X
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

তথ্য ঠেঙ্গারচরের, পুনর্বাসন ভাসানচরে!

শাহেদ শফিক, ভাসানচর থেকে ফিরে
২২ অক্টোবর ২০১৭, ০৯:৫৬আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৭, ২৩:০২

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বিচ্ছিন্ন ভাসানচরে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারঘোষণার পরে চরকে ঘিরে নানামুখী তথ্যগত বিভ্রান্তির পাশাপাশি কৌতূহলও দেখা দিয়েছেসম্প্রতি চরটি ঘুরে এসেছেন বাংলা ট্রিবিউনের স্টাফ রিপোর্টার শাহেদ শফিকভাসানচর নিয়ে তার ধারাবাহিক পর্বের প্রতিবেদনের আজ থাকছে শেষ পর্ব

রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের জন্য জেলা প্রশাসকের সাইন বোর্ডটি ঠেঙ্গারচরে থাকার কথা থাকলেও সেটা পাওয়া গেছে জালিয়ার চরে

হাতিয়ায় মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে দুটি পৃথক চর হচ্ছে ঠেঙ্গারচর ও জালিয়ার চর (ভাসানচর)। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য ভাসানচরকে চিহ্নিত করে সেখানে উন্নয়নমূলক কাজ চলছে।  

কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ভাসানচরকে ঠেঙ্গারচর নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঠেঙ্গারচরের তথ্যই রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের স্থান হিসেবে সরকারের উচ্চপর্যায় ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ চরটি বসতি স্থাপনের একেবারেই অনুপযোগী। রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের কাজ চলছে জালিয়ার চর তথা ভাসানচরে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে চরটিতে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের প্রাথমিক কাজ চলছে, বনবিভাগের নথিতে সেটির নাম জালিয়ার চর। বনবিভাগের নথিপত্রে এর উল্লেখ রয়েছে, স্থানীয় জেলেরাও জানিয়েছেন এমন তথ্য। কিন্তু জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন সেটিকে ঠেঙ্গারচর হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। বনবিভাগ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার কারণেই চর দুটির নাম ও অন্যান্য তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

 মানচিত্র

জানা গেছে, সাধারণত নদী বা সাগরের বুকে নতুন করে কোনও চর জেগে উঠলে তাতে প্রথম বনবিভাগ বনায়ন শুরু করে। সে হিসেবে বনবিভাগই বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চরের নাম চূড়ান্ত করে।

ঠেঙ্গারচর

বাংলা ট্রিবিউনের হাতে আসা স্থানীয় বনবিভাগের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিগত সময়ে হাতিয়া উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে পূর্বদিকে মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় দুটি চর জেগে ওঠে। একটির নাম ঠেঙ্গারচর, অন্যটির নাম জালিয়ার চর। ঠেঙ্গারচর উপজেলার মূল ভূখণ্ড কাজীর বাজার থেকে ১৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থেকে ১২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। চরটির বয়স প্রায় ১২ বছর।

চরটি জাগার পর স্থানীয়রা সেটিকে ঠেঙ্গারচর নামে ডাকা শুরু করেন। পরে উপকূলীয় বনবিভাগ সেখানে ঠেঙ্গারচর হিসেবেই বনায়ন শুরু করে। জেগে ওঠার কয়েক বছর পর ২০১০-১১ থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত চরটিতে চার হাজার ৮৪৩ একর বনায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে ঠেঙ্গারচরে বনবিভাগের সৃজিত দুই থেকে ৮ ফুট উচ্চতার ঘন বন রয়েছে। বনায়নের পর ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর চরের ১০ হাজার একর সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, বর্তমানে স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে চরটি ভেসে যায়। যে কারণে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ব্যতীত সেখানে অন্য কোনও প্রকার প্রাণীর উপস্থিতি নেই। স্বাভাবিক ভাটায় চরের প্রায় ১৫ হাজার একর পর্যন্ত জমি ভেসে ওঠে।

 স্বাভাবিক জোয়ারে চরে থাকে এমন পানি

ঠেঙ্গারচরের গঠন ও প্রকৃতি: মেঘনার বুকে জেগে ওঠা ডিমের মতো অর্ধগোলাকার আকৃতির চরটি বালি ও কাদাযুক্ত নরম প্রকৃতির মাটিতে গঠিত। এর মধ্যবর্তী স্থানটি উঁচু ও চারপাশ নিচু। চরটি স্বাভাবিক জোয়ারে তলিয়ে যায় এবং ভাটায় ভেসে ওঠে। চরের উত্তর ও পশ্চিম পাশে ব্যাপক  ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তাছাড়া, চরটির পূর্বপাশ অতিরিক্ত কাদা ও দক্ষিণ পাশ বালুময়। গঠনগত কারণ ছাড়াও জোয়ারে তলিয়ে যাওয়া ও লোনা পানির অনুপ্রবেশের কারণে কোনও ফসলের চাষাবাদ অত্যন্ত দুরূহ।

জালিয়ার চর

বনবিভাগের ওই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড নলচিরা ঘাট থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার ও বয়ারচর চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ৩৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থেকে সাত কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনার মোহনায় জালিয়ার চর জেগে ওঠে। স্থানীয় জেলেরাই এই চরের নাম দেন জাইল্ল্যার চর (জেলের চর)। পরে বনবিভাগ জালিয়ার চর হিসেবে চরটিতে বনায়ন শুরু করে।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, চরটিতে নদীর স্বাভাবিক ভাটায় প্রায় ৫০ হাজার একর পর্যন্ত জমি ভেসে উঠে। চরটি জেগে ওঠার পর ২০০০-২০০১ থেকে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১৬ হাজার ১১১ একর ম্যানগ্রোভ ও ৩৯ একর মাউন্ট (উঁচুস্থানে) বনায়ন করেছে বনবিভাগ। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের সিদ্ধান্তের পর সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চরটির নতুন নাম রাখেন ভাসানচর।

ভাসানচরের আয়তন: বনবিভাগের ওই প্রতিবেদনে চরটির আয়তন প্রায় ৫০ হাজার একর বলা হয়েছে। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম জানান, ভাসানচরের আয়তন ১৩ হাজার একর। অতি জোয়ারে চরটির দুই হাজার ৬০০ একর জলমগ্ন থাকে। পাঁচ হাজার একর জমি বাসযোগ্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বনবিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন,‘এই তথ্যটি ঠেঙ্গারচরের হতে পারে।

মানচিত্র

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বনবিভাগ ভাসানচর বা জালিয়ার চরের আয়তন ৫০ হাজার একর কিভাবে পেলো তা বলতে পারছি না। কিন্তু আমরা চরের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দেখে তা হিসেব করেই আনুমানিক ১৩ হাজার একর বলছি। চরে এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কাজ চলছে, এরপর বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি বসবাসের অযোগ্য বলে বনবিভাগ যে চরটির (বনবিভাগের নথিপত্রে উল্লেখ থাকা ঠেঙ্গারচর) তথ্য বন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন আকারে পাঠিয়েছে সেটি রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের নির্ধারিত স্থান (জালিয়ার চর) নয়। বরং তা মূল ঠেঙ্গারচরের। আগে সরকারের পক্ষ থেকে ঠেঙ্গারচরের (রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের নির্ধারিত স্থান জালিয়ার চর বা ভাসানচরের ভুল নাম) তথ্য চাওয়া হলে বনবিভাগ তাদের নথিপত্রে থাকা মূল ঠেঙ্গারচরের তথ্য সরবরাহ করে। এ নিয়ে গণমাধ্যম ও সরকারে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সেদেশের কট্টরপন্থী মগদের নির্যাতনের শিকার হয়ে দলে দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে থাকলে সরকার রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়। তখন নোয়াখালীর উপকূলের নতুন কোনও চর দেখার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য ঠেঙ্গারচরকে বেছে নেয় জেলা প্রশাসন।

পরে সরেজমিন ঠেঙ্গারচর দেখতে গিয়ে ভুলক্রমে জালিয়ার চরে গিয়েই নামেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তারা জালিয়ার চরকেই ঠেঙ্গারচর হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং সে অনুযায়ী প্রতিবেদন তৈরি করেন। ফলে জালিয়ার চরই ঠেঙ্গারচর নামে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের নির্ধারিত স্থান হিসেবে পরিচিতি পায়। পরে ঠেঙ্গারচর নামটি শ্রুতিমধুর না হওয়ায় ভাসানচর নামটিকেই সমর্থন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এভাবে জালিয়ার চরের নতুন নাম হয় ভাসানচর। অন্যদিকে, মূল ঠেঙ্গারচর এখনও ঠেঙ্গারচর হিসেবেই বনবিভাগ ও জেলা প্রশাসনের নথিপত্রে রয়েছে।

ওই সময় মূল ঠেঙ্গারচর নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেন নোয়াখালীর উপকূলীয় বনবিভাগের নলচিরা রেঞ্জ কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন ভূঁঞা। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে, ঠেঙ্গারচর এখনও মানব বসবাসের উপযোগী হয়নি। এতে তিনি যেসব কারণ দেখিয়েছেন, তার মধ্যে বিশুদ্ধ পানীয় জলের কোনও উৎস না থাকা, জোয়ারে ডুবে যাওয়া, চরের অপেক্ষাকৃত উঁচু স্থানটি এখনও স্থায়ী না হওয়া, মাটি এখনও শক্ত না হওয়া, হাঁটতে গিয়ে হাঁটু সমান কাদা মাটিতে আটকে যাওয়া অন্যতম। বনবিভাগের এই প্রতিবেদনের তথ্য মূল ঠেঙ্গারচরের, রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত জালিয়ার চর বা ভাসানচরের নয়।

তথ্য ঠেঙ্গারচরের, পুনর্বাসন ভাসানচরে!

ওই প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, ঠেঙ্গারচরের মধ্যবর্তী এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট খালগুলো কখনও পলি পড়ে ভরাট হয়ে যায়, আবার কখনও কখনও পলি সরে গিয়ে খাল প্রবাহমান হয়। এখনও কোনও খালের অবস্থান বা প্রবাহ স্থায়িত্ব লাভ করেনি।

তাছাড়া, সামুদ্রিক ঢেউ, জলোচ্ছ্বাস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয় চরটিতে সবসময় লেগেই রয়েছে। এসব কারণে আজ পর্যন্ত সেখানে কোনও স্থায়ী-অস্থায়ী বসতি গড়ে ওঠেনি। ধারাবাহিকভাবে বনায়ন কার্যক্রম চালু হলে সাগরের বুকে নতুন জেগে ওঠা এই চরের বিস্তার বাড়বে এবং মাটি স্থায়িত্ব পাবে। আর মাটির স্থায়িত্ব বাড়লে চরটি ভবিষ্যতে চাষাবাদসহ অন্যান্য কাজের উপযোগী হবে। বর্তমানে ঠেঙ্গারচরে পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা নেই। মোটকথা, ঠেঙ্গারচর এখনও মানব বসবাসের উপযোগী হয়নি।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে যখন এই প্রতিবেদনটি পাঠানো হয়, তখন এই ঠেঙ্গারচর থেকে অন্তত পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জালিয়ার চরের প্রাথমিক উন্নয়নের কাজ শুরু হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

বনবিভাগ হাতিয়ার এই চরটি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও হাতিয়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বর্তমান সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌসের স্বামী মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য স্থান চেয়েছেন আমরা জাহাজ্জারচর (স্বর্ণদ্বীপ) দিয়ে দিয়েছি। তখনও বনবিভাগ সেই চরটি নিয়ে নানা টালবাহানা করেছে। কারণ, চরটি তাদের হাত থেকে চলে গেলে লুটপাট বন্ধ হয়ে যাবে। একইভাবে, রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের জন্য যখন আমরা চরটি (ভাসানচর) বেছে নিই,  ঠিক তখনও তারা চরটি নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এই ঠেঙ্গারচর, ভাসানচর বা জালিয়ারচর নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে তার মূল কারণ হচ্ছে বনবিভাগ।’

এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকারের উচ্চমহল থেকে আমাদের কাছে যখন যে চর বা যে বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে আমরা ঠিক সে বিষয়েই তথ্য দিয়েছি।’  তার অফিসের দেয়ালে সাঁটানো ২০১৪ সালে তৈরি করা বনবিভাগের একটি মানচিত্র দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এটিই হচ্ছে আমাদের মানচিত্র।’ তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে চরে পুনর্বাসনের জন্য কাজ চলছে সেটির নাম জালিয়ার চর বা ভাসানচর। এই চরটি থেকে আরও পাঁচ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে নতুন আরও একটি চর রয়েছে। সেই চরের নাম ঠেঙ্গারচর।

রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন আমরা তাকে স্বাগত জানাই। মানবিক কারণেই বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ। চরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পুলিশ ক্যাম্প করে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন করা হলে কোনও সমস্যা হবে না। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন করা হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’

আরও পড়ুন: 

ভাসানচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন: শঙ্কিত স্থানীয়রা

 

ভাসানচরে যেভাবে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন

কতটা বাসযোগ্য ভাসানচর? (ভিডিও)
জোয়ারে ডোবে ভাটায় ভাসে

 

/এএম/টিএন/আপ-এসটি
বিএনপির সমাবেশ নিয়ে ডিএমপির শর্ত শুধু কাগজে
বিএনপির সমাবেশ নিয়ে ডিএমপির শর্ত শুধু কাগজে
সুনামগঞ্জে লাঠি হাতে আওয়ামী লীগের মিছিল 
সুনামগঞ্জে লাঠি হাতে আওয়ামী লীগের মিছিল 
গাজীপুরে মহাসড়কে বাস কম, বিকল্প যানে বাড়তি ভাড়া
গাজীপুরে মহাসড়কে বাস কম, বিকল্প যানে বাড়তি ভাড়া
পদত্যাগের ঘোষণা বিএনপির এমপিদের
পদত্যাগের ঘোষণা বিএনপির এমপিদের
সর্বাধিক পঠিত
সমাবেশের আগে মির্জা ফখরুলের গ্রেফতারের হিসাব-নিকাশ
সমাবেশের আগে মির্জা ফখরুলের গ্রেফতারের হিসাব-নিকাশ
র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারিতে লবিং করছেন জামায়াতের সেই ব্রিটিশ আইনজীবী
র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারিতে লবিং করছেন জামায়াতের সেই ব্রিটিশ আইনজীবী
পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার হুমকি পুতিনের
পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার হুমকি পুতিনের
মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস গ্রেফতার
মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস গ্রেফতার
ঢাকার গণসমাবেশে মুন্সীগঞ্জ থেকে যোগ দেবেন ৩০ হাজার নেতাকর্মী 
বিএনপির দাবিঢাকার গণসমাবেশে মুন্সীগঞ্জ থেকে যোগ দেবেন ৩০ হাজার নেতাকর্মী