উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মী পুনরেকত্রীকরণ নীতি, ২০২৫’ অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই নীতি অনুমোদন করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এতে সভাপতিত্ব করেন।
মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ জানায়, এ নীতির কৌশলগত উদ্দেশ্য হলো, প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীর অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে কর্মে নিযুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি, আগ্রহী প্রত্যাগত কর্মীর চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি পরামর্শ বা প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি, প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সহযোগিতা দেওয়া।
এছাড়া নির্যাতিত, লাঞ্ছিত, ঝুঁকিপূর্ণ প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীকে সহায়তা ও সুরক্ষা দেওয়া, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মাধ্যমে প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীদের উদ্ভাবনমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পুনরেকত্রীকরণের লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এই নীতির উদ্দেশ্য।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি অফিসগুলোর কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি গভর্নেন্স পারফরম্যান্স মনিটরিং সিস্টেম (জিপিএমএস) কাঠামো অনুমোদন করা হয়েছে। কাঠামোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো– প্রত্যেক মন্ত্রণালয়/বিভাগ তিন বছর মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং প্রত্যেক অর্থ বছরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে তা বাস্তবায়ন করবে, যেখানে আউটপুট অর্জন ও গুণগতমান উভয় মাপকাঠি বিবেচিত হবে।
পাশাপাশি মন্ত্রণালয়/বিভাগভিত্তিক পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ দল যাচাই, মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুপারিশ করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত সরকারি এবং বেসরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পৃথক বিশেষজ্ঞ দল প্রতিটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের কৌশলগত বিষয়ের প্রতিবেদন মূল্যায়ন করবে। মূল্যায়নের জন্য মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর কার্যক্রমের ধরণ অনুসারে সাতটি গুচ্ছ/ক্লাস্টারে ভাগ করা হয়েছে।









