মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান চরমোনাই পীরের

বাংলা ট্র্রিবিউন রিপোর্ট
২৫ জুলাই ২০১৭, ০৬:২৮আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৭, ০৯:৫০

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম, ছবি- সংগৃহীত মাদক সিন্ডিকেট যতই শক্তিশালী হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এ আহবান জানান।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর  মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম ইয়াবাসহ সব মাদকদ্রব্য বন্ধে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, যারা আমাদের আগামী প্রজন্মকে পরিকল্পিতভাবে মেধাহীন ও চরিত্রহীন করে দেশকে ধ্বংস করার চক্রান্তে মেতে উঠেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। যুবকরা দেশের প্রাণশক্তি। আজকে যে বা যারা ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখে বা ক্ষমতায় যায় তারাই যুবসমাজকে তাদের অন্যায়ের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তারাই যুব সমাজের হাতে তুলে দিচ্ছে মদ, গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা, অস্ত্রসহ যুব সমাজের চরিত্র বিনষ্টকারী যাবতীয় উপকরণ। যার ফলে আজ যুব সমাজ এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে। তারা অন্যায় দমন করার পরির্বতে অন্যায়কে লালন করছে।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন,একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দেশে দৈনিক ২০ লাখ ইয়াবা সেবন করা হয়। এটা কত ভয়ঙ্কর; তা সরকারকে অনুধাবন করে দ্রুত কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। মাদকের এ আগ্রাসন কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে ব্যাপক হারে ইয়াবার অনুপ্রবেশ প্রশাসনের গোপন সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। পত্রিকায় বারবার রিপোর্ট এসেছে, সরকারের সমর্থিত একটি দলের লোকেরাই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা বিভিন্ন কলা-কৌশলে মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করে। দেশজুড়ে এক বিশাল জাল বিস্তার করে আছে এই মরণ নেশার ভয়াবহ সিন্ডিকেট। আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র মাফিয়াদের সঙ্গে রয়েছে এদের শক্ত ও গভীর যোগাযোগ। শুধু শহরেই নয়, গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে মাদক। তার বিষাক্ত ছোবল শেষ করে দিচ্ছে তারুণ্যের শক্তি ও অমিত সম্ভাবনা। মাঝে-মধ্যে ছোটখাটো মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের চালান ধরা পড়লেও তাদের মূল কুশীলবরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারদলীয় ব্যক্তিরা এসব সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের টিকিটি পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

/সিএ/এমপি/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম