X
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

দায়িত্ব পালন শেষে বঙ্গভবন ছেড়ে কোথায় উঠবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ?

এমরান হোসাইন শেখ
২১ এপ্রিল ২০২৩, ২২:০০আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৩, ২২:৫৮

নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পরপরই বঙ্গভবন ছাড়বেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। ২৪ এপ্রিল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের শপথের পর আবদুল হামিদ বঙ্গভবন ছেড়ে রাজধানীর নিকুঞ্জে নিজ বাড়িতে উঠবেন। এদিকে আবদুল হামিদকে বড় ধরনের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে বিদায় দেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বঙ্গভবন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও রাষ্ট্রপতিকে সামরিক কায়দায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দেওয়া হবে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন শেষ হচ্ছে ২৪ এপ্রিল। একই দিন সকাল ১১টায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। শপথ পাঠ করাবেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ অনুষ্ঠানে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত থাকবেন।

বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পর দুপুর সাড়ে ১২টায় আবদুল হামিদের বিদায় পর্ব শুরু হবে। প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) গার্ড অব অনার ও অভিবাদন জানাবে।

বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল গ্রাউন্ডে বিদায়ী গার্ড অব অনার প্রদানের মধ্য দিয়ে তার বিদায় পর্ব শুরু হবে। তাকে ফুলসজ্জিত একটি খোলা জিপে বঙ্গভবনের ফোয়ারা এলাকা থেকে প্রধান গেটের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী জিপটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে সেটা টেনে নিয়ে যাবেন। এ সময় রাস্তার দুই পাশ থেকে ফুলের পাপড়ি ছিটানো হবে।

এরপর প্রধান গেট থেকে ভিভিআইপি প্রটোকলে বিদায়ী যাত্রা করবেন আবদুল হামিদ। দীর্ঘ ১০ বছরের বঙ্গভবনের বসবাস ছেড়ে নিকুঞ্জে তৈরি নিজের নতুন বাড়িতে যাবেন। এরপর সেখানেই বসবাস করবেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ২৪ এপ্রিলই রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বঙ্গভবন থেকে বিদায় নেবেন। বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তাকে বিদায় জানানো হবে। তিনি নিকুঞ্জের নিজ বাড়িতে উঠবেন।

এদিকে গত ১৭ এপ্রিল বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবদুল হামিদের সম্মানে এক বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর আগে গত মার্চ মাসে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে বিদায়ী মতবিনিময় করেন।

নিকুঞ্জে থাকবেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, অবসরে গেলে তিনি নিকুঞ্জে নিজ বাড়িতে উঠবেন। গত ১৩ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানিয়ে অবসরে আড্ডা দিতে সাংবাদিকদের নিকুঞ্জের বাড়িতে অগ্রিম আমন্ত্রণ জানান। তিনি মাঝে মধ্যে মিঠামইনে পৈতৃক ভিটায় গিয়েও সময় কাটাবেন বলে জানিয়েছেন। অবসরে তিনি আত্মজীবনীর দ্বিতীয় খণ্ড লেখা শেষ করবেন বলেও জানিয়েছেন। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আমার রাজনীতি, আমার জীবননীতি’ বই প্রকাশিত হয়েছে। এতে তার জন্ম ও রাজনীতির শুরু থেকে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত তথ্য সন্নিবেশ আছে। অবসর সময় তিনি ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে বর্তমান সময়কালের ঘটনা নিয়ে আত্মজীবনীর দ্বিতীয় খণ্ড লিখবেন বলে ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।

প্রবীণ রাজনীতিক আবদুল হামিদ ১৯৭০ সালে এমএলএ হওয়ার মধ্য দিয়ে ঢাকামুখী হলেও রাজধানীতে তার স্থায়ী কোনও নিবাস ছিল না। তিনি কখনও ভাড়া বাসা, কখনও এমপি হোস্টেল, সংসদ সদস্য ভবন কিংবা লালমাটিয়ায় মেয়ের বাড়িতে বসবাস করতেন। স্পিকার হিসেবে থেকেছেন সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসায়। সর্বশেষ ১০ বছর কাটালেন বঙ্গভবনে। বঙ্গভবনে থাকাকালে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নিকুঞ্জে প্রাপ্ত রাজউকের প্লটে বাড়ি নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে বাড়িটির কাজ শেষ করিয়েছেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হয়েও অনেকটা নিজেই তিনি নির্মাণকাজ তদারকি করেছেন। বঙ্গভবন থেকে অনেকবার তিনি সরাসরি নিকুঞ্জে গিয়ে কাজের দেখভাল করেছেন। অবসরে সেখানে বসবাস করবেন—এমন  চিন্তা থেকে সাধ্যের মধ্যে অনেকটা যত্ন করে কাজটি করেছেন। বেশ কিছু দিন আগে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

বঙ্গভবন ও আবদুল হামিদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিকুঞ্জের বাড়িতে তিনি ছাড়াও তার দুই ছেলে রাসেল আহমেদ (তুহিন) ও রিয়াদ আহমেদ (তুষার) থাকবেন। তবে, স্ত্রী রাশিদা খানম বেশিরভাগ সময় ক্যান্টনমেন্টে বড় ছেলে ও সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিকের সঙ্গে থাকবেন বলে জানা গেছে। শারীরিকভাবে অসুস্থ রাশিদা খানমের সিএমএইচে নিয়মিত চেকআপের প্রয়োজনে তিনি সেখানে থাকবেন। অবশ্য তিনি নিকুঞ্জের বাসায় যাওয়া আসা করবেন বলে সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অবসরের পর মাঝে মধ্যে জন্মস্থান মিঠামইনে গিয়েও থাকবেন বলে জানা গেছে। এজন্য পৈতৃক ভিটায় তিনি ও তার ছেলেরা মিলে একটি পাঁচতলা ভবনও নির্মাণ করেছেন। নিজের নামে চালু হওয়া ‘আবদুল হামিদ ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে তিনি এলাকায় সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন বলে জানা গেছে।

প্রথম কোনও রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক বিদায়

বাংলাদেশে এর আগের ২০ জন রাষ্ট্রপতির কেউই কার্যত আনুষ্ঠানিক বিদায় পাননি। দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সেই অর্থে সৌভাগ্যবান। বঙ্গভবন তাকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দিচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান রাষ্ট্রপতিকে সামরিক কায়দায় গার্ড অব অনার ও প্রটোকল দিয়ে নিজের ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে প্রথম ও ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তাক্ত বিদায় হয়েছে। একদল দুষ্কৃতকারীর হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদায় হয় একইভাবে। রাষ্ট্রপতি থাকাকালে ১৯৮১ সালের ৩০ মে তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তৃতীয় রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ও চতুর্থ মোহাম্মদ মুহম্মদউল্লাহ তাদের মেয়াদ শেষ না করেই বিদায় দেন। এরমধ্যে সংবিধান সংশোধন করে আবারও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রবর্তনের ফলে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি জাতির পিতা রাষ্ট্রপতি হওয়ায় মুহম্মদউল্লাহর বিদায় হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নতুন প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি হন বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত খন্দকার মোশতাক আহমদ। তবে বিপ্লব-পাল্টা বিপ্লবে তিন মাসেরও কম সময় দায়িত্ব পালন করে তাকে বিদায় নিতে হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদত মোহাম্মদ সায়েম, বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এবং আবুল ফজল মুহম্মদ আহসান উদ্দিন চৌধুরীকে চাপের মুখেই পদ থেকে সরে যেতে হয়। সায়েমকে সরিয়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হন। এরপর রাষ্ট্রপতি সাত্তারকে সরিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রথমে এএফএম আহসান উদ্দিন চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতির আসনে বসান। পরে তাকে সরিয়ে নিজেই দেশের ১৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। গণআন্দোলনে এরশাদ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর দেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি (১৪তম) হন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। তিনি ১৯৯১ সালের ৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে প্রধান বিচারপতি পদে প্রত্যাবর্তন করেন।

রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস, সাহাবুদ্দীন আহমদ ও প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রত্যেকে তাদের ৫ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করলেও বিদায়টা আনুষ্ঠানিক হয়নি।  তারা তিন জনই নীরবে বঙ্গভবন ত্যাগ করেন। দেশের ১৭তম রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দেড় বছরের কিছু বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর ইমপিচমেন্ট পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে পদত্যাগ করে বঙ্গভবন ত্যাগ করেন। দেশের ১৮তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার (অস্থায়ী)। দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে জিল্লুর রহমান চার বছরের মতো দায়িত্ব পালন করে  বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ফলে তার আনুষ্ঠানিক বিদায়ের কোনও সুযোগ ছিল না।

অবসরে যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন (২০১৬) অনুযায়ী, কোনও রাষ্ট্রপতি ৬ মাস বা তার বেশি সময় দায়িত্ব পালন করলে অবসর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। সেই হিসেবে ১০ বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালনকারী আবদুল হামিদও পাবেন অবসর সুবিধা। রাষ্ট্রপতি তার মাসিক বেতনের ৭৫ শতাংশ অবসর সুবিধা পারেন। আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বর্তমান মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই হিসাবে অবসরের পর মো. আবদুল হামিদ মাসে ৯০ হাজার টাকা অবসর ভাতা পাবেন।

আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার আগে অন্য কোনও চাকরি বা পদ হতে অবসরে গিয়ে অবসর ভাতা গ্রহণ করলে, তিনি ওই অবসর ভাতা এবং রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতার মধ্যে তার ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনও একটি পাওয়ার যোগ্য হবেন। আবদুল হামিদ যেহেতু এ ধরনের কোনও চাকরির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না, ফলে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রাপ্ত বেতনের ভিত্তিতেই অবসর সুবিধা পাবেন।

অবশ্য অবসর ভাতার পরিবর্তে আনুতোষিকও (এককালীন অর্থ) গ্রহণ করতে পারবেন। এটা গ্রহণে সম্মত হলে আবদুল হামিদ এককালীন এক কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাবেন (দায়িত্ব পালন ১১ বছর ধরে)। অবশ্য অবসর ভাতার পরিবর্তে আনুতোষিক গ্রহণ করতে হলে তাকে প্রাধিকার অর্জনের তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে ইচ্ছার কথা জানাতে হবে। আবদুল হামিদ কোনটি গ্রহণ করবেন, এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অবশ্য পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন অবসর ভাতা গ্রহণের সম্ভাবনা বেশি।

অবসরে যাওয়ার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আরও কিছু সুবিধাও পাবেন মো. আবদুল হামিদ। তিনি একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেনডেন্ট (সাহায্যকারী) পাবেন। দাফতরিক ব্যয়ও পাবেন সরকার থেকে। আবাসস্থলে একটি টেলিফোন সংযোগ পাবেন। এর নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত বিল পরিশোধ থেকেও অব্যাহতি দেবে সরকার। তিনি একজন মন্ত্রীর প্রাপ্য চিকিৎসা সুবিধার সমপরিমাণ চিকিৎসা সুবিধাদি পাবেন। সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিনা মূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। দেশের ভেতর ভ্রমণকালে সরকারি সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউজে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুবিধা পাবেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে একটি কূটনৈতিক পাসপোর্টও পাবেন মো. আবদুল হামিদ। চিকিৎসা সুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং দেশের ভেতরে সরকারি সার্কিট হাউজ বা রেস্টহাউজে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুবিধা মো. আবদুল হামিদের স্ত্রীও পাবেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের অসুস্থ অবস্থায় ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আবদুল হামিদ। জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের মনোনয়নে আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ২৪ এপ্রিল তিনি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাকে দ্বিতীয়বারের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে।

/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
৫২ বছরে এই প্রথম কোনও রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানালো বঙ্গভবন
দেশের মানুষকে ভালোবেসে রাজনীতি করার আহ্বান বিদায়ী রাষ্ট্রপতির
সর্বশেষ খবর
বহিষ্কারেও থামছেন না রংপুরের বিএনপির নেতাকর্মীরা
বহিষ্কারেও থামছেন না রংপুরের বিএনপির নেতাকর্মীরা
কর-বৈষম্য জিডিপি বৃদ্ধির অন্তরায়
কর-বৈষম্য জিডিপি বৃদ্ধির অন্তরায়
অবসরে গেলে আজিজ-বেনজীরের মতো অন্যদেরও থলের বিড়াল বের হবে: নুর
অবসরে গেলে আজিজ-বেনজীরের মতো অন্যদেরও থলের বিড়াল বের হবে: নুর
শনিবার বঙ্গবাজারে নতুন বিপণি বিতানসহ ৪ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী
শনিবার বঙ্গবাজারে নতুন বিপণি বিতানসহ ৪ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
নেপথ্যে ২০০ কোটি টাকার লেনদেন, সিলিস্তাকে দিয়ে হানি ট্র্যাপ
এমপি আজীম হত্যাকাণ্ডনেপথ্যে ২০০ কোটি টাকার লেনদেন, সিলিস্তাকে দিয়ে হানি ট্র্যাপ
আদালতে কেঁদে সিলিস্তার প্রশ্ন, আমি কীভাবে আসামি হলাম?
আদালতে কেঁদে সিলিস্তার প্রশ্ন, আমি কীভাবে আসামি হলাম?
এমপি আজিমের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের দাবি কলকাতা পুলিশের
এমপি আজিমের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের দাবি কলকাতা পুলিশের
যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের নির্দেশ তাইওয়ানের
যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের নির্দেশ তাইওয়ানের
পশ্চিম তীরে দূতাবাস খোলার নির্দেশ কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের
পশ্চিম তীরে দূতাবাস খোলার নির্দেশ কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের