প্রতিদিন রাজধানীসহ সারা দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোতে দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যাও কম নয়। নিরাপদ সড়কের দাবি জোরালো হলেও দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমছে না, বরং বেড়েই চলেছে। কিছুতেই যেন লাগাম টানা যাচ্ছে না এই ক্ষেত্রে। সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হলো- দিন, মাস কিংবা বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কত, সেই হিসাবও সঠিকভাবে মিলছে না। সরকারি সংস্থা থেকে এ বিষয় তেমন কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংগঠনগুলোও একেক রকমের তথ্য দিচ্ছে। এবারের ঈদযাত্রায়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ফলে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের খবর আসে গণমাধ্যমগুলোতে। ছোটখাটো দুর্ঘটনা কিংবা হতাহতের খবর অনেক সময় সংবাদ আকারে আসে না। আবার দুর্ঘটনার সময় হতাহতের সংখ্যা জানা গেলেও আহতদের থেকে পরবর্তীতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের হিসাব সেভাবে গণমাধ্যমে আসে না। সরকারের পক্ষ থেকে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা না জানানোর কারণে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ওপর নির্ভর করতে হয় বেসরকারি সংস্থাগুলোকে। এ জন্য এক এক সংগঠনের দেওয়া তথ্য একেক রকমের হচ্ছে। এর সমাধানে সরকারিভাবে কেন্দ্রীয় একটি ডাটাবেজ করা বা তথ্য ব্যাংক করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি, সেভ দ্য রোড ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) প্রতি মাসে ও বছর শেষে আলাদাভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এবারের ঈদযাত্রা নিয়েও এসব সংগঠন সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র তুলে ধরে নিজেদের মতো করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনগুলোতে বিভিন্ন ধরনের তথ্য মিলেছে, যা নিয়ে অনেককে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (২ মে) সংবাদ সম্মেলন করে যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, এবারের ঈদযাত্রায় ১৪ দিনে (১৬ থেকে ২৯ এপ্রিল) ২৭৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩০১ জন নিহত এবং ৫৫১ জন আহত হয়েছেন। সড়কের সঙ্গে রেল ও নৌপথ মিলিয়ে ৩৪১টি দুর্ঘটনায় ৩৫৫ নিহত ও ৬২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের হিসাবে, এ বছরের ঈদযাত্রায় সড়কে গত বছরের তুলনায় দুর্ঘটনা কমেছে ১৮ দশমিক ২ শতাংশ, প্রাণহানি কমেছে ২১ দশমিক ১ শতাংশ এবং আহত ৩৩ শতাংশ কমেছে। নিজস্ব সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্যরা বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালের সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে বলেও জানায় সংগঠনটি।
একই দিন রোড সেফটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঈদযাত্রীর ১৪ দিনে (১৬ থেকে ২৯ এপ্রিল) দেশে ২৪০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮৫ জন নিহত এবং ৪৫৪ জন আহত হয়েছেন। এই সময়ে পাঁচটি নৌ-দুর্ঘটনায় আট জন নিহত ও দুই জন নিখোঁজ, ১১টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং ৬১ জন আহত হয়েছেন। ৯টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংগঠনটি।
রবিবার (৩০ এপ্রিল) সেভ দ্য রোডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবারের ঈদযাত্রার ১৪ দিনে (১৬ থেকে ২৯ এপ্রিল) সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে এক হাজার ৪১টি। এতে নিহত হয়েছেন ২৪৪ জন এবং আহত হয়েছেন এক হাজার ১৭৩ জন। ২২টি জাতীয়, ২০টি টেলিভিশন, আঞ্চলিক ও স্থানীয় ৮৮টি নিউজ পোর্টাল এবং স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
ঈদযাত্রার ১৪ দিনের সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের হিসাব এই তিন সংগঠনের একটির সঙ্গে অন্যটির মিলছে না। যেমন— যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে- দুর্ঘটনা ৩০৪টি, রোড সেফটি বলছে ২৪০টি আর সেভ দ্য রোড বলছে এক হাজার ৪১টি। যাত্রী কল্যাণ সমিতি হিসাবে নিহত ৩২৮ জন, রোড সেফটির হিসাবে ২৮৫ জন আর সেভ দ্য রোডের হিসাবে ২৪৪ জন। আহতের সংখ্যা যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে- ৫৬৫ জন, রোড সেফটি বলছে- ৪৫৪ জন, সেভ দ্য রোড বলছে- এক হাজার ১৭৩ জন।
দিনভিত্তিক তথ্য
রোড সেফটির দিনভিত্তিক তথ্য বলছে– ১৬ এপ্রিল সাতটি দুর্ঘটনায় নিহত ১৩, আহত ২১; ১৭ এপ্রিল ১৩টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ১৩; ১৮ এপ্রিল ১২টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৩, আহত ৪; ১৯ এপ্রিল ১২টি দুর্ঘটনায় নিহত ১০, আহত ২৭; ২০ এপ্রিল ১৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ২১, আহত ৩৫; ২১ এপ্রিল ১৫টি দুর্ঘটনায় নিহত ২২, আহত ৮৯; ২২ এপ্রিল ২৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৮, আহত ২৫; ২৩ এপ্রিল ২০টি দুর্ঘটনায় নিহত ২০, আহত ৩৪; ২৪ এপ্রিল ১৫টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৬, আহত ২৫; ২৫ এপ্রিল ২২টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৩, আহত ২৭; ২৬ এপ্রিল ২৫টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৩, আহত ৪১; ২৭ এপ্রিল ১৬টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৮, আহত ২১; ২৮ এপ্রিল ২৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৭, আহত ৬৯; ২৯ এপ্রিল ২১টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৪, আহত ২৩।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির দিনভিত্তিক তথ্য বলছে– ১৬ এপ্রিল ১৩টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৩, আহত ৪০; ১৭ এপ্রিল ১৭টি দুর্ঘটনায় নিহত ২২, আহত ১৩; ১৮ এপ্রিল ১৯টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৬, আহত ১৬; ১৯ এপ্রিল ১১টি দুর্ঘটনায় নিহত ৯, আহত ৩৪; ২০ এপ্রিল ১৮টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৫, আহত ৭২; ২১ এপ্রিল ১২টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৫৬; ২২ এপ্রিল ২০টি দুর্ঘটনায় নিহত ২২, আহত ৩৭; ২৩ এপ্রিল ২৭টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৬, আহত ২৯; ২৪ এপ্রিল ২৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৭, আহত ৩৪; ২৫ এপ্রিল ১৬টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৬, আহত ১৪; ২৬ এপ্রিল ৩০টি দুর্ঘটনায় নিহত ৩৪, আহত ৫৬; ২৭ এপ্রিল ২০টি দুর্ঘটনায় নিহত ২০, আহত ২৬; ২৮ এপ্রিল ২৩টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৫, আহত ৭১; ২৯ এপ্রিল ২৭টি দুর্ঘটনায় নিহত ২৯, আহত ৫৩।
সেভ দ্য রোডের দিনভিত্তিক তথ্য বলছে– ১৬ এপ্রিল ৯২টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ১০২; ১৭ এপ্রিল ৮৫টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৩, আহত ৯৫; ১৮ এপ্রিল ৭৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৩, আহত ৮৯; ১৯ এপ্রিল ৭৫টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৮৬; ২০ এপ্রিল ৭২টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৮৬; ২১ এপ্রিল ৭৫টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৯, আহত ৮৩; ২২ এপ্রিল ৭৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ২১, আহত ৭৮; ২৩ এপ্রিল ৬৮টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৫, আহত ৬৭; ২৪ এপ্রিল ৭১টি দুর্ঘটনায় নিহত ২০, আহত ৭৯; ২৫ এপ্রিল ৬৭টি দুর্ঘটনায় নিহত ২১, আহত ৭৫; ২৬ এপ্রিল ৭০টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৯, আহত ৭৫; ২৭ এপ্রিল ৭৫টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৫, আহত ৮৪; ২৮ এপ্রিল ৬৭টি দুর্ঘটনায় নিহত ২০, আহত ৮০; ২৯ এপ্রিল ৭৬টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৮৪।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে নিয়মিত হিসাব দেওয়া নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর এবারের ঈদযাত্রার দুর্ঘটনা ও হতাহতের পরিসংখ্যান এখনও পাওয়া যায়নি। তবে সংগঠনটির অতীতের হিসাব বলছে তাদের মাস ও বছরের প্রতিবেদনের সঙ্গে অন্যান্য সংগঠনের দেওয়া হিসাবের সঙ্গে ভিন্নতা পাওয়া যায়।
মার্চ মাসের সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহত নিয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও সেভ দ্য রোডের দেওয়া তথ্যেও ভিন্নতা দেখা গেছে। ওই মাসে রোড সেফটি বলেছে- ৪৮৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৬৪ জন নিহত এবং এক হাজার ৯৭ জন আহত হয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে- মার্চে ৪৮৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩৮ জন নিহত এবং ১১৩৮ জন আহত হয়েছে। সেভ দ্য রোডের বলেছে- মার্চ মাসে তিন হাজার ৪০৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত এবং তিন হাজার ৮৯৪ জন আহত হয়।
২০২২ সালের সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যায় একইভাবে ভিন্ন তথ্য মেলে তিন সংগঠনের দেওয়া প্রতিবেদনে। রোড সেফটির হিসাব বলছে, ছয় হাজার ৮২৯টি দুর্ঘটনায় নিহত হন সাত হাজার ৭১৩ জন, আহত হন ১২ হাজার ৬১৫ জন। যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, ২০২২ সালে ছয় হাজার ৭৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৯ হাজার ৯৫১ জন, আহত ১২ হাজার ৩৫৬। আর নিরাপদ সড়ক চাই’র হিসাবে ওই বছর পাঁচ হাজার ৭০টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৭৬০ জন এবং আহত হয়েছেন সাত হাজার ৩৩১ জন।
অন্যদিকে, চলতি বছরের মার্চ মাসে সারাদেশে ৩৮৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৫ জন নিহত এবং ৬৮৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সংস্থাটির বিভাগীয় অফিসগুলোর মাধ্যমে সারাদেশ থেকে এই তথ্য সংগ্রহ করেছে বলে জানায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
কেন তথ্য বিভ্রাট
কেন এই তথ্য বিভ্রাট– জানতে চাইলে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, গত ১২ বছর ধরে সড়ক দুর্ঘটনার ওপর প্রতিবেদন করে আসছি আমরা। আমাদের প্রধান সোর্স হচ্ছে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ। সেখান থেকে তথ্য নিয়ে এবং নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের থেকেও পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন করা হচ্ছে। সোর্স হিসেবে নেওয়া গণমাধ্যমের সংখ্যার কম-বেশি থাকায় এক এক সংগঠনের তথ্য এক রকম হচ্ছে। অনেক দুর্ঘটনা গণমাধ্যমে না আসায় ওই তথ্যগুলো আমাদের পক্ষে সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার আমাদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে কেউ কিছু তথ্য যোগ-বিয়োগ করে আলাদা প্রতিবেদন দিচ্ছে। এসব কারণে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবেদনে বিভিন্ন তথ্য আসছে। এই কাজটি করার কথা ছিল বিআরটিএ’র। তারা করছে না বলেই আমরা করছি কাজটি।
এ বিষয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা দুর্ঘটনা ও হতাহতের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে নিয়ে থাকি। এটি করতে গিয়ে অনেক সময় একই তথ্য একাধিকবার চলে আসছে। আবার অনেক দুর্ঘটনা ও হতাহতের তথ্য গণমাধ্যমে না আসায় সেই তথ্যও দেওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া কেন দুর্ঘটনা ঘটলো, হতাহতদের বয়স কত, তাদের লিঙ্গ পরিচয় ইত্যাদি তথ্যও ঠিকভাবে পাওয়া যায় না অনেক সময়। এই সমস্যার একমাত্র সমাধান হচ্ছে সরকারি উদ্যোগে একটি দুর্ঘটনার তথ্য ব্যাংক করা অথবা অ্যাপলিকেশন (অ্যাপ) তৈরি করা।
সেভ দ্য রোডের মহাসচিব শান্তা ফারজানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক, অনলাইন পোর্টাল, টেলিভিশন থেকে আমরা তথ্য সংগ্রহ করি। আমাদের বিভিন্ন জেলায় থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি পুলিশের কাছ থেকেও আমরা তথ্য নিয়ে থাকি। এসব তথ্যের ভিত্তিতে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের ওপর প্রতিবেদন করে থাকি। আসলে কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্যগুলো সংগঠিত না থাকায় সংগঠনগুলোর তথ্যে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন-
ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরেছে ২৮৫ প্রাণ, গত বছরের তুলনায় দুর্ঘটনা কমেছে








