‘শ্রম আইন মেনে মজুরি দিতেই হবে, নয়তো এ সেক্টর থেকে চলে যেতে হবে’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৩১আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৪৭

বিজিএমইএ-এর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাসির

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাসির বলেছেন, ‘আমরা সবসময় বলেছি, শ্রমিক থাকলে শ্রম আইন মেনে তাদের মজুরি দিতেই হবে; নয়তো এ সেক্টর থেকে  মালিককে চলে যেতে হবে। এক মালিকের জন্য সবাই দুর্ভোগ পোহাবে, আমরা চাই না।’

মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর পান্থপথে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিওতে আয়োজিত দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টালটির সাপ্তাহিক আয়োজন ‘মজুরি বাড়লেও বাড়ছে না শ্রমিকদের আস্থা’ শীর্ষক বৈঠকিতে অংশ নিয়ে তিনি একথা জানান।

মোহাম্মদ নাসির বলেন, ‘আমাদের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেল আছে। আমরা প্রত্যেকটা ফ্যাক্টরি মনিটর করি। পাশাপাশি শ্রম আইন বাস্তবায়িত করা হচ্ছে কিনা কল-কারখানা পরিদর্শন অধিদফতর থেকেও পরিদর্শকরা মনিটর করেন। এক্ষেত্রে যদি অসঙ্গতি পাওয়া যায়, তাহলে কিন্তু শ্রম আইনে মামলাও করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তা ও মালিকের সক্ষমতা বিবেচনা করে আমরাই জানুয়ারিতে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি করার চিঠি দিয়েছিলাম সরকারকে। আর তার প্রেক্ষিতে সরকার ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে দিয়েছিল। তারা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত নিয়ে ৮ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করেছে। প্রতিবছর ৫ শতাংশ করে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হয়েছে ২০১৩ সালের শ্রম আইনে, যা ২০১০ সালে ছিল না, ২০০৭ সালের মজুরি কাঠামোতেও ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার বিভিন্ন ফ্যাক্টরির মিডলেভেল ম্যানেজমেন্টের প্রায় একহাজার ৫০০ লোককে নিয়ে এসে আমরা বলেছি যে, কোনও জায়গায় যদি বেসিক কমে যায় বা গ্রস কমে যায়, সেই গ্রেডের ব্যাপারে যেন জানানো হয়। আমরা বলেছি, এটা যদি ফ্যাক্টরি লেভেলে সমাধান করা হয়, তাহলে ভালো। আর যদি এ সমস্যা বিজিএমইএ-তে আসে, তবে আমরা সমাধান করে দেবো। এরপরও সমাধান না হলে সরকারের শ্রম মন্ত্রণালয় আছে, তারা সমাধান করবে।’

বিজিএমইএ-এর সহ-সভাপতি বলেন, ‘মালিক-শ্রমিকের দর কষাকষি পৃথিবীর শুরু থেকেই ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দেশে আইন আছে, সেটাকে আজ যারা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি ফ্যাক্টরিতে আগুন দিয়েছেন, সড়ক অবরোধ করেছেন, তাদের যদি আইনের আওতায় আনতে হবে।’

/এসও/এমএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম