রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনসহ ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার (৩০ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত জারি করা গেজেট থেকে বিষয়টি জানা যায়।
১১টি আসনগুলো হচ্ছে— ঠাকুরগাঁও-১, বগুড়া-২, পিরোজপুর-১, ময়মনসিংহ-১০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ও ৪, কুমিল্লা-৩, লক্ষ্মীপুর-২ ও ৩, চট্টগ্রাম-২ এবং কক্সবাজার-১।
ইসির গেজেট অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সদর উপজেলা ভেঙ্গে এ দুটি উপজেলা গঠন করা হয়। গত মে মাসে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) সভায় এ দুটি উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়।
বগুড়া-২ আসনে শিবগঞ্জের পাশাপাশি মোকামতলা উপজেলাকেও যুক্ত করা হয়েছে। মোকামতলা উপজেলা গত মে মাসে নিকার বৈঠকে অনুমোদন পায়।
পিরোজপুর-১ আসনে পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও জিয়ানগর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ময়মনসিংহ-১০ আসনে গফরগাঁও উপজেলার সঙ্গে নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে। এ উপজেলাটি গত জুলাই মাসে নিকার বৈঠকে অনুমোদন পায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়ন পরিষদকে যুক্ত করা হয়েছে। এ ইউনিয়ন পরিষদ বাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৪ আসন গঠন করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ৬টি গ্রাম আলাদা করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে নতুন এই বরিশল ইউনিয়ন গত মে মাসে অনুমোদন দেওয়া হয়।
কুমিল্লা-৩ আসনে মুরাদনগর উপজেলার সঙ্গে বাঙ্গরা উপজেলাকে যুক্ত করা হয়েছে। গত জুলাই মাসে নিকার বৈঠকে বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম-২ আসনে ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গে নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার-১ আসনে নবগঠিত মাতারমুহুরি উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এসব আসনে নতুন গঠিত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে কাগজে কলমে আসন সীমানায় সংশোধন হলেও বাস্তবে কোনও পরিবর্তন আসবে না।









