ইউক্রেনের গল্প

সংরক্ষণ

অনুবাদ : ফজল হাসান
১৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:২৭আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:২৯

আমি ঠিক অন্য অনেকের মতো ছিলাম: সাদাসিধা, কোনো বিশেষ আকাঙ্ক্ষা ছিল না, ছিল না বাড়তি কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা। আমি শুধু আমি ছিলাম। আমি পছন্দ করতাম যখন সবকিছু পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকত, যখন ফুটন্ত কেটলির হুইসেল জোরে হত এবং সস্তা ক্লাসিক নেসক্যাফে কফি এবং স্লাভার বন্ড রেড সিগারেটের গন্ধ বাতাসে ভরে যেত; যখন লোকেরা আমাকে দেখতে আসত, তখন আমি পছন্দ করতাম প্রচুর লোকজন, এত বেশি যে সবার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা হত না; আমি পছন্দ করতাম যখন প্রতিবেশী বাচ্চারা দৌড়ে আসত, কারণ আমি সব সময় আলমারির নীচের ড্রয়ারে চকোলেট লুকিয়ে রাখতাম—আপনি জানেন, আমাদের নিজস্ব ডোনেৎস্ক চকোলেট কারখানা থেকে সেই রয়্যাল মাস্টারপিস হ্যাজেলনাট চকোলেট আসত—কে তাদের জানে না? সুতরাং স্লাভার বন্ধু ভ্যালেরকার সন্তানেরা, ভানকা এবং ঝেনিয়া, এসব ক্ষুদ্র ‘মাস্টারপিস’ সম্পর্কে জানত এবং প্রতি শুক্রবার কিছু পাওয়ার জন্য আমার কাছে আসত। ভ্যালেরকা নিজেও তাদের ঠিক পেছনে থাকত। “শুধু মাকে বলো না যে, তুমি আবার একমুঠো চকোলেট খেয়েছ। এছাড়া তোমাকে আমাদের আলোচনার শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে এবং রাতের খাবার খেতে হবে।” ভ্যালেরকা ... আমিও তাকে পছন্দ করতাম। আমি মনে করি তিনি এবং স্লাভা গোড়া থেকেই একসঙ্গে ছিল। তারা একই সঙ্গে সবকিছু শুরু করেছিল: পণ্য, গুদাম, পাইকারদের সন্ধান। তারা একসঙ্গে ট্রাকে করে সারা দেশ ঘুরে বেড়াত। এমনকি ভ্যালেরকা উন্মত্ত নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে স্লাভাকে কিছু অর্থকড়ি ধার দিয়েছিলেন, যেন সে আমার জন্য—শুধুই আমার জন্য, বাজারে একটি ছোট্ট দোকান কিনতে পারে। ভ্যালেরকা সত্যিকারের একজন বন্ধু হিসেবে আসতে পছন্দ করতেন; তার নিজের ছোট্ট দোকানটি কাছাকাছি ছিল। তবে তিনি বলতে পছন্দ করতেন যে, তিনি আমার ‘বাতাবরণ’ পছন্দ করেন। হয়তো বা তাই। তার মূল কারণ আমি বই ভালবাসি—পড়ার জন্য নয়, তবে বইগুলো শেলফে একটি লাইনে দাঁড় করিয়ে সাজিয়ে রাখতে এবং সেগুলো অন্যদের দেখাতে পছন্দ করি। আমি ভালো সঙ্গীত পছন্দ করি। তাই যেকোনো আনন্দদায়ক পরিবেশে সব সময় ঘরের এক কোণায় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। আমি আমার দেওয়াল পছন্দ করি, যা স্লাভার মেয়ের পাঠানো আকর্ষণীয় সাদা-কালো ছবি দিয়ে আচ্ছাদিত করা হয়েছে। অনেক মানুষ অবাক হয়েছিল। কেননা ভ্যালেরকার চোখ তারার মতো খুবই উজ্জ্বল ছিল এবং তিনি ‘পুরনো ধাঁচে’ পরিণত হয়েছিলেন। একবার যখন স্লাভা তাকে তার জন্মদিনের জন্য নতুন ক্যামেরা দিতে চেয়েছিল, তখন তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং তার পরিবর্তে অন্য কিছুর কথা বলেছিলেন। অবশ্য ইতোমধ্যে তার মেয়ে বড় হয়েছে এবং খুব কমই সে তার শৈশবের শহর পরিদর্শনে যায়। সে দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে কাজ করছিল, তবে প্রতি মাসে সে ভ্রমণ থেকে ফিরে এসে তার মাকে সাদা-কালো ছবি পাঠাত। আমি সেসব ছবি পছন্দ করতাম; স্লাভাও তাই করেছিল। ভ্যালেরকাও ছবিগুলো ভালবাসত। কারণ তিনি সব সময় ছবিগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখতেন এবং বলতেন যে, তারা আমার ‘বাতাবরণের’ উচ্চ শিখর।

আমি এরকমই ছিলাম। আমি আরো শত শত লোকের মতো ছিলাম, তবে আমি আলাদাও ছিলাম। আমি খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতাম—সকাল ছয়টার মধ্যে দিনের কাজ পুরোদমে চলত—তবে আমি তাড়াতাড়ি বিছানায় যেতাম। আমি ভোরের পাখি ছিলাম, বা যা-ই আখ্যায়িত করা হোক না কেন। কিন্তু আমার মনে হয় সেখানে আমরা সবাই ভোরের পাখি ছিলাম। তখন সেই ধরনের কাজ ছিল—বাজার, হুড়োহুড়ি এবং চঞ্চলতা।

তারপর হঠাৎ করেই শুরু হয়ে যায়। আমি কিছুই বুঝতে পারিনি। লোকজন কেবল ক্ষিপ্ত হতে শুরু করেছিল এবং তা সত্যিই আমাকে ব্যথিত করেছে। ক্রেতারা স্লাভার কাছে যেত এবং অভিশাপের পরে অভিশাপ দিত। আমাকে এসব শুনতে হত। আমি কোথায় যেতে পারতাম? তখন আমার কিছুই করার ছিল না। আমি জানতাম যে, আমি এখানে জন্মগ্রহণ করেছি এবং আমি এখানেই মারা যাব। গন্ডগোলের সময়ে আমি জীবন উপভোগ করা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। অপ্রীতিকর উচ্চস্বরে সেই গন্ডগোল ছিল ভীতিকর, প্রতিকূল এবং তা বাতাসকে ভয়াবহতা ও অন্তহীন মর্মযন্ত্রণায় ভরিয়ে দিয়েছিল। আর বাতাস ... বাতাস ভিন্ন হয়ে উঠেছিল, যেখানে ভারী হয়ে উঠেছিল আতঙ্ক, আগ্রাসন এবং বেদনা।

আমি দেখেছি আমার প্রতিবেশীরা বাড়িঘরে তালা ঝুলিয়েছে এবং প্রতি সপ্তাহে লোকজনের ভিড় পাতলা হতে থাকে। সেখানে আরো বেশি করে ‘বন্ধ’ চিহ্ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভ্যালেরকা রয়ে গেলেন এবং বিশ্বাস করেছিলেন যে, অস্থির পরিস্থিতি ‘নিজেই শান্ত হয়ে যাবে’ এবং তা কেবল চলমান হুমকি ছিল। যদিও এই হুমকির জন্য তিনি প্রায় তার স্ত্রীকে তালাক দিতে যাচ্ছিলেন। তার স্ত্রীও বিশ্বাস করতেন যে, সবকিছু শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে, তবে অন্যভাবে। কিন্তু তারপর সবকিছু পাশ কাটিয়ে চলে যায়।

সেই শুক্রবারের ঘটনা আমার খুব ভালো করে মনে আছে। সকাল থেকেই চারদিক অন্ধকারে ঢাকা ছিল। উৎকন্ঠিত আকাশের বুকে মেঘ জমতে থাকে। মারাত্মক আওয়াজ, যা আমরা ইতোমধ্যে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, ‘সেই দিক’ থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল। সেখানে বলতে গেলে কোনো মানুষই ছিল না, তবে আমি ব্যবসার জন্য দোকান খোলা রেখেছিলাম। ঝেনিয়া তার বাবাকে হাই বলার জন্য চট করে দাঁড়িয়েছিল। ততক্ষণে তার ছোট ভাইকে তাদের দাদীর কাছে বারদিয়াঙ্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঝেনিয়া বাবার সঙ্গে শহরে থাকতে চেয়েছিল। সে সব সময় তার বাবার কাজ শেষ করার জন্য অপেক্ষা করত, যেন তারা একসঙ্গে গুদামে যেতে পারে। সে গর্বের সঙ্গে তার বাবার গাড়ির সামনের সিটে বসত এবং জানালা দিয়ে সাবধানে পথচারীদের চলাচল দেখত। এমনকি এই ছোট্ট শিশুটিও লক্ষ্য করেছে যে, একসময় ঘনবসতিপূর্ণ এই শহরের রাস্তায় লোকজনের চলাফেরা কমে গেছে। সে আরো লক্ষ্য করছিল যে, অল্প সময়ের জন্য কিয়েভ বুলেভার্ডেও ট্র্যাফিক জ্যাম হালকা হয়ে গেছে। সে যা জানত না, তা হলো সেদিন সকালে ভ্যালেরকা স্লাভাকে বলেছিল যে, তারা চলে যাচ্ছে। কারণ প্রতিবেশী অনিরাপদ হয়ে উঠেছে এবং আর অপেক্ষা করার কোনো অর্থ হয় না।

মধ্যাহ্ন-ভোজনের কিছু সময় পরে কয়েকজন ক্রেতা ভ্যালেরকাকে দেখতে এসেছিল। তখন ঝেনিয়া আমার কাছ থেকে কিছু চকোলেট পাওয়ার আশায় দৌড়ে এসেছিল। সে শক্ত করে পানির বন্দুক ধরে রেখেছিল। সে ভয় পেয়েছিল, কেননা কেউ হয়তো তার কাছ থেকে বন্দুকটি ছিনিয়ে নিতে পারে।

“আহ্,” মেয়েটি আর্তচিৎকার করে উঠল। হঠাৎ করে চিৎকারের আওয়াজ বেশ জোরে এবং ভীতিকর শোনাল। আমরা সবাই ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম।
“ঝেনিয়া? তুমি কোথায়?” ভীত সন্ত্রস্ত ভ্যালেরকা চিৎকার করে উঠল।
“বাবা, ওরা আমাদের ওপর বোমা ফেলবে,” বলেই ঝেনিয়া হাসল। “যদি তারা আমাদের ওপর বোমা বর্ষণ শুরু করে, তাহলে আমরা আবার পালিয়ে যাব এবং লুকিয়ে থাকব।”
খুব কাছ থেকে শিস বাজানোর মতো বুলেটের শব্দের মাঝে মোহাবিষ্ট মেয়েটির হাসি মনে রাখার মতো আমার কাছে শেষ জিনিস ছিল। স্লাভা দ্রুত কিছু জিনিস সংগ্রহ করতে শুরু করে।
“স্লাভা, আপনার এত সময় লাগছে কেন? চলুন যাই!” ভ্যালেরকা চিৎকার করে উঠল।
“স্লাভা আঙ্কেল, চলো যাই। ওরা আমাদের ওপর বোমা বর্ষণ করবে,” ঝেনিয়া পুনরায় বলল।

ইতোমধ্যে স্লাভা তার চাবির গোছা খুঁজছিল, কিন্তু চাবি খুঁজে পাওয়ার আগেই তার ফোন বেজে ওঠে। ফোন করেছিলেন তার স্ত্রী। স্লাভা উত্তর দিতে যাচ্ছিলেন, এমন সময় খুব কাছে কিছু বিস্ফোরিত হয়। শক ওয়েভ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, স্লাভার চাবি এবং ফোনটি গর্জনের সঙ্গে সঙ্গে তার হাত থেকে ছিঁটকে পড়ে যায়। কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমাদের চারপাশের সমস্ত কিছু থমকে যায়, অনেকটা ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রে মতো, যেখানে বিশেষভাবে শব্দ নিয়ন্ত্রণ করে একধরনের পরিবেশ তৈরি করা হয়। তারপর ঝেনিয়া কাঁদতে শুরু করে, ভ্যালেরকা তাকে সান্ত্বনা দেয় এবং স্লাভা শেষ পর্যন্ত আমাকে বন্দী করে রাখে। সস্তা কফি এবং ‘বন্ড রেড’ সিগারেটের স্বাদ তাদের ফেলে আসা জীবনকে পেছনে ঠেলে তারা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। তারা পিঁপড়ার মতো দৌঁড়েছিল, যেন পিঁপড়াদের গর্তটি তখনই নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।

পরে তারা জানতে পারে যে, তাদের পুটিলোভকা, অর্থাৎ আমার বাড়ি, ভারী কামানের গোলা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে নিরাপদে থাকার জন্য আমার বাড়িটি ভ্যালেরকা, ঝেনিয়া এবং স্লাভা তৈরি করেছিলেন।

আর আমি ... আমি অন্য সবার থেকে আলাদা নই। তবে আমি মনে করি আমি কিছুটা ভাগ্যবান। ভয়ানক গোলাবর্ষণের পরেও আমি অক্ষত ছিলাম, আমার অনেক প্রতিবেশীদের মতো নয়। আমি ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে আমার হৃদয়ে বইপুস্তক, ছবি, অসমাপ্ত কফি, বিস্মৃত চশমা এবং টিভি গাইডের অতীত স্মৃতি সংরক্ষণ করেছি।
গত কয়েক বছর ধরে আমি সাবধানে আমার অন্তরে রেখে যাওয়া স্লাভার অতীতের কথা ধরে রেখেছি, যখন সে তার নিজের জীবন বাঁচিয়েছিল। আমি অসহনীয় শব্দ শুনেছি, যখন আমার প্রতিবেশিরা মারা গিয়েছিল, যখন বাড়িঘরের ইট ধূলায় পরিণত হয়েছিল, যখন শোকে জানালার কাচ ভেঙে পড়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ ছোট টুকরো বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছিল।

আমি আড়াই বছর পরে আবার বিশ্বকে দেখেছি, যখন স্লাভা তার পরিত্যক্ত জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে এবং বিদায় জানাতে এসেছিলেন। তিন বছরের যুদ্ধের পর, অগণিত কিলোমিটার দীর্ঘ আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং অশ্রু বিসর্জনের পরে তিনি এবং তার স্ত্রী তাদের মেয়েকে নিয়ে রাজধানীতে বাস করতে বাধ্য হয়েছেন। “ঠিক আছে, বন্ধু, পরে দেখা হবে। আমাদের সবকিছু দেখাশুনা করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ,” আমার চারপাশে তাকিয়ে স্লাভা বললেন। যখন তিনি তার জিনিসপত্র সংগ্রহ করছিলেন, স্লাভা তখন ভুল করে ফেলে যাওয়া ২০১৪ সালে মেয়াদোত্তীর্ণ চকোলেট এবং বন্ড রেড সিগারেটের প্যাকেট খুঁজে পেয়েছিলেন। “ইউক্রেনীয়! কী গুপ্তধন। শহরে এখন আর এমন কিছু নেই।” তিনি প্যাকেট থেকে সিগারেট বের করে এবং তাতে অগ্নি সংযোগ করেন। তারপর তিনি চারপাশের ছোট ছোট দোকানের দিকে তাকালেন, যা বোমা ফেলে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বাজারটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। বাড়ির ছাদে মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ ঝুলছিল; বিশ্ব যেন ভাঙা কাচ এবং ভারী কামানের গোলা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। ভ্যালেরকার প্রতিবেশি ছোট্ট দোকানটিও তার জীবনের মতো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
“তোমার কী দেখার এবং শোনার দরকার আছে, বন্ধু?” স্লাভা আপনমনে বললেন। তারপর তিনি দ্রুত তার জিনিসপত্র তুলে নেন এবং আমাকে স্তব্ধ করে চলে যান।

গল্পসূত্র: ‘সংরক্ষণ’ গল্পটি সেনিয়া ফুকসের ইংরেজিতে ‘কনজারভেশন’ গল্পের অনুবাদ। ইউক্রেনীয় ভাষা থেকে গল্পটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন অ্যালি কিনসেলা । গল্পটি ২০২২ সালের মে সংখ্যা ‘ওয়ার্ডস্ উইদআউট বর্ডার্স’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয় এবং সেখান থেকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
পুলিশের নজরবন্দি আইভী
পুলিশের নজরবন্দি আইভী
পদোন্নতি না পাওয়ায় পদত্যাগ করলেন সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান 
পদোন্নতি না পাওয়ায় পদত্যাগ করলেন সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান 
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি, কমেছে তাপমাত্রা 
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি, কমেছে তাপমাত্রা 
কারামুক্ত স্বামীকে জড়িয়ে কাঁদলেন স্ত্রী, আবার ধরে নিয়ে গেলো ডিবি পুলিশ
কারামুক্ত স্বামীকে জড়িয়ে কাঁদলেন স্ত্রী, আবার ধরে নিয়ে গেলো ডিবি পুলিশ
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি