ড্রাইভারের অদক্ষতা কিংবা নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে বিমানবাহিনীর গাড়িটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গাড়িটির চালক কতটা দক্ষ ছিলেন, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটির গতি কত ছিল এবং অন্য কোনও কারিগরি বা অবকাঠামোগত কারণ ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আরও জানান, নিহত বিমানবাহিনীর তিন সদস্যের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতে তৃতীয় টার্মিনালের অভ্যন্তরে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা নিশ্চিত করা এবং যেকোনও ধরনের দুর্ঘটনা ও ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাতে তৃতীয় টার্মিনালে গাড়ি দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আহত হন আরও চারজন।









