বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা মি.উনো ইয়োশিমাসা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’’
তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উদ্বোধনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি যথাসময়ে সম্পন্ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘‘১৬ ডিসেম্বরকে সম্ভাব্য উদ্বোধনের তারিখ বিবেচনায় রেখে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দ্রুত পরিচালনা কার্যক্রম শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।’’
তিনি উল্লেখ করেন, এই কার্যক্রম শুরু করতে জাপানিজ স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কিং গ্রুপের পক্ষ থেকে আগামী মাসে দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘জাপান বাংলাদেশের অন্যতম পুরোনো ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজেও জাপানি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।’’
নির্ধারিত সময়ে টার্মিনালটি উন্মুক্ত করতে তিনি জাপানের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পসহ চলমান বিভিন্ন উদ্যোগে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
সভা শেষে পুনরায় ঢাকা–নারিতা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনা উপলক্ষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টাকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের প্রতিকৃতি (মডেল) উপহার হিসেবে প্রদান করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত ।

জ্বালানি সহযোগিতা চেয়ে মালয়েশিয়ায় ফোন-চিঠি প্রধানমন্ত্রীর







