নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের শনাক্তকরণের চেষ্টা করছেন তাদের স্বজনরা। তবে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় লাশগুলো বিকৃত হয়ে পড়ায় শনাক্তকরণে সমস্যা হচ্ছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরপরই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশিদের লাশ ঢাকায় নিয়ে আসা হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, শনাক্ত করার পর ইউএস-বাংলা নিজস্ব খরচে লাশগুলো ঢাকায় নিয়ে আসবে। তবে ঢাকায় পাঠানোর সময় পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, কাঠমান্ডু পুলিশের রিপোর্ট, দূতাবাসের রিপোর্ট এই তিনটি কাগজ অবশ্যই লাগবে। তবে এসব রিপোর্ট পেতে কোনও সমস্যা হবে না। নেপাল ও বাংলাদেশ দূতাবাস কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
ঢাকা থেকে ইউএস-বাংলা’র ওই বিমানের বাংলাদেশি আরোহীদের আত্মীয়-স্বজনরা নেপালে পৌঁছানোর পরপরই মৃতদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, বিমানের ৩২ যাত্রী ও চারজন ক্রুয়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত তাদের কাছে ১০ জনের বেঁচে থাকার তথ্য আছে। ২৬ জন মারা গেছেন। মৃতদের লাশ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় শনাক্তকরণ জটিল হয়ে পড়েছে। নেপালের সূত্রের বরাত দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হয়তো ধাতব কোনও বস্তু বা অন্য কিছু থেকে নিহতদের শনাক্ত করতে হতে পারে।
বাংলাদেশি আহত ১০ জনের সবাই মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত কাঠমান্ডু মেডিক্যাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পররাষ্ট্র দফতর থেকে আরও জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে মেডিক্যাল টিম রেডি আছে। নিদের্শ পেলেই তারা কাঠমান্ডু চলে যাবে।
ছবি: হিমালয়ান টাইমস।








