নারী পুলিশ সদস্যদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে একটি নীতিমালা প্রস্তুত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় ‘উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন’ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হামিদা পারভীনের পরিকল্পনায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়।
রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।
‘কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ও যৌন নির্যাতন বন্ধে নীতিমালা ও কর্মপন্থা ২০২১’-এর মুখবন্ধে ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিএমপিতে দুই হাজার নারী পুলিশ সদস্য কর্মরত। ডিএমপির সকল বিভাগে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ও যৌন নির্যাতন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই নীতিমালা ও কর্মপন্থাকে স্বাগত জানাই।’
উল্লেখ্য, এখন ডিমএপিতে নারী ও পুরুষের অনুপাত প্রায় ১ অনুপাত ১০।
কেন্দ্রীয় অভিযোগ গ্রহণ কমিটি
হয়রানির অভিযোগ গ্রহণ, অনুসন্ধান এবং সুপারিশ করার জন্য জেন্ডার ব্যালেন্সের ভিত্তিতে ডিএমপিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় অভিযোগ গ্রহণ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সভাপতি হবেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন), সদস্য সচিব হবেন উপ-পুলিশ কমিশনার (উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন), সদস্য হবেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দফতর ও প্রশাসন), মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের বিভাগীয় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও জেন্ডার বিষয়ক এনজিও প্রতিনিধি।
বিভাগীয় অভিযোগ গ্রহণ কমিটি
ডিএমপির আওতাধীন ৫৭টি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্বতন্ত্র ‘বিভাগীয় অভিযোগ গ্রহণ কমিটি’ গঠন করবে।
অ্যাডহক কমিটি
অভিযোগ গ্রহণ কমিটির কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলে তা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে অভিযুক্ত সদস্যকে বাদ দিয়ে নতুন সদস্য করে একটি অ্যাডহক কমিটি (অন্তর্বর্তীকালীন) গঠন করবেন। ওই কমিটির সভাপতি হবেন অভিযুক্ত ব্যক্তির চেয়ে উপরের পদে থাকা কোনও ব্যক্তি।









