বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে: কৃষিমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০০আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:১৫

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ৪৬ বছর অতিক্রম করেছে। এই সময়ে দু’দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে আর্থিক, কারিগরিসহ নানাভাবে সহায়তা করছে। সামনের দিনগুলোতে এ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।’

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ-চীন সিল্ক রোড ফোরাম আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 মন্ত্রী বলেন, ‘অতীতকাল থেকেই আজকের বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বিদ্যমান। তবে আধুনিককালে যোগাযোগ ও সম্পর্ক স্থাপিত হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাধ্যমে। তিনি ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে চীন সফরে গিয়েছিলেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সঙ্গে মতবিনিময় করেছিলেন, যা দু’দেশের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।’

ড. রাজ্জাক বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চীন এখন বাংলাদেশের আমদানির সবচেয়ে বড় উৎস দেশে পরিণত হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাপক বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে। এটিকে কমিয়ে আনতে দু’দেশকে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘স্ট্র্যাটেজিক ইস্যু হিসেবে নিয়ে চীনকে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।’ মানবিক দিক বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে সহযোগিতার জন্য চীনকে অনুরোধ জানান মন্ত্রী। 

আলোচনা সভায় ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ-চীন সিল্ক রোড ফোরামের চেয়ারম্যান ও সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বিএনপির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ড. মঈন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

বক্তারা গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাফল্য কামনা করেন। তারা বলেন, আজ থেকে ৭২ বছর আগে ১ অক্টোবর, ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা গৃহযুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিদেশি আগ্রাসন থেকে মুক্ত হয় দেশটি। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল ধনী-গরিবের বৈষম্য কমানো ও শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।

 তারা আরও বলেন, তারপর থেকে গত ৭২ বছরে চীন জাতীয় উন্নয়নে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। দারিদ্র্য বিমোচন ও ধনী-গরিবের বৈষম্য কমিয়ে সমতা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। মানুষের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নতি  হয়েছে। চীন বিশ্বে দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। সারা বিশ্বে প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহকারীর শীর্ষে এখন চীন। প্রযুক্তির উন্নয়ন ও গবেষণায়ও সামনের কাতারে উঠে এসেছে। তাদের এ উন্নয়ন সারা পৃথিবীর কাছে আজ উদাহরণ, মিরাকল।

/এসএস/আইএ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
চামড়ার দাম কম পাওয়ার কারণ জানালেন কৃষিমন্ত্রী
আমিও কৃষক, আমার ধানটা এরকম পচলে বুঝতাম কত কষ্ট: কৃষিমন্ত্রী
আলুর ব্যবহার বাড়াতে বললেন কৃষিমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম