কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় করা অভিযোগকে এজাহার হিসেবে আমলে নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত নজরুলকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সেই সঙ্গে এই ঘটনা সালিশের মাধ্যমে আপোসের চেষ্টা কেন বেআইনি হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এই আদেশ দেন।
সেই সঙ্গে আসামিকে গ্রেফতারের অগ্রগতি প্রতিবেদন কুমিল্লার পুলিশ সুপার ও বাঙ্গরা থানার ওসিকে ১৯ জানুয়ারি আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
গত ৭ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘কুমিল্লার বাঙ্গরা: বোনকে ধর্ষণ ভাইকে কোপ থানায় সালিশ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। পরে ওই প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী মুজিবুর রহমান।
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের বলা হয়, ২৩ ডিসেম্বর একটি ব্রিক ফিল্ডে প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করে প্রতিবেশী নজরুল (৩০)। এ সময় স্থানীয় কয়েক যুবক বখাটে নজরুলকে হাতেনাতে ধরে। কিন্তু প্রভাবশালী হওয়ায় তারা কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি। পরদিন শনিবার প্রতিবন্ধীর ভাই নিজাম উদ্দিন ঘটনা শুনে নজরুলের বাড়িতে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। তখন তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে নজরুল। আহত নিজামকে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
পরে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করে নির্যাতিতার মা। এই ঘটনাটি সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করে স্থানীয় ইউপি মেম্বর।
/ইউআই/এসটি/টিএন/
আরও পড়ুন: ‘দল ভারি করতে ছাত্রলীগে অপশক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না’







