প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমনভাবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে একটি অপরটির পরিপূরক হতে পারে। তিনি বলেন, ‘একবার পরিকল্পনা গৃহীত হলে সেগুলো সংহত করা এবং একে অপরের পরিপূরক হওয়া উচিত।’
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের সোনারগাঁ-বুয়েট লিংকের হাতিরঝিল অংশের পুনঃএলাইনমেন্টের পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা কালে একথা বলেন। ওই নকশায় তিনি সম্মতিও দিয়েছেন।
আগের প্রস্তাবে, হাতিরঝিল ও পান্থকুঞ্জের মাঝ বরাবর এই লিংকের অ্যালাইনমেন্টের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হাতিরঝিল ও পান্থকুঞ্জকে সুরক্ষা করে নতুনভাবে নকশা প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষকে নির্দেশ দেন। এই সংযোগের ফলে পুরান ঢাকা ও ধানমন্ডির বাসিন্দারা উপকৃত হবেন।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় মতিঝিলে একটি বড় ঝিল ছিল। পাকিস্তানি শাসক আইয়ুব খান তা ধ্বংস করেন। উন্নয়ন পরিকল্পনায় জলাশয় রক্ষা করে পরিকল্পনা প্রণয়নেরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
ঢাকা শহর অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নগরীর সব সুযোগ-সুবিধা গ্রামে দিচ্ছি। কাজেই গ্রামের মানুষের রাজধানীমুখী হওয়ার প্রবণতা কমে আসছে।’
সরকারি কর্মকর্তাদের শহরে বসবাসের মানসিকতার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তারা এখন শহরে থাকতে চান। তাদের বদলি করা হলে তাদের পরিবারকে শহরে রেখে নিজেরাই কেবল কর্মস্থলে যান। আগে জেলার স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হয়েছে। কেননা তখন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারা জেলায় থাকতেন।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য ভবনের সংশোধিত স্থাপত্য নকশা প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। নকশা প্রত্যক্ষকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনাও প্রদান করেন। নকশা উপস্থাপন করেন জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান। খবর বাসস।







