রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর আবাসিক এলাকায় জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালানোর সময় পুলিশকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে নব্য জেএমবির সামরিক প্রশিক্ষক মুরাদ।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পিস্তল দিয়ে গুলি করতে করতে এবং চার পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে মুরাদ। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। তারা হলেন- রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শাহীন ফকির, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) সৈয়দ শহীদ আলম এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোমিনুল, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বোখারী। তাদের রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এ অভিযান শুরু হয় এবং দিনগত রাত ১২টার সময় অভিযান চলছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রূপনগর আবাসিক এলাকার ৩৩ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর বাসায় জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালানো হয়। পুলিশ বাসায় প্রবেশ করতে গেলে নব্য জেএমবির সামরিক প্রশিক্ষক মুরাদ প্রথমে পিস্তল দিয়ে গুলি করে এবং ছুরি দিয়ে পুলিশকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যরাও এ সময় পাল্টা গুলি চালালে মুরাদ নিহত হয়। প্রাথমিকভাবে তার নাম জানা গেছে, মুরাদ ওরফে জাহাঙ্গীর ওরফে ওমর। গত জুলাই মাসে সে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিল।
তিনি আরও জানান, বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।
নিহত মুরাদ কোনও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি তদন্তের বিষয়। পরে বিস্তারিত বলতে পারবো। বাসায় মুরাদ ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না।
/এআরআর/এমও/এবি/
আরও পড়ুন








