প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। বর্তমানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা বিরাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি ।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, দুই বছর আগে আজকের দিন, ১৮ জুলাই ফ্যাসিবাদী সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে মানুষের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। বর্তমানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা বিরাজ করছে।
তিনি বলেন, বিগত শাসনামলের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ও অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়নের অধ্যায় পেরিয়ে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাজনৈতিক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার, জাতীয় সার্বভৌমত্ব সুসংহতকরণ এবং অর্থনৈতিক-কৌশলগত কূটনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাজ করছে।
মাহদী আমিন বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে ধারণ করে পারস্পরিক সমতা, ন্যায্যতা, আত্মমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার বৈশ্বিক পরিসরে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন, সীমান্ত ও আকাশসীমার নিরাপত্তা জোরদার এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাষ্ট্র সংস্কারে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিটি দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীনে অভূতপূর্ব সম্মান ও লালগালিচা সংবর্ধনা পেয়েছেন। এছাড়া ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক বক্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রশংসিত হয়েছেন।
মাহদী আমিন জানান, ব্যবসাবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন অনুমতি ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন ফেরত নিতে পারবেন।









