সরকার বলছে সার আছে, কৃষক পাচ্ছেন না: সংকট কোথায়?

জামাল উদ্দিন
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০১ আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৩৫

সরকারি গুদামে সার আছে। নতুন বরাদ্দও দেওয়া হচ্ছে। বিদেশ থেকে লাখ লাখ টন সার আমদানির প্রক্রিয়াও চলছে। অথচ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষক সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজন মতো সার পাচ্ছেন না। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে এক বস্তা, কোথাও সরকারি ডিলারের দোকানে ‘সার নেই’ শুনে একই সার খোলাবাজারে কিনতে হচ্ছে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা বেশি দামে। সংকট এতটাই প্রকট হয়েছিল যে, গত ২৩ আগস্ট কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এক ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া নিয়ে যান কৃষকেরা। পরে অবশ্য কিছু সার ফেরতও দেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে যদি সত্যিই পর্যাপ্ত সার থাকে, তাহলে কৃষকের হাতে পর্যাপ্ত সার পৌঁছাচ্ছে না কেন? কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৩১ আগস্টের হিসাব অনুযায়ী দেশে চার ধরনের সারের মোট মজুত আছে— ১২ লাখ ৮৬১ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইউরিয়া ৪ লাখ ১৩৭ টন, টিএসপি ৩ লাখ ৬৫৯ টন, ডিএপি ৩ লাখ ৬৮৫ টন এবং এমওপি ১ লাখ ৩৮ হাজার টন। তারপরও রাজশাহী, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, সিরাজগঞ্জ ও ঝিনাইদহসহ বিভিন্ন এলাকায় সার না পাওয়া বা বেশি দামে কেনার অভিযোগ রয়েছে। অন্তত ১০ জেলার কৃষকদের এমন অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে।

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর— এই তিন মাসে মোট সারের চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ লাখ ২১ হাজার টন। কিন্তু সার সংকট নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংকটের হিসাব শুধু জাতীয় মজুত দিয়ে করলে বাস্তব চিত্র পাওয়া যায় না। কোনও জেলায় ইউরিয়া উদ্বৃত্ত থাকতে পারে, অথচ অন্য জেলায় টিএসপির ঘাটতি থাকতে পারে। আবার সরকারি গুদামে সার থাকলেও ডিলার সেটি সময়মতো না তুললে কৃষকের কাছে সেই মজুতের কার্যত কোনও মূল্য থাকে না। সরকারের পক্ষ থেকেও মাঠপর্যায়ের সমস্যার কথা অস্বীকার করা হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, কয়েকটি এলাকায় যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, সেটি সামগ্রিক সারের ঘাটতি নয়। মূল সমস্যা ছিল বিতরণ পর্যায়ে। তিনি বলেন, ‘‘সারের কোনও সংকট নেই। বিতরণ পর্যায়ে দুই-একটি জায়গায় সমস্যা হয়েছিল। আমরা আশা করছি, সেটাও ঠিক হয়ে যাবে।’’

গত সপ্তাহে কয়েকটি এলাকায় কৃষকের সার না পাওয়া এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কেনার অভিযোগ সামনে আসার পর সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ শনিবার (২৯ আগস্ট) ফরিদপুরে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় বলেন, ‘‘দেশে সারের কোনও সংকট নেই। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। বেশি টাকা দিলে যেসব খুচরা বিক্রেতা সার সরবরাহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু তাই মজুত নয়। বিতরণ, তদারকি এবং স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে বরাদ্দের অসামঞ্জস্যতা।

সেপ্টেম্বরের সার আগস্টেই তুলতে নির্দেশ

পরিস্থিতি সামাল দিতে সেপ্টেম্বরের বরাদ্দ আগাম উত্তোলনের সুযোগ দিয়েছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মাকছুদুল ইসলামের সই করা ২৩ আগস্টের চিঠিতে বলা হয়, আগস্টের বরাদ্দকৃত সার অধিকাংশ জেলায় উত্তোলন হয়ে যাওয়ায় সেপ্টেম্বরের বরাদ্দ সার ২৫ আগস্ট থেকেই উত্তোলন করা যাবে। শুধুমাত্র এই সেপ্টেম্বর মাসের জন্যই নতুন করে ২ লাখ ২৬ হাজার টন ইউরিয়া বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনও কোনও ডিলার নির্ধারিত সময়ে বরাদ্দের সার তুলছেন না। কোথাও অনুমোদিত এলাকার বাইরে সার সরিয়ে নেওয়া, গোপনে খুচরা বাজারে বিক্রি এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। যে কারণে অন্তত পাঁচটি ডিলারশিপ লাইসেন্স স্থগিত এবং প্রায় ২৫ জন ডিলারকে জরিমানা করার কথাও জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

রাজশাহীতে মজুত আছে, কিন্তু বরাদ্দে চাপ

বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) রাজশাহী জেলা ইউনিটের সভাপতি মো. ওছমান আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘রাজশাহীর সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। তবে কৃষকের প্রকৃত চাহিদার তুলনায় সরকারি বরাদ্দ কম হওয়ায় ডিলার পর্যায়ে চাপ তৈরি হচ্ছে।’’ তার মতে, চাহিদার ভিত্তিতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি যেসব এলাকায় সংকট বেশি, সেখানে দ্রুত উপ-বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা প্রয়োজন।

বিএফএ রাজশাহী জেলা ইউনিটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান বলেন, ‘‘ডিলারেরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সার তুলে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করছেন। কোনও ডিলার অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হওয়া উচিত। তবে একজনের দায় পুরো ডিলার সমাজের ওপর চাপানোও যৌক্তিক নয়।’’

সংগঠনটির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল গণির মতে, আগামী আলু ও পেঁয়াজ মৌসুম সামনে রেখে অনেক কৃষক প্রয়োজনের আগেই সার মজুত করার চেষ্টা করছেন। এতেও স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ পড়ছে।

অপরদিকে নির্বাহী সদস্য লাল মোহাম্মদ সরদার আরেকটি হিসাবের ঘাটতির কথা তুলেছেন। তার বক্তব্য, রাজশাহীতে প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর পুকুরে মাছ চাষ হলেও এসব পুকুরে প্রয়োজনীয় সারের চাহিদা বরাদ্দ নির্ধারণের সময় যথাযথভাবে বিবেচিত হচ্ছে না।

সাতক্ষীরায় উল্টো চিত্র

দেশের সব অঞ্চলে পরিস্থিতি অবশ্য এক নয়। সাতক্ষীরার বড় বাজারের কৃষি ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তার এলাকায় বর্তমানে সারের সংকট নেই। চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘আমন মৌসুমে চাহিদা তুলনামূলক কম। দিনে সব ধরনের সার মিলিয়ে ১২ থেকে ১৪ বস্তা বিক্রি হয়। বোরো মৌসুমে বিক্রি অনেক বেশি থাকে।’’ তার মতে, জলাবদ্ধতার কারণে এলাকায় ধান আবাদ কমেছে এবং অধিকাংশ জমি ঘের হওয়ায় সারের ব্যবহারও তুলনামূলক সীমিত।

এক অঞ্চলে স্বাভাবিক সরবরাহ, অন্য অঞ্চলে দীর্ঘ লাইন। এই বৈপরীত্যই ইঙ্গিত করে জাতীয় মজুতের চেয়ে অঞ্চলভিত্তিক বরাদ্দ ও বিতরণ ব্যবস্থায় সংকট বেশি।

‘মজুত নয়, সংকট বিতরণে’

খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মো. ফোরকান মিয়ার মূল্যায়নও একই। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘‘দেশে সারের মজুত থাকলেও মাঠপর্যায়ে বিতরণ ব্যবস্থায় সমস্যা রয়েছে। সরকার বলছে সারের কোনও ঘাটতি নেই, আমাদেরও মনে হয় মূল সংকটটা উৎপাদন বা আমদানির চেয়ে বিতরণ ব্যবস্থায় বেশি।’’

ফোরকান মিয়া বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ড পর্যায়ে কৃষকের সঙ্গে সরাসরি কাজ করা খুচরা বিক্রেতাদের বিতরণ ব্যবস্থার সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত রাখা প্রয়োজন। পুরোনো কাঠামো বাদ দিয়ে নতুন ও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।’’

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারের অনুমোদন ও চুক্তির আওতায় ওয়ার্ড পর্যায়ে সার বিক্রি করেছেন তারা। ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি টাকা জমা দিয়েছেন, কার্ডও পেয়েছেন। এই ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগের বিরুদ্ধে আদালতে রিট করা হয়েছে এবং বিষয়টি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

তার মতে, কৃষকের মধ্যেও এখন সার না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেই আতঙ্কে কেউ কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সার কিনে রাখছেন। আবার তদারকির দুর্বলতায় মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে এক এলাকার সার অন্য এলাকায় চলে যাওয়ার সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

ফোরকান মিয়া আরও বলেন, ‘‘কার কাছে কত সার যাচ্ছে, কে বিক্রি করছেন এবং কোথায় বিক্রি হচ্ছে, এসব নিয়মিত নজরদারিতে আনতে হবে। একইসঙ্গে সার বিতরণকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।’’

কারখানা আছে, উৎপাদন নেই

বর্তমান সংকট শুধু বিতরণেই নয়। এর আরেকটি কারণ দেশীয় উৎপাদনের বড় দুর্বলতা। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীনে সাতটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা রয়েছে। ঘোড়াশাল-পলাশ, শাহজালাল, চিটাগাং ইউরিয়া, যমুনা, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল, টিএসপি কমপ্লেক্স এবং ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি। এর বাইরে যৌথ মালিকানার কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) গুরুত্বপূর্ণ ইউরিয়া উৎপাদক।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) পর্যন্ত সাত রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার মাত্র তিনটি ঘোড়াশাল-পলাশ, শাহজালাল ও যমুনায় উৎপাদন চলছিল। কাফকোসহ কার্যত বড় চারটি কারখানা উৎপাদনে রয়েছে। সিইউএফএল, আশুগঞ্জ, ডিএপি ও টিএসপি তখনও উৎপাদনের বাইরে। তবে সিইউএফএলে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং ৩ সেপ্টেম্বর উৎপাদনে ফেরার আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

সাত রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা বছরে ৩৭ লাখ টনের বেশি। কিন্তু ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১১ লাখ ৬ হাজার টন— যা সক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশ। একই সময়ে দেশের মোট সারের চাহিদা ছিল প্রায় ৬৬ লাখ টন

গ্যাসের অভাবে আমদানিনির্ভরতা

ইউরিয়া উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল গ্যাস। বিসিআইসির গ্যাসভিত্তিক কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে দৈনিক প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের হিসাবে স্বাভাবিক সময়েও প্রয়োজনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস পাওয়া যায়। বিসিআইসির এক কর্মকর্তার মনে করেন, গ্যাস পাওয়া গেলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ লাখ ৬ হাজার টনের বাইরে আরও প্রায় ২২ থেকে ২৫ লাখ টন সার দেশে উৎপাদন করা সম্ভব হতো।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ঘোড়াশাল-পলাশ কারখানার একারই বার্ষিক সক্ষমতা ৯ লাখ ২৪ হাজার টন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সার আমদানি হয়েছিল প্রায় ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা ছিল প্রায় ৪৪ লাখ ৭৮ হাজার টন। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শুধু ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি— এই চার ধরনের সারের সরকারি চাহিদা ধরা হয়েছে ৫৮ লাখ ৫ হাজার টন। অন্যান্য রাসায়নিক সার ধরলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসাবে প্রয়োজন প্রায় ৬৭ দশমিক ৭ লাখ টন।

শুধু আগস্টেই ১২ দিনে প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার টন সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২৫ আগস্ট সরকার জানায়, বিদ্যমান মজুতের বাইরে আরও প্রায় ৮ লাখ ৬৫ হাজার টন সার আমদানির বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
আগামী বছর দেশে বিদ্যুৎ বিক্রির জায়গা থাকবে না: চিফ হুইপ
সৌদিতে নজরুলের মৃত্যুদণ্ডের খবর শুনে ফুফুর মৃত্যু, কী ঘটেছিল জানালেন বাবা-মা
শাহজালাল বিমানবন্দরের এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে 
সর্বশেষ খবর
ইশরাকের কাজের উদ্দেশ্য ভালো হলেও হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়াটা ঠিক হয়নি: স্পিকার
ইশরাকের কাজের উদ্দেশ্য ভালো হলেও হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়াটা ঠিক হয়নি: স্পিকার
স্পেনের যে গুহায় পাথরের গায়ে আদিম মানুষের শিল্পকর্ম
স্পেনের যে গুহায় পাথরের গায়ে আদিম মানুষের শিল্পকর্ম
এসআইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির মামলা, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার ভুক্তভোগী
এসআইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির মামলা, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার ভুক্তভোগী
ঘুষ দাবির অভিযোগে থানা থেকে এএসআই প্রত্যাহার
ঘুষ দাবির অভিযোগে থানা থেকে এএসআই প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত
পানাম নগরী ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত, নকশিকাঁথা-জামদানি দেখে মুগ্ধ
পানাম নগরী ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত, নকশিকাঁথা-জামদানি দেখে মুগ্ধ