সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, জুলিও কুরিই বিশ্বশান্তিতে অবদানের শ্রেষ্ঠ ও যথার্থ পুরস্কার। এ যাবৎকাল যারা এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তাদের জীবনী পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা সত্যিকার অর্থেই বিশ্বশান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এ তালিকায় রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলা, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রো, মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের, বিখ্যাত মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং প্রমুখের মতো বিশ্ববরেণ্য নেতা ও ব্যক্তিত্বরা।
মঙ্গলবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'জুলিও কুরি' পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সংসদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত বিশেষ আবৃত্তি আয়োজন 'কবিতায় বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদকপ্রাপ্তি ছিল বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের। কেননা তিনি ছিলেন বিশ্বশান্তির বার্তাবাহক। মানবতার মুক্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
নোবেল পুরস্কারের নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে ব্যক্তি ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সুদ নেন, তিনি কী করে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান?
প্রতিমন্ত্রী এসময় আগামী ২৮ মে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ সারাদেশের ৪৯২টি উপজেলায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে বঙ্গবন্ধুর 'জুলিও কুরি' পদকপ্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপন করা হবে বলে জানান।
বরেণ্য আবৃত্তিশিল্পী জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক নূরুল হুদা, দেওয়ান সাঈদুল হাসান, ডালিয়া আহমেদ, জয়ন্ত রায়, শাহাদাৎ হোসেন নিপু, মিনার মনসুর প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাচিকশিল্পী রূপা চক্রবর্তী।









