যথাযোগ্য মর্যাদায় খুবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

Send
খুবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৩:৩০, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৩১, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে আজ ১৪ ডিসেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সকাল ৯টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে অদম্য বাংলায় শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপরই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, বিভিন্ন ডিসিপ্লিন, বিভিন্ন আবাসিক হল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ, খুবি কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সকাল দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি শহিদবুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সুদূর অতীত থেকে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তীতে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা ও নানা উদাহরণ, প্রসঙ্গ তুলে ধরে সারগর্ভ বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, ‘বুদ্ধিজীবীরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের অনেক পথ সহজ করে ছিলেন, দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন, জনমত ও বিশ্বমত সংঘঠিত করার ক্ষেত্রে সবিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এ কারণে বুদ্ধিজীবীদেরকে নীল নকশা করে বিজয় দিবসের প্রাক্কালে পাকিস্তানী হানাদার ও তাদের এদেশের দোষর আল-বদর, আল-শামস নৃশংসভাবে হত্যা করে যাতে বাংলাদেশ সামনে এগোতে না পারে। তারা জাতিকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছিলো।’ তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান, তাদের দর্শন নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরার আহবান জানান।

আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহান, সহযোগী অধ্যাপক রুবেল আনছার। এসময় বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য কার্যক্রমের মধ্যে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও বিশ্ববিদ্যালয় মন্দিরে প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া সন্ধ্যায় শহীদ মিনার ও অদম্য বাংলা চত্বরে প্রদীপ জ্বালানো হয়।

এর আগে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ ভবনের সম্মুখে কালোব্যাজ ধারণ, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের প্রাক্কালে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে একটি র‌্যালি শুরু হয়ে অদম্য বাংলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

/এফএএন/

লাইভ

টপ