X
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
৯ আশ্বিন ১৪২৯

জামানত ছাড়াই কৃষককে ঋণ দেওয়া যায়: কৃষিমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৯:৫৫আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৯:৫৫

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রকৃত কৃষককে আরও সহজ শর্তে জামানাত ছাড়াই ঋণ দেওয়া যায়। সরকার কৃষিখাতে ৪ শতাংশ সুদে কৃষকদের ঋণ দিচ্ছে। কিন্তু এ ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান কঠিন শর্ত অনেক সময়ই কৃষক পূরণ করতে পারে না। সেজন্য ঋণ দেওয়ার পদ্ধতি আরও সহজ করতে হবে। প্রকৃত কৃষককে জামানাত ছাড়াই ঋণ দেওয়া যায়।

রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে আমাদের অবস্থান ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেড এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাণিসম্পদে অবশ্যই বিমা প্রয়োজন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একটি গাভীর দাম ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা। সেজন্য প্রাণিসম্পদে অবশ্যই বিমা হওয়া উচিত। তবে বিমা কোম্পানির ওপর দেশের মানুষের বিশ্বাস নেই। তারা গ্রাহককে ব্যাপকভাবে হয়রানি ও প্রতারণা করে। এই হয়রানি ও প্রতারণা বন্ধ করে বিমাকে গ্রাহকবান্ধব করতে হবে। বিমায় মানুষের আস্থা বাড়াতে হবে।

ডিমের দাম বেড়েছে, তবে এটি সাময়িক এবং শিগগিরই দাম কমে আসবে বলেও মন্ত্রী জানান। ভোজ্যতেলের উৎপাদন বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে ভোজ্যতেলের চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ দেশে উৎপাদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

সেমিনারে কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল হোসেন, কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল্লাহ হারুন পাশা, কৃষিবিদ আওলাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও বিমা বিভাগের অধ্যাপক হাসিনা শেখ, ব্যাংক এশিয়ার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কায়সার হামিদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিডোর ন্যাশনাল প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক আইনুল হক।

প্রবন্ধে জানানো হয়, ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা,যা মোট কৃষিঋণের ১৪ শতাংশ। প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে মূল বাধা হলো ঋণ প্রক্রিয়ায় পদ্ধতিগত জটিলতা, জামানাতজনিত জটিলতা, প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর অনীহা, মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, প্রাণিসম্পদের মৃত্যুঝুঁকি, বীমার প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা না থাকা ইত্যাদি।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে গত ১৩ বছরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তারপরও প্রাণিপ্রতি গড় মাংস ও দুধ উৎপাদনে উন্নত দেশের তুলনায় এখনও বাংলাদেশ পিছিয়ে। এছাড়া প্রতিবছর প্রায় এক লাখ টনেরও বেশি গুঁড়াদুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আমদানি করতে হয়, যাতে খরচ হয় বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা।

 

/এসআই/এফএস/
সম্পর্কিত
আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত
আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত
লোক দেখানো আন্দোলনের প্রতিযোগিতা করছে বিএনপি: কৃষিমন্ত্রী
লোক দেখানো আন্দোলনের প্রতিযোগিতা করছে বিএনপি: কৃষিমন্ত্রী
বাজার নিয়ন্ত্রণে মিল মালিকদের মনিটরিংয়ে আনতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
বাজার নিয়ন্ত্রণে মিল মালিকদের মনিটরিংয়ে আনতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
বিএনপির সময় মানুষ না খেয়ে মারা যেতো: কৃষিমন্ত্রী
বিএনপির সময় মানুষ না খেয়ে মারা যেতো: কৃষিমন্ত্রী
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
পরীক্ষায় বসে ফেসবুকে লাইভ, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
পরীক্ষায় বসে ফেসবুকে লাইভ, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
দুই গ্রুপের কোন্দলে মধ্যরাতে উত্তপ্ত ইডেন কলেজ
দুই গ্রুপের কোন্দলে মধ্যরাতে উত্তপ্ত ইডেন কলেজ
রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণে ১০০ নাগরিকের বিবৃতি
রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণে ১০০ নাগরিকের বিবৃতি
এতদিন কোথায় ছিলেন রহিমা?
এতদিন কোথায় ছিলেন রহিমা?
এ বিভাগের সর্বশেষ
আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত
আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত
লোক দেখানো আন্দোলনের প্রতিযোগিতা করছে বিএনপি: কৃষিমন্ত্রী
লোক দেখানো আন্দোলনের প্রতিযোগিতা করছে বিএনপি: কৃষিমন্ত্রী
বাজার নিয়ন্ত্রণে মিল মালিকদের মনিটরিংয়ে আনতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
বাজার নিয়ন্ত্রণে মিল মালিকদের মনিটরিংয়ে আনতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
বিএনপির সময় মানুষ না খেয়ে মারা যেতো: কৃষিমন্ত্রী
বিএনপির সময় মানুষ না খেয়ে মারা যেতো: কৃষিমন্ত্রী
‘সরকার চেষ্টা করছে একটি মানুষও যাতে খাদ্যের কষ্ট না করে’
‘সরকার চেষ্টা করছে একটি মানুষও যাতে খাদ্যের কষ্ট না করে’