১ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাভাবিক ভাড়ায় যাত্রী পরিবহনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। শনিবার (২৯ আগস্ট) এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব শাখা ও ইউনিটকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনও গাড়িতে আগের ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থাৎ জুন ২০২০ থেকে বর্ধিত ৬০ শতাংশ ভাড়া আদায় করা যাবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট গাড়ি ও গাড়ির স্টাফের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহর সই করা চিঠিতে আরও বলা হয়, করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার গত ১ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন পরিচালনার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা পরিবহন পরিচালনা করে আসছি।
এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা দেন, আগের নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে যত সিট তত যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরিবহন চলাচল করতে পারবে। তবে কোনও অবস্থায় দাঁড়ানো যাত্রী বহন করা যাবে না। গণপরিবহনে কর্মরত ড্রাইভার, কন্ডাক্টর, হেল্পার সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক ছাড়া কোনও যাত্রীকে বাসে ওঠানো যাবে না। গাড়িতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যাবস্থা রাখাসহ প্রত্যেক যাত্রী যাতে তা ব্যবহার করে সে দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে বলেও জানিয়ে দেয় মালিক সমিতি।
এর আগে, শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকা জোনের বিআরটিএ এবং বিআরটিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি এবং জনস্বার্থ বিবেচনা করে সরকার ১ সেপ্টেম্বর থেকে গণপরিবহন আগের ভাড়ায় ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে গণপরিবহনের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার, চালকের সহকারী, টিকিট বিক্রয়কারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। বাসস্ট্যান্ডে হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাবান, পানি অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। আসন সংখ্যার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না। অর্থাৎ যত আসন তত যাত্রী পরিবহন নীতি কার্যকর হবে। দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাড়ি চালাতে হবে। ট্রিপের শুরু এবং শেষে যানবাহন জীবাণুমুক্ত করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
১ সেপ্টেম্বর থেকে আগের ভাড়ায় গণপরিবহন
স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বর্ধিত ভাড়ায় চলছে গণপরিবহন








