বঙ্গবন্ধুকে হত্যার চক্রান্তে জড়িত থাকার অভিযোগে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। শনিবার রাজধানীর কাজী বশির মিলনায়তনে (মহানগর নাট্যমঞ্চ) এক আলোচনাসভায় তিনি এ দাবি জানান। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ওই সভার আয়োজন করে ১৪ দলীয় জোটের শরিক ‘বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন’।
হানিফ বলেন, ‘সত্য কখনও চাপা থাকে না। জিয়াউর রহমানের মুখোশ আগেই উন্মোচিত হয়েছে। তিনি ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের সঙ্গে তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দাবি জানিয়েছি, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিশন করা হোক।’
হানিফ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিল, তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু যারা চক্রান্ত করেছিল, তাদের বিচার হয়নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পেছনে আন্তর্জাতিক যে চক্র ছিল, তাদের মধ্যে জিয়াউর রহমান ছিলেন। তিনি সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে কলকাঠি নেড়েছিলেন।’
খন্দকার মোশতাকের একার পক্ষে এত বড় ঘটনা সংগঠিত করা সম্ভব ছিল না উল্লেখ করে হানিফ বলেন, মীরজাফর মোসতাক এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে যতটা চক্রান্ত করেছিল, তার থেকে বেশি চক্রান্ত ছিল জিয়ার। মোসতাকের এই ক্ষমতা ছিল না। সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে সেই ক্ষমতা ছিল জিয়ার।
আলোচনা সভায় তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব এম এ আউয়াল এমপি বলেন, বাংলাদেশে যতদিন খালেদা জিয়া রাজনীতিতে থাকবে ততদিন ধর্ম, মানবতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, কোনটাই নিরাপদে থাকবে না।
আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন তরিকত ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
/এসটিএস/এআরএল/
আরও পড়ুন:








