হিন্দিতে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘ম্যাঁয় হামেশা আভারি হু’

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:০১আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৪৪

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের দ্বিতীয় দিনে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হিন্দিতে বলেন, ‘ম্যাঁয় হামেশা আভারি হু। হামারা দেশ জাব স্বাধীন হুয়া, জাব লিবারেশন ওয়ার হুয়া; ইহাকে লোগোনে জ্যায়সা হামারে সাথ থে, সাপোর্ট কিয়ি, অউর বহত লোগ... উনকা জিতনা কন্ট্রিবিউশন হ্যায়, হাম হামেশা ইসকো স্বোয়াগত করতাহু.. অ্যান্ড আই অ্যাম রিয়েলি আভারি হু। মেরে ওরসে ভারতবাসীকো শুভেচ্ছা।’ 

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়, দেওয়া হয় লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার। এই সময় গণমাধ্যমে নিজের অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণমাধ্যমে কথা বলার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রীও তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। 

হিন্দিতে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘ম্যাঁয় হামেশা আভারি হু’

১৯৭৫ সালে সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যার পর ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি ছয় বছর অবস্থান করেছিলেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে বক্তব্যের এক পর্যায়ে কয়েকটি লাইন হিন্দিতে উচ্চারণ করেন তিনি। 

এরপর বাংলাতেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি একটু চেষ্টা করলাম, হিন্দিতে বলার। ছয় বছর ছিলাম এখানে (দিল্লি), একটু একটু শিখেছি। সেখান থেকেই বললাম যে, আমার তরফ থেকে ভারতবাসীকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে একাত্তর সালে ভারতবাসী যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং সবক্ষেত্রে আমরা তাদের সহযোগিতা পেয়েছি; সেজন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে, বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে, আমার পক্ষ থেকে এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। 

হিন্দিতে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘ম্যাঁয় হামেশা আভারি হু’

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র, তাই যখনই ভারতে আসি; এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের, বিশেষ করে আমার জন্য। আমাদের পারস্পারিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের জনগণের জীবনমান উন্নত করা, দারিদ্র দূর করা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। আমি মনে করি, এসব বিষয়ে আমরা দুই দেশ একযোগে কাজ করতে পারে। এতে করে শুধু বাংলাদেশ-ভারতই নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার সবার জীবনমানের উন্নতি ঘটবে; এটাই আমাদের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করছি, এটা খুব ফলপ্রসু আলোচনা হবে। আমাদের যে মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি করা এবং আমাদের জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা; তা আমরা করতে পারবো। বন্ধুত্বের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করা যায় পারেন; আমরা সবসময় তা করি।’

/ইউএস/
সম্পর্কিত
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের মিতসুই কোম্পানির প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ  
প্রথম সফরে মালয়েশিয়া যাবেন প্রধানমন্ত্রী
মশক নিধন বৈজ্ঞানিক বিষয়, ডোবার পাশে সমাধান নেই: আসিফ মাহমুদ
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম