেপ করছিলেন তার গাড়িটির জন্য। যাইহোক ১৪ অক্টোবর উপপ্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই এলেন। শোনা যায় দেবেশ রায় প্রমুখরা তাকে রাস্তায় নেমে হাঁটার জন্য দাবি করেছিলেন। দেশাইজি এই দাবির উত্তরে বলেছিলেন যে, ‘আমি রাস্তায় হাঁটলে আপনাদের কষ্টের লাঘব হবে?’
জলপাইগুড়ির মানুষেরা ধিক্কার দিয়েছে। ভি আই পি-রা তাড়া খেয়ে পালিয়েছেন মিলিটারির গাড়িতে। ১০ অক্টোবরের আগে এই ‘মৃতের শহর’এ কোনো সরকারি ত্রাণ আসেনি, মিলিটারি শহরের উপকণ্ঠে ছাউনি ফেলে থাকলো ১০ অক্টোবর পর্যন্ত, হয় তাস খেলেছেন, না হয় ট্রানজিস্টার খুলে আকাশবাণী গৌহাটির প্রোগ্রাম শুনেছেন। (শিলিগুড়ি থেকে চোমং লামা লিখেছেন ‘দৈনিক বসুমতী’তে)

চলবে

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
কান উৎসব ২০২৪কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
সর্বাধিক পঠিত
মামুনুল হক ডিবিতে
মামুনুল হক ডিবিতে
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?