প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর: নতুন সম্ভাবনার হাতছানি

গোলাম মওলা
২১ জুন ২০২৬, ১৪:১৯আপডেট : ২১ জুন ২০২৬, ১৪:১৯

বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তিত বাস্তবতা, রফতানি বাজারে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা এবং এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য নতুন বাজার ও নতুন অর্থনৈতিক অংশীদার খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। এমন এক সময়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতি মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১-২২ জুনের মালয়েশিয়া সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, রফতানিকারক, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, এই সফর কেবল একটি কূটনৈতিক সফর নয়; বরং এটি হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সফরটি সফল হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বাস্তবায়ন, নতুন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং আসিয়ান অঞ্চলে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হতে পারে।

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন বাজার ও নতুন বিনিয়োগের সন্ধানে থাকা বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়া এখন কেবল একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ নয়, বরং একটি কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদার।

বাণিজ্য বাড়ছে, কিন্তু বাড়ছে ঘাটতিও

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। তবে এই বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এটি এখনো বাংলাদেশের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ নয়।

বাংলাদেশ প্রতি বছর মালয়েশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ পাম অয়েল, পরিশোধিত জ্বালানি, রাসায়নিক দ্রব্য, শিল্প কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি এবং ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানি করে। বিপরীতে বাংলাদেশের রফতানি আয় মাত্র ৩০ কোটি ডলারের কাছাকাছি। অর্থাৎ দুই দেশের বাণিজ্যে বাংলাদেশের বিপুল ঘাটতি রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্যের সম্ভাবনা অনেক বেশি হলেও উচ্চ শুল্ক, বাজার সম্পর্কে সীমিত ধারণা, সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগের ঘাটতি এবং বাণিজ্যিক সুবিধার অভাব রফতানি বৃদ্ধির পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের মতে, এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হবে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর কার্যকর পথ খুঁজে বের করা।

এফটিএ হতে পারে গেম-চেঞ্জার

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্কের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এখন দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) মনে করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর এফটিএ আলোচনায় নতুন গতি আনতে পারে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অনেক পণ্যের ওপর তুলনামূলক উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই শুল্ক ৩০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ফলে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের পণ্য অনেক সময় বাজারে কাঙ্ক্ষিত অবস্থান তৈরি করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এফটিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্ক সুবিধা সৃষ্টি হবে। এর ফলে রফতানি ব্যয় কমবে, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে এবং মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ হবে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মালয়েশিয়া হচ্ছে আসিয়ান অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। ফলে এফটিএ শুধু মালয়েশিয়ার বাজারেই নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তর বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এলডিসি উত্তরণের পর নতুন বাস্তবতা

চলতি বছর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ করছে। এ কারণে আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা হারাবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অনেক বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের সুবিধা কমে যেতে পারে। এ অবস্থায় বিকল্প বাজার সৃষ্টি এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে গেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মালয়েশিয়ার সঙ্গে এফটিএ বাস্তবায়ন হলে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রফতানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

রফতানির নতুন খাত খুঁজছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও ব্যবসায়ীরা রফতানি বহুমুখীকরণের কথা বলে আসছেন। মালয়েশিয়ার বাজার সেই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

বর্তমানে তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত খাদ্য, কৃষিপণ্য, চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, ওষুধ এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য মালয়েশিয়ায় রফতানি হচ্ছে। 

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্ভাবনার তুলনায় এই রফতানি এখনো অনেক কম। বিশেষ করে হালাল খাদ্যপণ্য, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য, মাছ ও সামুদ্রিক খাদ্য, ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, সিরামিক, চামড়াজাত পণ্য এবং হালকা প্রকৌশল শিল্পের পণ্যের জন্য মালয়েশিয়ায় বড় বাজার রয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হালাল অর্থনীতির দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বিশাল সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, হালাল খাদ্য ও কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্যের বাজারে প্রবেশ করতে পারলে বাংলাদেশের রফতানি আয়ে নতুন মাত্রা যোগ হবে।

মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের আম

প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে কৃষিপণ্য রফতানির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের কূটনৈতিক ও কারিগরি প্রচেষ্টার পর মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তাজা আম রফতানির পথ উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশন, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে মালয়েশিয়ার কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণের কাজ এগিয়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আম বাগান ও প্যাকিং সুবিধা পরিদর্শনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মৌসুমেই মালয়েশিয়ার ভোক্তারা বাংলাদেশের আমের স্বাদ পেতে পারেন। 

কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মালয়েশিয়ায় আম রফতানি শুরু হলে তা ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া ও অন্যান্য আসিয়ান দেশেও বাংলাদেশের কৃষিপণ্য প্রবেশের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

বিনিয়োগে নতুন দিগন্তের আশা

বাংলাদেশ বর্তমানে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাচ্ছে না। অর্থনীতিবিদদের মতে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ। দেশটির বিনিয়োগ রয়েছে জ্বালানি, অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস এবং শিল্প খাতে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, লজিস্টিকস, বন্দর উন্নয়ন, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং উৎপাদনশীল শিল্পে নতুন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি আসতে পারে।

বাংলাদেশের ১৮ কোটির বিশাল বাজার, তরুণ কর্মশক্তি, ভৌগোলিক অবস্থান এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

শ্রমবাজারে স্বস্তির প্রত্যাশা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো শ্রমবাজার। বর্তমানে কয়েক লাখ বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় কর্মরত আছেন এবং তারা প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠাচ্ছেন। কিন্তু অতীতে শ্রমিক নিয়োগে সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ব্যয়, ভিসা জটিলতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়ম নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবারের সফরে শ্রমবাজার পুনরায় পুরোপুরি সচল করা, নতুন কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি এবং অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের মতে, এই খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলে শুধু রেমিট্যান্সই বাড়বে না, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কও আরও শক্তিশালী হবে।

‘লুক ইস্ট’ নীতির বাস্তব প্রতিফলন

বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়া সফর বাংলাদেশের ‘লুক ইস্ট’ নীতির বাস্তব প্রতিফলন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য প্রতিযোগিতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহ শৃঙ্খলের পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির কারণে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

মালয়েশিয়া শুধু একটি রফতানি বাজার নয়; বরং প্রযুক্তি স্থানান্তর, শিল্পায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে।

প্রত্যাশার কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সফর

অর্থনীতিবিদদের মতে, সফরের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সফর-পরবর্তী বাস্তবায়নের ওপর। অতীতে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সফরে বহু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হলেও অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তব অগ্রগতি প্রত্যাশিত ছিল না। তাই এবার শুধু চুক্তি নয়, বরং এফটিএ চূড়ান্তকরণ, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা, বিনিয়োগ সহজীকরণ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনায় বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়াই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে মালয়েশিয়া সফর বাংলাদেশের জন্য নতুন রফতানি বাজার, নতুন বিনিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান এবং নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার এই সময়ে কুয়ালালামপুরের এই সফর তাই কেবল একটি রাষ্ট্রীয় সফর নয়; বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কৌশল ও আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও বটে। সফল হলে এর সুফল আগামী বহু বছর ধরে দেশের অর্থনীতি, রফতানি খাত এবং বিনিয়োগ পরিবেশে প্রতিফলিত হতে পারে।

/ইউএস/
সম্পর্কিত
মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী, সফরসঙ্গী কারা?
বিদেশে বসেই ভোটার নিবন্ধন, কী কী নথি প্রয়োজন
মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
আমাদের সন্তানরা আমাদের মনে রাখুক, আমাদেরকে ভালোবাসুক
আমাদের সন্তানরা আমাদের মনে রাখুক, আমাদেরকে ভালোবাসুক
‘হামের টিকা নিয়ে গাফিলতি আছে, তদন্তের দরকার নেই’
‘হামের টিকা নিয়ে গাফিলতি আছে, তদন্তের দরকার নেই’
কেন কুমির মার্কা নিয়েছিলেন নির্মলেন্দু গুণ?
কেন কুমির মার্কা নিয়েছিলেন নির্মলেন্দু গুণ?
সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার
সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
হঠাৎ ইসলামী ব্যাংকের সতর্কবার্তা জারি
হঠাৎ ইসলামী ব্যাংকের সতর্কবার্তা জারি
আলোচিত ৩ ইউপির কী নাম রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী, যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী
আলোচিত ৩ ইউপির কী নাম রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী, যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী কবে ভারত সফরে যাবেন, জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রী কবে ভারত সফরে যাবেন, জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
‘লক্করঝক্কর’ বাসের শহরে চলবে ২৫০০ কোটির ইলেকট্রিক বাস 
‘লক্করঝক্কর’ বাসের শহরে চলবে ২৫০০ কোটির ইলেকট্রিক বাস 
তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলায় দেবো: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল
তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলায় দেবো: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল