২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পারব: প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ০৪:০০আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৮:০৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৭৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। আশা করি, ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পারব।’ বুধবার ‘জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ ২০১৬’ উদযাপন উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বিগত আট বছরে সরকারি বেসরকারি খাতে ৭৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত ৭৮০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি শেখ  হাসিনা বলেন, ‘বর্তমানে ১০ হাজার ৭৪৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘গ্যাসের ঘাটতি পূরণকল্পে ৫শ’ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জরুরিভিত্তিতে আমদানি করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ, সারকারখানা, শিল্প, বাণিজ্যিক ও আবাসিক খাতে বর্তমানে প্রায় ৩৪ লাখ গ্রাহকের নিকট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘জ্বালানি ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। ইতোমধ্যে ৩টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে গ্যাসের গড় উৎপাদন ছিল দৈনিক ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট, যা বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের গুরুত্ব সঠিকভাবে অনুধাবন করে বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ ১৯৭৫ সালে শেল অয়েল কোম্পানির মালিকানাধীন কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র স্বল্পমূল্যে ক্রয়ের এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন, যার সুফল আজও বাংলাদেশের জনগণ ভোগ করছে।’ তিনি বলেন, ’৯৬ সালে যখন সরকার গঠন করেন তখন বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৬০০ মেগাওয়াট। ২০০১ সালে তা ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছিল। তার সরকারেই প্রথম বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নীতিমালা প্রণয়ন করেছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি বেসরকারি উভয় খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তার সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বিদ্যুতের সিস্টেম লস কমিয়ে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করা হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন,  ‘গ্যাসের ঘাটতি পূরণকল্পে ৫শ’ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জরুরিভিত্তিতে আমদানি করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ, সারকারখানা, শিল্প, বাণিজ্যিক ও আবাসিক খাতে বর্তমানে প্রায় ৩৪ লাখ গ্রাহকের নিকট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।’ সূত্র: বাসস

/এমএনএইচ/

 

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
দাম বৃদ্ধির একদিন পরই লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য রিভিউ আবেদন
দাম বৃদ্ধির একদিন পরই লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য রিভিউ আবেদন
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
বিশ্বকাপের ফিফা অ্যালবামেও সানজয়, ফের নোরা ফাতেহির সঙ্গে কোলাবরেশন
বিশ্বকাপের ফিফা অ্যালবামেও সানজয়, ফের নোরা ফাতেহির সঙ্গে কোলাবরেশন
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম